২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর কথা মাথায় রেখে আলাদাভাবে ছেলের জন্মদিন পালন

মালদা: ছেলে যাতে অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের কথা ভাবতে পারে, সেই লক্ষ্যে নিয়ে ছেলের ১৮তম জন্মদিনটি একটু আলাদাভাবে পালন করল পরিবার। গাজোলের সুকান্তপল্লী বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের সঙ্গে পুরোটা দিন কাটালেন পরিবারের সদস্যরা।

কেক কাটা থেকে শুরু করে শীতবস্ত্র বিতরণ, নাচ-‌গানের পাশাপাশি আবাসিকদের দুপুরের আহারের ব্যবস্থাও করেন তাঁরা।

ছেলে সাঙ্কেতিক দাসের জন্মদিন ছিল শুক্রবার। তাই বাবা সন্দীপকুমার দাস এবং মা মুনমুন দাস দিনটি আলাদা করে পালন করার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁদের বাড়ি কালিয়াচক-‌২ ব্লকের মোথাবাড়ি এলাকায়। সেখান থেকে ছুটে যান গাজোলের সুকান্তপল্লীতে। আবাসিকদের মধ্যে প্রবীণ এক প্রৌঢ়াকে দিয়ে কেক কাটানো হয়। তিনি কেক কেটে সবার আগে সাঙ্কেতিকের মুখে তুলে দেন। এরপর সব আবাসিককে কেক খাওয়ানো হয়। তারপর শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয় প্রায় ৭০ জন আবাসিককে। চলে নাচ, গান। আবাসিকদের সঙ্গে সাঙ্কেতিক ও মা মুনমুন কোমর দোলান। দুপুরে সবার জন্য ছিল আহারের ব্যবস্থা।

মা মুনমুন দাস বলেন, ‘‌এখানে অসহায় বাবা-‌মারা রয়েছেন। সন্তানরা তাদের আর্থিক সচ্ছ্বলতা থাকার পরও বাবা-‌মাকে তাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা এখানে রয়েছে। অসহায় বাবা-‌মা বাধ্য হয়ে এখানে আশ্রয় নিয়ে রয়েছে। সিংহভাগ আবাসিকদের মধ্যে এরকম ঘটনা। ছেলের জন্মদিন আমরা এখানে পালন করলাম। ছেলেকে শেখাতে চাই, যাঁদের কেউ নেই, ছেলে যেন তাঁদের জন্য ভাবতে পারে।’‌

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর কথা মাথায় রেখে আলাদাভাবে ছেলের জন্মদিন পালন

আপডেট : ৩ ডিসেম্বর ২০২১, শুক্রবার

মালদা: ছেলে যাতে অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের কথা ভাবতে পারে, সেই লক্ষ্যে নিয়ে ছেলের ১৮তম জন্মদিনটি একটু আলাদাভাবে পালন করল পরিবার। গাজোলের সুকান্তপল্লী বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের সঙ্গে পুরোটা দিন কাটালেন পরিবারের সদস্যরা।

কেক কাটা থেকে শুরু করে শীতবস্ত্র বিতরণ, নাচ-‌গানের পাশাপাশি আবাসিকদের দুপুরের আহারের ব্যবস্থাও করেন তাঁরা।

ছেলে সাঙ্কেতিক দাসের জন্মদিন ছিল শুক্রবার। তাই বাবা সন্দীপকুমার দাস এবং মা মুনমুন দাস দিনটি আলাদা করে পালন করার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁদের বাড়ি কালিয়াচক-‌২ ব্লকের মোথাবাড়ি এলাকায়। সেখান থেকে ছুটে যান গাজোলের সুকান্তপল্লীতে। আবাসিকদের মধ্যে প্রবীণ এক প্রৌঢ়াকে দিয়ে কেক কাটানো হয়। তিনি কেক কেটে সবার আগে সাঙ্কেতিকের মুখে তুলে দেন। এরপর সব আবাসিককে কেক খাওয়ানো হয়। তারপর শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয় প্রায় ৭০ জন আবাসিককে। চলে নাচ, গান। আবাসিকদের সঙ্গে সাঙ্কেতিক ও মা মুনমুন কোমর দোলান। দুপুরে সবার জন্য ছিল আহারের ব্যবস্থা।

মা মুনমুন দাস বলেন, ‘‌এখানে অসহায় বাবা-‌মারা রয়েছেন। সন্তানরা তাদের আর্থিক সচ্ছ্বলতা থাকার পরও বাবা-‌মাকে তাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা এখানে রয়েছে। অসহায় বাবা-‌মা বাধ্য হয়ে এখানে আশ্রয় নিয়ে রয়েছে। সিংহভাগ আবাসিকদের মধ্যে এরকম ঘটনা। ছেলের জন্মদিন আমরা এখানে পালন করলাম। ছেলেকে শেখাতে চাই, যাঁদের কেউ নেই, ছেলে যেন তাঁদের জন্য ভাবতে পারে।’‌