২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

শ্বশুরবাড়ি থেকে স্ত্রী কে নিতে এসে শশুর এবং শালার হাতে আক্রান্ত স্বামী।

 

নবাব মল্লিক, দক্ষিণ ২৪ পরগনা।

ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বকুলতলা থানার উজোর খইয়ামারা গ্রামে। অভিযোগ ধারালো অস্ত্র দিয়ে জামাইবাবুকে হত্যার চেষ্টা করে শশুর ও শালা। পারিবারিক অশান্তির জেরে শ্বশুরবাড়ি থেকে
স্বামীর সাথে গন্ডগোল করে গত তিনদিন আগে বাপের বাড়ি চলে এসেছিল রুবিয়া বিবি । এরপর বারে বারে ফোন করে স্ত্রীকে বাড়ি চলে আসতে বলে স্বামী আমির হোসেন লস্কর । কিন্তু স্ত্রী না ফেরায় অবশেষে স্ত্রীকে নিতে আজ সকালেই শ্বশুরবাড়ি হাজির হয় আমির হোসেন। এরপর শ্বশুর বাড়িতে স্ত্রীর সাথে তাদের পারিবারিক বিষয় নিয়ে বচসা হতে থাকে। বচসা চরম পর্যায়ে পৌঁছালে আমির হোসেনের শালা মিজানুর হালদার জামাইবাবুর চোখে লঙ্কার গুঁড়ো দিয়ে দেয় এবং শশুর সাইফুল হালদার ও শালা মিজানুর মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমির হোসেন কে খুন করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় আমির হোসেনকে প্রথমে নিমপীঠ হাসপাতালে আনা হয় এরপর তার অবস্থার অবনতি হতে বারইপুর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বকুলতলা থানার পুলিশ। তবে ঘটনার পরেই পলাতক আমির হোসেন এর শ্বশুর এবং শালা। বকুলতলা থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শ্বশুরবাড়ি থেকে স্ত্রী কে নিতে এসে শশুর এবং শালার হাতে আক্রান্ত স্বামী।

আপডেট : ৩ মে ২০১৯, শুক্রবার

 

নবাব মল্লিক, দক্ষিণ ২৪ পরগনা।

ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বকুলতলা থানার উজোর খইয়ামারা গ্রামে। অভিযোগ ধারালো অস্ত্র দিয়ে জামাইবাবুকে হত্যার চেষ্টা করে শশুর ও শালা। পারিবারিক অশান্তির জেরে শ্বশুরবাড়ি থেকে
স্বামীর সাথে গন্ডগোল করে গত তিনদিন আগে বাপের বাড়ি চলে এসেছিল রুবিয়া বিবি । এরপর বারে বারে ফোন করে স্ত্রীকে বাড়ি চলে আসতে বলে স্বামী আমির হোসেন লস্কর । কিন্তু স্ত্রী না ফেরায় অবশেষে স্ত্রীকে নিতে আজ সকালেই শ্বশুরবাড়ি হাজির হয় আমির হোসেন। এরপর শ্বশুর বাড়িতে স্ত্রীর সাথে তাদের পারিবারিক বিষয় নিয়ে বচসা হতে থাকে। বচসা চরম পর্যায়ে পৌঁছালে আমির হোসেনের শালা মিজানুর হালদার জামাইবাবুর চোখে লঙ্কার গুঁড়ো দিয়ে দেয় এবং শশুর সাইফুল হালদার ও শালা মিজানুর মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমির হোসেন কে খুন করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় আমির হোসেনকে প্রথমে নিমপীঠ হাসপাতালে আনা হয় এরপর তার অবস্থার অবনতি হতে বারইপুর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বকুলতলা থানার পুলিশ। তবে ঘটনার পরেই পলাতক আমির হোসেন এর শ্বশুর এবং শালা। বকুলতলা থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।