আজিজুর রহমান,গলসি : গলসির পারাজ পঞ্চায়েতের সরকারী সহায়ক মুল্য ধান ক্রয় কেন্দ্রে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন স্থানীয় কৃষকরা। পঞ্চায়েতের সিপিসি ক্যাম্পে মেদিনীপুরের ১২ চাকা ধান গাড়িকে আটক করল কয়েকশো কৃষক। পাশাপাশি সিপিসি ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা খাদ্য দপ্তরের দুই আধিকারিক সহ ও মিলের ম্যানেজার ও এক কর্মীকে পঞ্চায়েতে আটকে রাখেন ক্ষুব্ধ কৃষকরা। তবে মিলের ম্যানেজার ভিগুরাম খান বলেন, এদিন ১৩ জন চাষি আমাদের ধান পাঠিয়েছেন। ক্যাম্প এর আধিকারিক আমাকে যে কোন একটা গাড়িকে সো করতে বলেন। যেমন বলেছেন সেই ভাবেই গাড়িটা সো করেছি। তবে এটা চাষির ধান নয় বলে তিনি মেনে নেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে গলসি থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। কৃষক সেখ বাদশা আলমের অভিযোগ, তাদের ধান যখন মাঠে তখন থেকেই মিলে ধান ঢুকছে। আমরা বুঝতে পারছি ব্যবসার ধানই ঢুকছে। আমরা এসে দেখতে পাচ্ছি জানুয়ারীর ১৫ তারিখ প্রযন্ত বুক। আজকে আমরা ধরেছি মেদনীপুরের গাড়ি পঞ্চায়েতে এসে ভেরিফিকেশন হচ্ছে। অফিসাররা ধানের স্যামপেল করেছে ছবিও করেছে। জানতে পারলাম গাড়িটা ভদ্রেশ্বর মিলের। তার প্রশ্ন, এত ধান কি সিস্টেমে বিক্রি হচ্ছে। চাষি কামরুল মোল্লা, আজিজুর রহমান বলেন, আমাদের পারাজের চাষিরা বঞ্চিত হচ্ছি। তথচ ভদ্রেশ্বর মিলের মেদিনীপুর থেকে আনা একটি গাড়িতে ৪২০ বস্তা ধান সিপিসি সেন্টারের মাধ্যমে কেনা হচ্ছে। মিলের কর্মী পার্থ কারককে গাড়ির সামনে রেখে ছবি তোলা হয়েছে। আমাদের মনে হচ্ছে এতে বড়সড় দুর্নীতি আছে। মিলের কর্মী পার্থ কারকও সেই কথা স্মিকার করেন। তবে চাষিদের দাবী পারাজ এলাকার সব চাষির ধান ভদ্রেশ্বর মিলকে সরকারী দামে কিনতে হবে।ধানের গাড়ির চালক সাদ্দাম হোসেন বলেছেন, মিলের নির্দেশে তিনি পঞ্চায়েতে এসেছেন। তার গাড়িতে ৪২০ বস্তা ধান আছে। ওই ধান তিনি মেদনীপুরের গোড়াউন থেকে লোড় করেছেন। এদিকে সরকারী সহায়ক মুল্যে ধান ক্রয় করতে আসা আধিকারিক স্বরুপ ঘোষের কাছে মেদিনীপুরের গাড়িটি কেন ডাকা হয়েছে জানতে চাওয়া হলে তিনি অবশ্য কোন উত্তর দিতে চাননি। বিষয়টি নিয়ে জেলার খাদ্য নিয়ামক সেখ আলিমুদ্দিনকে বার বার ফোন করা হলে তার কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
BREAKING :
নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder
নতুন গতি 






















