২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

তবরেজের সঙ্গে পুলিশের অমানবিক আচরণের ছবি সিসিটিভি ফুটেজে ধরাপড়ল

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক : জীবনে শেষ মুহূর্তে চরম অমানবিক আচরণের শিকার হয়েছেন তবরেজ। সিসিটিভি ফুটেজে সেই ছবি ধরা পড়েছে। উন্মত্ত জনতার মারের পর তবরেজকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সেখানে তাঁর সঙ্গে চরম অমানবিক আচরণ করছে ঝাড়খণ্ড পুলিশ। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে তবরেজকে কলার ধরে টানতে টানতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে পাশেই স্ট্রেচার পড়ে রয়েছে। অথচ তাঁকে স্ট্রেচারে করে না নিয়ে গিয়ে হাঁটাতে হাঁটাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সদর হাসপাতালের ডেপুটি সুপার চিকিৎসক বি মারি বলেন, তিনি কোনও যন্ত্রণার কথা বলেননি। কিনতু তাঁর দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল। ফলে মেডিক্যাল পরীক্ষা করা উচিত ছিল। এটা আমাদের তরফে গাফিলতি হয়েছে। তবরেজের পরিবারের অভিযোগ, উন্মত্ত জনতার প্রবল মারের পর তাঁকে সামান্য সহানুভূতি দেখানো হয়নি। সামান্য চিকিৎসা পর্যন্ত দেওয়া হয়নি।
জয় শ্রীরাম বাহিনীর সঙ্গে সমস্ত প্রশাসন এবং এই কাণ্ডে যারা জড়িত আছে তাদের প্রত্যেকের সাজা অতি অবশ্যই প্রয়োজন তাহলে এরা উচিত শিক্ষা পাবে এবং তীব্র প্রতিবাদ জানাই ।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

তবরেজের সঙ্গে পুলিশের অমানবিক আচরণের ছবি সিসিটিভি ফুটেজে ধরাপড়ল

আপডেট : ২৮ জুন ২০১৯, শুক্রবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক : জীবনে শেষ মুহূর্তে চরম অমানবিক আচরণের শিকার হয়েছেন তবরেজ। সিসিটিভি ফুটেজে সেই ছবি ধরা পড়েছে। উন্মত্ত জনতার মারের পর তবরেজকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সেখানে তাঁর সঙ্গে চরম অমানবিক আচরণ করছে ঝাড়খণ্ড পুলিশ। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে তবরেজকে কলার ধরে টানতে টানতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে পাশেই স্ট্রেচার পড়ে রয়েছে। অথচ তাঁকে স্ট্রেচারে করে না নিয়ে গিয়ে হাঁটাতে হাঁটাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সদর হাসপাতালের ডেপুটি সুপার চিকিৎসক বি মারি বলেন, তিনি কোনও যন্ত্রণার কথা বলেননি। কিনতু তাঁর দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল। ফলে মেডিক্যাল পরীক্ষা করা উচিত ছিল। এটা আমাদের তরফে গাফিলতি হয়েছে। তবরেজের পরিবারের অভিযোগ, উন্মত্ত জনতার প্রবল মারের পর তাঁকে সামান্য সহানুভূতি দেখানো হয়নি। সামান্য চিকিৎসা পর্যন্ত দেওয়া হয়নি।
জয় শ্রীরাম বাহিনীর সঙ্গে সমস্ত প্রশাসন এবং এই কাণ্ডে যারা জড়িত আছে তাদের প্রত্যেকের সাজা অতি অবশ্যই প্রয়োজন তাহলে এরা উচিত শিক্ষা পাবে এবং তীব্র প্রতিবাদ জানাই ।