১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

পঞ্চম বর্ষ ‘জয়পুর পর্যটন উৎসব’ শুরু হচ্ছে আগামী ২৯ জানুয়ারি

পঞ্চম বর্ষ ‘জয়পুর পর্যটন উৎসব’ শুরু হচ্ছে আগামী ২৯ জানুয়ারি

নতুন গতি প্রতিবেদক : পঞ্চম বর্ষ ‘জয়পুর পর্যটন উৎসব’ শুরু হচ্ছে আগামী ২৯ জানুয়ারী, চলবে ১ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত। শুক্রবার বাঁকুড়ার জয়পুর বিডিও অফিসে এক সাংবাদিক বৈঠকে এ খবর জানান স্থানীয় বিধায়ক ও রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা। তাছাড়া উপস্থিত ছিলেন জয়পুরের বিডিও বিট্টু ভৌমিক, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি টগরী মাঝি সহ অনান্যরা।

উল্লেখ্য, ‘জয়পুরের জয় হোক’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৬ সালে শুরু হয় ‘জয়পুর পর্যটন উৎসব’। তারপর থেকেই ফি বছর এই উৎসব হয়ে আসছে। এক সময়ের মল্ল রাজাদের রাজধানী। মন্দির নগরী বিষ্ণুপুর শহর থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরেই জঙ্গল ঘেরা জয়পুর এলাকা।এখানকার প্রদ্যুম্নপুরেই ছিল মল্লরাজাদের রাজধানী।

জয়পুরের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে বেশ কিছু ঐতিহাসিক প্রাচীন ভাস্কর্য, স্থাপত্য। যেমন মাকড়া পাথরের তৈরি গোকুলচাঁদ মন্দির সহ বেশ কয়েকটি টেরাকোটার প্রাচীন মন্দিরও যথেষ্ট নজরকাড়া। এছাড়াও জঙ্গলের মাঝেই রয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আমেরিকান সেনাদের তৈরি বিশাল রানওয়ে, যা বাসুদেবপুর চাতাল বলে পরিচিত। সঙ্গে নতুন করে সেজে উঠেছে জয়পুরের সমুদ্রবাঁধ লাগোয়া সুরধনী পার্কটি। এই সমুদ্র বাঁধে রয়েছে নৌকাবিলাসের ব্যবস্থা। আর পার্কে রয়েছে দু’টি গাছবাড়ি এবং দু’টি কটেজ। সবমিলিয়ে দেশ বিদেশের পর্যটকদের সাদরে গ্রহণ করতে প্রস্তুত বাঁকুড়ার জয়পুর।

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা বলেন, প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা বাজেটে এবার পর্যটন উৎসবে জেলার লোক শিল্পীদের বেশী বেশী অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সঙ্গে প্রতিদিন সন্ধ্যায় কলকাতা ও মুম্বাইয়ের প্রথিতযশা শিল্পীরা উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও অন্যান্য বেসরকারী স্টলের পাশাপাশি রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ১০টি স্টল থাকছে।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পঞ্চম বর্ষ ‘জয়পুর পর্যটন উৎসব’ শুরু হচ্ছে আগামী ২৯ জানুয়ারি

আপডেট : ২০ জানুয়ারী ২০২১, বুধবার

পঞ্চম বর্ষ ‘জয়পুর পর্যটন উৎসব’ শুরু হচ্ছে আগামী ২৯ জানুয়ারি

নতুন গতি প্রতিবেদক : পঞ্চম বর্ষ ‘জয়পুর পর্যটন উৎসব’ শুরু হচ্ছে আগামী ২৯ জানুয়ারী, চলবে ১ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত। শুক্রবার বাঁকুড়ার জয়পুর বিডিও অফিসে এক সাংবাদিক বৈঠকে এ খবর জানান স্থানীয় বিধায়ক ও রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা। তাছাড়া উপস্থিত ছিলেন জয়পুরের বিডিও বিট্টু ভৌমিক, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি টগরী মাঝি সহ অনান্যরা।

উল্লেখ্য, ‘জয়পুরের জয় হোক’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৬ সালে শুরু হয় ‘জয়পুর পর্যটন উৎসব’। তারপর থেকেই ফি বছর এই উৎসব হয়ে আসছে। এক সময়ের মল্ল রাজাদের রাজধানী। মন্দির নগরী বিষ্ণুপুর শহর থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরেই জঙ্গল ঘেরা জয়পুর এলাকা।এখানকার প্রদ্যুম্নপুরেই ছিল মল্লরাজাদের রাজধানী।

জয়পুরের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে বেশ কিছু ঐতিহাসিক প্রাচীন ভাস্কর্য, স্থাপত্য। যেমন মাকড়া পাথরের তৈরি গোকুলচাঁদ মন্দির সহ বেশ কয়েকটি টেরাকোটার প্রাচীন মন্দিরও যথেষ্ট নজরকাড়া। এছাড়াও জঙ্গলের মাঝেই রয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আমেরিকান সেনাদের তৈরি বিশাল রানওয়ে, যা বাসুদেবপুর চাতাল বলে পরিচিত। সঙ্গে নতুন করে সেজে উঠেছে জয়পুরের সমুদ্রবাঁধ লাগোয়া সুরধনী পার্কটি। এই সমুদ্র বাঁধে রয়েছে নৌকাবিলাসের ব্যবস্থা। আর পার্কে রয়েছে দু’টি গাছবাড়ি এবং দু’টি কটেজ। সবমিলিয়ে দেশ বিদেশের পর্যটকদের সাদরে গ্রহণ করতে প্রস্তুত বাঁকুড়ার জয়পুর।

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা বলেন, প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা বাজেটে এবার পর্যটন উৎসবে জেলার লোক শিল্পীদের বেশী বেশী অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সঙ্গে প্রতিদিন সন্ধ্যায় কলকাতা ও মুম্বাইয়ের প্রথিতযশা শিল্পীরা উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও অন্যান্য বেসরকারী স্টলের পাশাপাশি রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ১০টি স্টল থাকছে।