২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

হেলিকপ্টার এর মতো ড্রোন উদ্ধারের ঘটনায় মহিষাদল জুড়ে চাঞ্চল্য

নিজস্ব সংবাদদাতা: মহিষাদল থানার অন্তর্গত হলদিয়া মেচেদা রাজ্য সড়কের আজড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি ছোটখাটো হেলিকপ্টার এর মতো ড্রোন উদ্ধারের ঘটনায় মহিষাদল জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। জনবহুল বাসস্ট্যান্ডের কাছে এভাবে ড্রোন উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এলাকাবাসী। মহিষাদল থানার পুলিশ এসে ড্রোনটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। কোথা থেকে ড্রোনটি এল তা নিয়ে ধন্দে পড়ে এলাকাবাসী।কোথা থেকে এই ড্রোনটি এল তার হদিশ পেতে তদন্ত শুরু করায় মহিষাদল পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই ড্রোনটিতে কোন ক্যামেরা ছিল না। অসৎ উদ্দেশ্যে নয়, জীবনদায়ী ওষুধ সরবারহের জন্য ড্রোনটি ব্যবহার করা হয়েছিল। মহিষাদল থানা পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায় ড্রোনটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর থেকে অপারেট করা হচ্ছিল।ওই ড্রোনটির গন্তব্যস্থল ছিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর। জীবনদায়ী ঔষধ দ্রুত পৌঁছাতে ড্রোনটি ব্যবহার করা হয়েছিল। যদিও পুলিশের কাছে আগে থেকে এ বিষয়ে কোনও তথ্য না থাকায় প্রথমে কিছুটা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছিল। হঠাৎ বৃষ্টির কারণে দৃশ্যমান্যতা কমে যাওয়ায় ড্রোনটিকে জরুরি অবতরণ করা হয়েছিল।
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলায় কাজ হাতেকলমে শুরু করে দেখে নেওয়া হচ্ছে কোথায় কী সমস্যা হচ্ছে। তার পরেই ধীরে গোটা রাজ্যে এই প্রকল্প চালু করা হতে পারে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবেই এই ড্রোন পাঠানো হচ্ছিল পূর্ব মেদিনীপুরের এগরাতে। কিন্তু দৃশ্যমানতা কম থাকায় ড্রোনটি মহিষাদলে অবতরণ করা হয়।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হেলিকপ্টার এর মতো ড্রোন উদ্ধারের ঘটনায় মহিষাদল জুড়ে চাঞ্চল্য

আপডেট : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার

নিজস্ব সংবাদদাতা: মহিষাদল থানার অন্তর্গত হলদিয়া মেচেদা রাজ্য সড়কের আজড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি ছোটখাটো হেলিকপ্টার এর মতো ড্রোন উদ্ধারের ঘটনায় মহিষাদল জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। জনবহুল বাসস্ট্যান্ডের কাছে এভাবে ড্রোন উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এলাকাবাসী। মহিষাদল থানার পুলিশ এসে ড্রোনটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। কোথা থেকে ড্রোনটি এল তা নিয়ে ধন্দে পড়ে এলাকাবাসী।কোথা থেকে এই ড্রোনটি এল তার হদিশ পেতে তদন্ত শুরু করায় মহিষাদল পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই ড্রোনটিতে কোন ক্যামেরা ছিল না। অসৎ উদ্দেশ্যে নয়, জীবনদায়ী ওষুধ সরবারহের জন্য ড্রোনটি ব্যবহার করা হয়েছিল। মহিষাদল থানা পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায় ড্রোনটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর থেকে অপারেট করা হচ্ছিল।ওই ড্রোনটির গন্তব্যস্থল ছিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর। জীবনদায়ী ঔষধ দ্রুত পৌঁছাতে ড্রোনটি ব্যবহার করা হয়েছিল। যদিও পুলিশের কাছে আগে থেকে এ বিষয়ে কোনও তথ্য না থাকায় প্রথমে কিছুটা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছিল। হঠাৎ বৃষ্টির কারণে দৃশ্যমান্যতা কমে যাওয়ায় ড্রোনটিকে জরুরি অবতরণ করা হয়েছিল।
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলায় কাজ হাতেকলমে শুরু করে দেখে নেওয়া হচ্ছে কোথায় কী সমস্যা হচ্ছে। তার পরেই ধীরে গোটা রাজ্যে এই প্রকল্প চালু করা হতে পারে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবেই এই ড্রোন পাঠানো হচ্ছিল পূর্ব মেদিনীপুরের এগরাতে। কিন্তু দৃশ্যমানতা কম থাকায় ড্রোনটি মহিষাদলে অবতরণ করা হয়।