২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

সরকারী আধিকারিককে উলঙ্গ বিডিও বললেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ

আজিজুর রহমান,গলসি : আবাস যোজনায় বাদ পরেছে গোটা ব্লকের সরকারি প্রকল্পে ঘর পাপকদের নাম। যা নিয়ে বেশই বিতর্ক তৈরী হয়েছে এলাকা জুড়ে। ইতিমধ্যেই আবাস যোজনার ঘর না পেয়ে মুখ খুলেছে গলসির সাধারণ মানুষ। তাছাড়াও বিষয়টি নিয়ে তোপ দেগেছে বিজেপি। তবে মঙ্গলবার বিজেপির পক্ষ থেকে গলসি বিডিও অফিসে স্মারক লিপি জমা দিলেন লোকসভা সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। সেখান থেকে গলসি ২ ব্লকের বিডিও বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করে তাকে উলঙ্গ বিডিও বলে আখ্যায়িত করলেন। ডেপুটেশন মঞ্চ থেকে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যেখানে গোটা দেশে কেন্দ্রীয় সরকার আবাস প্লাস যোজনায়  মানুষের বাড়ির ব্যবস্থা করছে। সেখানে গলসি ২ নম্বর  ব্লকে কোন মানুষ কেন বাড়ি পাবে না? এটা বিডিওর ও তার অফিসারদের অপদর্থতা। তিনি উলঙ্গ বিডিও সবাইকে উলঙ্গ করে ছাড়বেন। তাই গলসি ২ নম্বর ব্লকের ৭ টি পঞ্চায়েতের গরিব মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, গোটা রাজ্যে মোট ৩৪৫ টি ব্লক আছে, তার মধ্যে বিডিও ও পঞ্চায়েত সমিতির অপদার্থ ও অযোগ্যতার জন্য এখানে আবাস যোজনার তালিকায় কারো নাম আসে নি। তাছাড়াও তৃণমূলকে চোরেদের সরকার বলে দাবী কারেন। তাছাড়াও তিনি বিডিও ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে বলেন। তার বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শৈলেন হালদার। তিনি বলেছেন, বিডিও একজন সরকারি আধিকারিক তার বিরুদ্ধে এমন মন্তব্য খুবই লজ্জাজনক। কেন্দ্রীয় সরকারের পোটালে আপলোড কথা তথ্য গায়েব হয়েছে। সবাই সর্বত্র ভাবে চেষ্টা করছে। তারা সহযোগিতা না করে নোংরা যে রাজনীতি করছে এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। এদিকে পঞ্চায়েত সমিতির সভায় বাসুদেব চৌধুরী জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে সমীক্ষা করে আপলোড করা গোটা ব্লকের ১৯৬৩৬ জন প্রকল্পের সুবিধা পাপকদের নাম আচমকা কেন্দ্রীয় সরকারের পোটাল থেকে গায়েব হয়ে গেছে। তারা বিষয়টি নিয়ে জেলা শাসক থেকে সরকারী বিভিন্ন দপ্তের জানিয়েছে। তবে সেখান থেকে কোন সুরক্ষা পাননি। তাছাড়াও প্রচেষ্টা করে কোন ভাবেই পোটালে ঢোকানো যাচ্ছে না। এটা নিয়ে বিজেপি এখানে ঘৃণ্য রাজনীতি করছে। তাদের এই জেলাতে দুটো সাংসদ আছে। সদিচ্ছা থাকলে তারাও সহযোগিতা করুক। সারা ভারত কৃষক সভা ব্লক কমিটির সম্পাদক সেখ সাইফুল হক বলেন, তৃণমূল হাত পা গুটিয়ে বসে আছে। কেন্দ্রীয় সরকারের পোটাল থেকে তথ্য গায়েব তার দায় বিজেপি নিচ্ছে না। রাজ্য জুড়ে বিজেপির ভয় দেখিয়ে সংখ্যালঘুদের ভোটে রাজনীতি করছে তৃণমূল। বিজেপি আর তৃণমূলের গটাপ গেম খেলছে। আবাস দুর্নীতি নিয়ে সারা রাজ্যে আমরা আন্দোলন শুরু করেছি। গলসিতে সেই কাজ চলছে। মানুষ বঞ্চিত হলে আমরা ছাড়বো না।

পিতা খুনে আসামি পুত্র কে ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল ডায়মন্ডহারবার আদালত 

