১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

পুজোর উদ্বোধন থেকে দূরে শংকর, ‘ক্ষমতা হারিয়ে ডিম ছোড়ার রাজনীতি চাই না’

শিলিগুড়ি: দুর্গাপুজোর আবহ তৈরি হতেই শহরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপের উদ্বোধন ঘিরে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্টজনদের ব্যস্ততা শুরু হয়েছে। তবে এবারের পুজো উদ্বোধন থেকে নিজেকে কিছুটা দূরে রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানালেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষ। তাঁর মতে, ক্ষমতায় থাকাকালীন মঞ্চ আলো করে বসা এবং ক্ষমতা চলে যাওয়ার পর সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়ার রাজনীতি তিনি করতে চান না।
এদিন কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে আন্তঃবিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শংকর ঘোষ বলেন, ক্ষমতায় থাকলেই যদি সব জায়গায় উদ্বোধনে যেতে হয়, আর ক্ষমতা হারানোর পর সেই কারণেই মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়, এমনকি ডিম ছোড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে সেই ধরনের রাজনীতিতে তাঁর আগ্রহ নেই।
পর্যটনমন্ত্রীর বক্তব্য, দুর্গাপুজোর উদ্বোধন মূলত একটি সামাজিক অনুষ্ঠান। সেখানে সাধুসন্ত, সমাজসেবী সংগঠনের সদস্য, প্রবীণ নাগরিক থেকে শুরু করে মহিলাদেরও অংশগ্রহণ থাকে। তাই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতির পরিবর্তে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের অংশগ্রহণকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিতে চান।
পুজোর সময় শহরের পরিস্থিতি নিজে ঘুরে দেখার কথাও জানান শংকর ঘোষ। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই স্কুটিতে চড়ে শিলিগুড়ির একাধিক পুজো মণ্ডপ ঘুরে দেখেছেন এবং কোনও সমস্যার মুখে পড়তে হয়নি।

গোপন সূত্রে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার ৪ রোহিঙ্গা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পুজোর উদ্বোধন থেকে দূরে শংকর, ‘ক্ষমতা হারিয়ে ডিম ছোড়ার রাজনীতি চাই না’

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার
শিলিগুড়ি: দুর্গাপুজোর আবহ তৈরি হতেই শহরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপের উদ্বোধন ঘিরে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্টজনদের ব্যস্ততা শুরু হয়েছে। তবে এবারের পুজো উদ্বোধন থেকে নিজেকে কিছুটা দূরে রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানালেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষ। তাঁর মতে, ক্ষমতায় থাকাকালীন মঞ্চ আলো করে বসা এবং ক্ষমতা চলে যাওয়ার পর সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়ার রাজনীতি তিনি করতে চান না।
এদিন কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে আন্তঃবিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শংকর ঘোষ বলেন, ক্ষমতায় থাকলেই যদি সব জায়গায় উদ্বোধনে যেতে হয়, আর ক্ষমতা হারানোর পর সেই কারণেই মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়, এমনকি ডিম ছোড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে সেই ধরনের রাজনীতিতে তাঁর আগ্রহ নেই।
পর্যটনমন্ত্রীর বক্তব্য, দুর্গাপুজোর উদ্বোধন মূলত একটি সামাজিক অনুষ্ঠান। সেখানে সাধুসন্ত, সমাজসেবী সংগঠনের সদস্য, প্রবীণ নাগরিক থেকে শুরু করে মহিলাদেরও অংশগ্রহণ থাকে। তাই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতির পরিবর্তে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের অংশগ্রহণকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিতে চান।
পুজোর সময় শহরের পরিস্থিতি নিজে ঘুরে দেখার কথাও জানান শংকর ঘোষ। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই স্কুটিতে চড়ে শিলিগুড়ির একাধিক পুজো মণ্ডপ ঘুরে দেখেছেন এবং কোনও সমস্যার মুখে পড়তে হয়নি।