৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

হাসপাতাল ফিরিয়ে দিলো অভিষেককে, তৈরী হলো নতুন বিতর্ক

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: সত্যি কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হসপিটালে ভর্তি করার মতো অবস্থা ছিল? টিভিতে যা দেখা গেছে, তাতে তেমন সিরিয়াস কোনো আঘাত তাঁর ছিল না। এদিন সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে আক্রান্ত হন অভিষেক। তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। পিছন থেকে মারা হয়। জামাও ছেঁড়া হয়। এরপরও অবশ্য নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক।

পরে সেখান থেকে বেরিয়ে আসার পর বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে আসেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। ওই হাসপাতালে চলে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, “আমরা এখান থেকে নিয়ে যাচ্ছি। এখানে ট্রিটমেন্ট হচ্ছে না। উপর থেকে বলে দিয়েছে, ট্রিটমেন্ট না করতে।” এরপরই বাইপাসের ধারে ওই হাসপাতাল থেকে অন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে আনা হয় অভিষেককে। সেখানে পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তাঁদের নোটে লেখেন, “কোনও গুরুতর আঘাত নেই। ভর্তির প্রয়োজন নেই অভিষেকের।” সাধারণ স্যালাইন ও ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্বিতীয় ওই হাসপাতালের একটি প্রেসক্রিপশন পোস্ট করেছেন। সেখানে স্পষ্ট করা হয়েছে, গুরুতর শারীরিক আঘাতের লক্ষণ নেই। শুধু বুকে কিছু কালশিটের দাগ আছে। রোগী সচেতন। হাঁটাচলা করছেন। ভর্তির প্রয়োজন নেই। ভর্তি না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিখ্যাত গায়ক আদনান সামি ভারতীয় না পাকিস্তানী সংসয় কাটছে না

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হাসপাতাল ফিরিয়ে দিলো অভিষেককে, তৈরী হলো নতুন বিতর্ক

আপডেট : ৩১ মে ২০২৬, রবিবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: সত্যি কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হসপিটালে ভর্তি করার মতো অবস্থা ছিল? টিভিতে যা দেখা গেছে, তাতে তেমন সিরিয়াস কোনো আঘাত তাঁর ছিল না। এদিন সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে আক্রান্ত হন অভিষেক। তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। পিছন থেকে মারা হয়। জামাও ছেঁড়া হয়। এরপরও অবশ্য নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক।

পরে সেখান থেকে বেরিয়ে আসার পর বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে আসেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। ওই হাসপাতালে চলে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, “আমরা এখান থেকে নিয়ে যাচ্ছি। এখানে ট্রিটমেন্ট হচ্ছে না। উপর থেকে বলে দিয়েছে, ট্রিটমেন্ট না করতে।” এরপরই বাইপাসের ধারে ওই হাসপাতাল থেকে অন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে আনা হয় অভিষেককে। সেখানে পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তাঁদের নোটে লেখেন, “কোনও গুরুতর আঘাত নেই। ভর্তির প্রয়োজন নেই অভিষেকের।” সাধারণ স্যালাইন ও ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্বিতীয় ওই হাসপাতালের একটি প্রেসক্রিপশন পোস্ট করেছেন। সেখানে স্পষ্ট করা হয়েছে, গুরুতর শারীরিক আঘাতের লক্ষণ নেই। শুধু বুকে কিছু কালশিটের দাগ আছে। রোগী সচেতন। হাঁটাচলা করছেন। ভর্তির প্রয়োজন নেই। ভর্তি না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।