০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

সভাপতির অকাল প্রয়াণ, সমিতির দায়িত্বে সহ-সভাপতি বান্টি বাগ

আজিজুর রহমান,গলসি : গত ২৩ শে ফেব্রুয়ারী প্রয়াত হয়েছেন গলসি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাসুদেব চৌধুরীর। তার মৃত্যুর পর গত ৩ রা মার্চ থেকে কার্যনির্বাহী সভাপতি হয়ে পঞ্চায়েত সমিতির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সমিতির সহ সভাপতি বান্টি বাগ। তিনি জানিয়েছেন, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাসুদেব চৌধুরী খুবই ভালো ও নরম মনের মানুষ ছিলেন। তার অকাল প্রয়াণে তাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তবে পরে থাকা কাজ সম্পন্ন করতে তাকে দায়িত্ব নিতে হয়েছে। তার দাবী, তিনি যে কদিন থাকছেন সচ্ছ ভাবেই সমিতির কাজ পরিচালনা করবেন। তিনি বলেন, ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল প্রযন্ত তিনি গলসি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নিযুক্ত হয়ছিলেন। সেখানে পাঁচ বছর তিনি দক্ষতার সাথে পঞ্চায়েত পরিচালনা করেছেন। ওই সময় তিনি গলসি পূর্ব পাড়া সংলগ্ন ২৯০-২৯১ পার্টে ১৪ নম্বর পঞ্চায়েত আসনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে সিপিআইএম এর প্রার্থী ছিলেন বিকাশ লোহার ও বিজেপির প্রার্থী ছিলেন তোতন মান্না। তিনি দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর থেকে ৩৭৫ ভোটে জয় হন। তারপরের ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে গলসি ২ পঞ্চায়েত সমিতির ২৫ নম্বর আসনে ভোটে দাঁড়ান। সেখানে বিরোধী কোন প্রার্থী থাকায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেন। এরপরই তাকে পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। ওই বিষয়ে জেলা বিজেপির সদস্য জয়দীপ চ্যাটার্জী বলেন, ওটা প্রসাশনিক পদ তাই তিনি সংবিধান মেনে চেয়ারটাকে সম্মান করেন। আগের সভাপতি বাসুদেব চৌধুরীর সাথে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল প্রবল। তবে তার মৃত্যুতে তিনিও মর্মাহত। জয়দীপ বাবু বলেন, বান্টি বাগ ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তখন তাদের প্রার্থী তোতন মান্নাও ভালো ভোট পেয়েছিলেন। তার অভিযোগ, তবে ২০১৮ সালে সমিতির বহু আসনে তাদের প্রার্থীদের নমিনেশন করতে দেয়নি শাসকদল। তাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বান্টি বাগ জয়লাভ করেছিলেন। সব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলে তাদেরও বেশকিছু সমিতির সদস্য থাকতেন। গলসি ২ নং ব্লক তৃণমূল সহ-সভাপতি শৈলেন হালদার জানিয়েছেন, বিজেপি নেতা যা বলছেন সেটা ওনার ব্যক্তিগত মত। আমাদের গলসি ২ পঞ্চায়েত সমিতিতে একজন বিজেপির সদস্যা আছেন। ভোট হয়েছে বলেই উনি জিতেছেন। ওই সময় গলসির বহু জায়গায় বিজেপির পতাকা ধরার লোক থাকেনি। তাই প্রার্থী দিতে পারেনি বলে মিথ্যা তৃণমূলের নামে দোষ দিচ্ছেন। আবারও পঞ্চায়েত নির্বাচন আসছে। ওনারা সব আসনে প্রার্থী দিয়ে জিতিয়ে দেখিয়ে দিক।

সর্বাধিক পাঠিত

ভারতে থাকা তামিল শরণার্থীদের দেশে ফেরার পথ সহজ করল শ্রীলঙ্কা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সভাপতির অকাল প্রয়াণ, সমিতির দায়িত্বে সহ-সভাপতি বান্টি বাগ

আপডেট : ৬ মার্চ ২০২৩, সোমবার

আজিজুর রহমান,গলসি : গত ২৩ শে ফেব্রুয়ারী প্রয়াত হয়েছেন গলসি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাসুদেব চৌধুরীর। তার মৃত্যুর পর গত ৩ রা মার্চ থেকে কার্যনির্বাহী সভাপতি হয়ে পঞ্চায়েত সমিতির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সমিতির সহ সভাপতি বান্টি বাগ। তিনি জানিয়েছেন, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাসুদেব চৌধুরী খুবই ভালো ও নরম মনের মানুষ ছিলেন। তার অকাল প্রয়াণে তাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তবে পরে থাকা কাজ সম্পন্ন করতে তাকে দায়িত্ব নিতে হয়েছে। তার দাবী, তিনি যে কদিন থাকছেন সচ্ছ ভাবেই সমিতির কাজ পরিচালনা করবেন। তিনি বলেন, ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল প্রযন্ত তিনি গলসি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নিযুক্ত হয়ছিলেন। সেখানে পাঁচ বছর তিনি দক্ষতার সাথে পঞ্চায়েত পরিচালনা করেছেন। ওই সময় তিনি গলসি পূর্ব পাড়া সংলগ্ন ২৯০-২৯১ পার্টে ১৪ নম্বর পঞ্চায়েত আসনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে সিপিআইএম এর প্রার্থী ছিলেন বিকাশ লোহার ও বিজেপির প্রার্থী ছিলেন তোতন মান্না। তিনি দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর থেকে ৩৭৫ ভোটে জয় হন। তারপরের ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে গলসি ২ পঞ্চায়েত সমিতির ২৫ নম্বর আসনে ভোটে দাঁড়ান। সেখানে বিরোধী কোন প্রার্থী থাকায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেন। এরপরই তাকে পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। ওই বিষয়ে জেলা বিজেপির সদস্য জয়দীপ চ্যাটার্জী বলেন, ওটা প্রসাশনিক পদ তাই তিনি সংবিধান মেনে চেয়ারটাকে সম্মান করেন। আগের সভাপতি বাসুদেব চৌধুরীর সাথে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল প্রবল। তবে তার মৃত্যুতে তিনিও মর্মাহত। জয়দীপ বাবু বলেন, বান্টি বাগ ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তখন তাদের প্রার্থী তোতন মান্নাও ভালো ভোট পেয়েছিলেন। তার অভিযোগ, তবে ২০১৮ সালে সমিতির বহু আসনে তাদের প্রার্থীদের নমিনেশন করতে দেয়নি শাসকদল। তাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বান্টি বাগ জয়লাভ করেছিলেন। সব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলে তাদেরও বেশকিছু সমিতির সদস্য থাকতেন। গলসি ২ নং ব্লক তৃণমূল সহ-সভাপতি শৈলেন হালদার জানিয়েছেন, বিজেপি নেতা যা বলছেন সেটা ওনার ব্যক্তিগত মত। আমাদের গলসি ২ পঞ্চায়েত সমিতিতে একজন বিজেপির সদস্যা আছেন। ভোট হয়েছে বলেই উনি জিতেছেন। ওই সময় গলসির বহু জায়গায় বিজেপির পতাকা ধরার লোক থাকেনি। তাই প্রার্থী দিতে পারেনি বলে মিথ্যা তৃণমূলের নামে দোষ দিচ্ছেন। আবারও পঞ্চায়েত নির্বাচন আসছে। ওনারা সব আসনে প্রার্থী দিয়ে জিতিয়ে দেখিয়ে দিক।