২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

অন্য রাজ্য থেকে সোনা চুরি করে আনা ঘটনাকে কিনারা করল হুগলি গ্রামীণ পুলিশের চন্ডিতলা থানার পুলিশ।

সেখ আব্দুল আজিম , চন্ডীতলা : মধ্যপ্রদেশ এবং উড়িষ্যা থেকে থেকে আসা সোনা দোকানে দুঃসাহাসিক চুরি করে চম্পার দেয়া ঘটনাকে মাত্র ৭২ ঘন্টার মধ্যে কিনারা করল হুগলি গ্রামীণ পুলিশের চন্ডিতলা থানার পুলিশ। এই বিষয়ে হুগলি গ্রামীণ পুলিশের পুলিশ সুপার কামনাশিশ সেন যে ঘটনার পরে পুলিশের কাছে যে সিসিটিভি ফুটেজ ছিল সেই সূত্র ধরে দুষ্কৃতীদের সেনাক্ত করে পুলিশ। তারপরে পুলিশের সোর্স এবং মোবাইল টাওয়ার লোকেশনে সূত্র ধরে নজরদারি চালাতে থাকে পুলিশ। তারপরে ভিন্ন রাজ্য থেকে আসা দুই দুষ্কৃতিকে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায় একটি গোপন ডেরা থেকে পাকড়াও করলো চন্ডীতলা থানার পুলিশ। পুলিশ এই বিশেষ তদন্তকারী টিমের নেতৃত্বে ছিলেন ডিএসপি চন্ডীতলা কুনাল সরকার এবং ওসি চন্ডীতলা থানা, জয়ন্ত পাল । গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের নাম তালিব হোসেন এবং মেহেদী হোসেন। তাদের বাড়ি ক্রমশ মধ্যপ্রদেশের সেন্দুয়া এবং উড়িষ্যার নোয়াপাড়ায় রয়েছে। এসপি এটাও জানান যে এই দুঃসাহাসের চুরির ঘটনায় তাদের স্থানীয় লিংকমেন রয়েছে। পুলিশ গ্রেফতার হওয়া দুষ্কৃতীদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসা বাদ করে তার সন্ধান পেয়ে তাকেও গ্রেফতার করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তার ছাড়া শোনা দোকানে চুরি হওয়া সোনা কেউ উদ্ধার করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। এসপি জানান যে পুলিশের তরফে এইভাবে ভিন্ন রাজ্য থেকে এসে দুষ্কৃতীদের সোনা দোকান এবং গোল্ড লোন সংস্থাকে সফট টার্গেট করা হচ্ছে ।সেই ঘটনাগুলিকে ঠেকাতে বিশেষ সচেতনতা মূলক অভিযান চালানো হচ্ছে।

বিট অফিস সংলগ্ন স্টিল নেট অকেজো—যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অন্য রাজ্য থেকে সোনা চুরি করে আনা ঘটনাকে কিনারা করল হুগলি গ্রামীণ পুলিশের চন্ডিতলা থানার পুলিশ।

আপডেট : ৪ জুলাই ২০২৪, বৃহস্পতিবার

সেখ আব্দুল আজিম , চন্ডীতলা : মধ্যপ্রদেশ এবং উড়িষ্যা থেকে থেকে আসা সোনা দোকানে দুঃসাহাসিক চুরি করে চম্পার দেয়া ঘটনাকে মাত্র ৭২ ঘন্টার মধ্যে কিনারা করল হুগলি গ্রামীণ পুলিশের চন্ডিতলা থানার পুলিশ। এই বিষয়ে হুগলি গ্রামীণ পুলিশের পুলিশ সুপার কামনাশিশ সেন যে ঘটনার পরে পুলিশের কাছে যে সিসিটিভি ফুটেজ ছিল সেই সূত্র ধরে দুষ্কৃতীদের সেনাক্ত করে পুলিশ। তারপরে পুলিশের সোর্স এবং মোবাইল টাওয়ার লোকেশনে সূত্র ধরে নজরদারি চালাতে থাকে পুলিশ। তারপরে ভিন্ন রাজ্য থেকে আসা দুই দুষ্কৃতিকে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায় একটি গোপন ডেরা থেকে পাকড়াও করলো চন্ডীতলা থানার পুলিশ। পুলিশ এই বিশেষ তদন্তকারী টিমের নেতৃত্বে ছিলেন ডিএসপি চন্ডীতলা কুনাল সরকার এবং ওসি চন্ডীতলা থানা, জয়ন্ত পাল । গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের নাম তালিব হোসেন এবং মেহেদী হোসেন। তাদের বাড়ি ক্রমশ মধ্যপ্রদেশের সেন্দুয়া এবং উড়িষ্যার নোয়াপাড়ায় রয়েছে। এসপি এটাও জানান যে এই দুঃসাহাসের চুরির ঘটনায় তাদের স্থানীয় লিংকমেন রয়েছে। পুলিশ গ্রেফতার হওয়া দুষ্কৃতীদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসা বাদ করে তার সন্ধান পেয়ে তাকেও গ্রেফতার করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তার ছাড়া শোনা দোকানে চুরি হওয়া সোনা কেউ উদ্ধার করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। এসপি জানান যে পুলিশের তরফে এইভাবে ভিন্ন রাজ্য থেকে এসে দুষ্কৃতীদের সোনা দোকান এবং গোল্ড লোন সংস্থাকে সফট টার্গেট করা হচ্ছে ।সেই ঘটনাগুলিকে ঠেকাতে বিশেষ সচেতনতা মূলক অভিযান চালানো হচ্ছে।