২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

সুন্দরবনে জি-৯ কলার চারা বিতরণে কৃষকদের মুখে হাসি!

নুরউদ্দিন : দক্ষিণ ২৪ পরগনা,সুন্দরবনের পূর্ব দ্বারকাপুরে অনুষ্ঠিত এক ব্যতিক্রমী কৃষি উদ্যোগে ৯০০ জন সুবিধাভোগী কৃষকের হাতে তুলে দেওয়া হলো প্রায় ৪০০০টি জি-৯ জাতের কলার চারা। এই কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন মুন স্টার সংঘের বিবেকানন্দ বাগ, কিরণ চন্দ্র রায়, কেশব দত্ত ও নির্মলেন্দু রায়। উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয় কৃষকদের আত্মনির্ভর করে তোলা ও টেকসই কৃষির পথ দেখানো।

উচ্চ ফলনশীল ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন জি-৯ কলা জাতটি কৃষকদের আয়ের সুযোগ যেমন বাড়াবে, তেমনই জীবনযাত্রার মানোন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। শুধু অর্থনৈতিকভাবে নয়, এই কর্মসূচি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সহযোগিতা ও একতা বৃদ্ধি করেছে। আয়োজকদের মতে, এই কর্মসূচি কৃষকদের নিজেদের চাষাবাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিতে সাহায্য করছে এবং একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সম্ভাবনা তৈরি করছে।

অনেক কৃষকই জানান, এই উদ্যোগ তাঁদের জীবিকায় এক নতুন আশার আলো এনেছে। শুধু চারা নয়, কৃষকদের মধ্যে টেকসই কৃষি পদ্ধতি সম্পর্কেও সচেতনতা তৈরি হয়েছে। এতে দীর্ঘমেয়াদে তাদের উপার্জন বৃদ্ধির পাশাপাশি সন্তানের শিক্ষাতেও বিনিয়োগ করার সুযোগ বাড়বে।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এই প্রকল্প বিস্তারের পরিকল্পনা রয়েছে। সুন্দরবন অঞ্চলে এই প্রকল্প একটি মডেল হয়ে উঠতে চলেছে, যা পরিবেশবান্ধব কৃষির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন দিশা দেখাবে।

পিতা খুনে আসামি পুত্র কে ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল ডায়মন্ডহারবার আদালত 

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সুন্দরবনে জি-৯ কলার চারা বিতরণে কৃষকদের মুখে হাসি!

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২৫, রবিবার

নুরউদ্দিন : দক্ষিণ ২৪ পরগনা,সুন্দরবনের পূর্ব দ্বারকাপুরে অনুষ্ঠিত এক ব্যতিক্রমী কৃষি উদ্যোগে ৯০০ জন সুবিধাভোগী কৃষকের হাতে তুলে দেওয়া হলো প্রায় ৪০০০টি জি-৯ জাতের কলার চারা। এই কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন মুন স্টার সংঘের বিবেকানন্দ বাগ, কিরণ চন্দ্র রায়, কেশব দত্ত ও নির্মলেন্দু রায়। উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয় কৃষকদের আত্মনির্ভর করে তোলা ও টেকসই কৃষির পথ দেখানো।

উচ্চ ফলনশীল ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন জি-৯ কলা জাতটি কৃষকদের আয়ের সুযোগ যেমন বাড়াবে, তেমনই জীবনযাত্রার মানোন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। শুধু অর্থনৈতিকভাবে নয়, এই কর্মসূচি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সহযোগিতা ও একতা বৃদ্ধি করেছে। আয়োজকদের মতে, এই কর্মসূচি কৃষকদের নিজেদের চাষাবাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিতে সাহায্য করছে এবং একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সম্ভাবনা তৈরি করছে।

অনেক কৃষকই জানান, এই উদ্যোগ তাঁদের জীবিকায় এক নতুন আশার আলো এনেছে। শুধু চারা নয়, কৃষকদের মধ্যে টেকসই কৃষি পদ্ধতি সম্পর্কেও সচেতনতা তৈরি হয়েছে। এতে দীর্ঘমেয়াদে তাদের উপার্জন বৃদ্ধির পাশাপাশি সন্তানের শিক্ষাতেও বিনিয়োগ করার সুযোগ বাড়বে।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এই প্রকল্প বিস্তারের পরিকল্পনা রয়েছে। সুন্দরবন অঞ্চলে এই প্রকল্প একটি মডেল হয়ে উঠতে চলেছে, যা পরিবেশবান্ধব কৃষির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন দিশা দেখাবে।