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সরকারী আধিকারিককে উলঙ্গ বিডিও বললেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ

আপডেট : ৩ জানুয়ারী ২০২৩, মঙ্গলবার

আজিজুর রহমান,গলসি : আবাস যোজনায় বাদ পরেছে গোটা ব্লকের সরকারি প্রকল্পে ঘর পাপকদের নাম। যা নিয়ে বেশই বিতর্ক তৈরী হয়েছে এলাকা জুড়ে। ইতিমধ্যেই আবাস যোজনার ঘর না পেয়ে মুখ খুলেছে গলসির সাধারণ মানুষ। তাছাড়াও বিষয়টি নিয়ে তোপ দেগেছে বিজেপি। তবে মঙ্গলবার বিজেপির পক্ষ থেকে গলসি বিডিও অফিসে স্মারক লিপি জমা দিলেন লোকসভা সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। সেখান থেকে গলসি ২ ব্লকের বিডিও বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করে তাকে উলঙ্গ বিডিও বলে আখ্যায়িত করলেন। ডেপুটেশন মঞ্চ থেকে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যেখানে গোটা দেশে কেন্দ্রীয় সরকার আবাস প্লাস যোজনায়  মানুষের বাড়ির ব্যবস্থা করছে। সেখানে গলসি ২ নম্বর  ব্লকে কোন মানুষ কেন বাড়ি পাবে না? এটা বিডিওর ও তার অফিসারদের অপদর্থতা। তিনি উলঙ্গ বিডিও সবাইকে উলঙ্গ করে ছাড়বেন। তাই গলসি ২ নম্বর ব্লকের ৭ টি পঞ্চায়েতের গরিব মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, গোটা রাজ্যে মোট ৩৪৫ টি ব্লক আছে, তার মধ্যে বিডিও ও পঞ্চায়েত সমিতির অপদার্থ ও অযোগ্যতার জন্য এখানে আবাস যোজনার তালিকায় কারো নাম আসে নি। তাছাড়াও তৃণমূলকে চোরেদের সরকার বলে দাবী কারেন। তাছাড়াও তিনি বিডিও ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে বলেন। তার বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শৈলেন হালদার। তিনি বলেছেন, বিডিও একজন সরকারি আধিকারিক তার বিরুদ্ধে এমন মন্তব্য খুবই লজ্জাজনক। কেন্দ্রীয় সরকারের পোটালে আপলোড কথা তথ্য গায়েব হয়েছে। সবাই সর্বত্র ভাবে চেষ্টা করছে। তারা সহযোগিতা না করে নোংরা যে রাজনীতি করছে এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। এদিকে পঞ্চায়েত সমিতির সভায় বাসুদেব চৌধুরী জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে সমীক্ষা করে আপলোড করা গোটা ব্লকের ১৯৬৩৬ জন প্রকল্পের সুবিধা পাপকদের নাম আচমকা কেন্দ্রীয় সরকারের পোটাল থেকে গায়েব হয়ে গেছে। তারা বিষয়টি নিয়ে জেলা শাসক থেকে সরকারী বিভিন্ন দপ্তের জানিয়েছে। তবে সেখান থেকে কোন সুরক্ষা পাননি। তাছাড়াও প্রচেষ্টা করে কোন ভাবেই পোটালে ঢোকানো যাচ্ছে না। এটা নিয়ে বিজেপি এখানে ঘৃণ্য রাজনীতি করছে। তাদের এই জেলাতে দুটো সাংসদ আছে। সদিচ্ছা থাকলে তারাও সহযোগিতা করুক। সারা ভারত কৃষক সভা ব্লক কমিটির সম্পাদক সেখ সাইফুল হক বলেন, তৃণমূল হাত পা গুটিয়ে বসে আছে। কেন্দ্রীয় সরকারের পোটাল থেকে তথ্য গায়েব তার দায় বিজেপি নিচ্ছে না। রাজ্য জুড়ে বিজেপির ভয় দেখিয়ে সংখ্যালঘুদের ভোটে রাজনীতি করছে তৃণমূল। বিজেপি আর তৃণমূলের গটাপ গেম খেলছে। আবাস দুর্নীতি নিয়ে সারা রাজ্যে আমরা আন্দোলন শুরু করেছি। গলসিতে সেই কাজ চলছে। মানুষ বঞ্চিত হলে আমরা ছাড়বো না।