২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

সম্প্রীতির অপুর্ব্ব নিদর্শন চাঁচল বলরামপুরের ইসলামিক জলসায়

উজির আলী, নতুন গতি, চাঁচল: মহানন্দা নদীর তীরবর্তী মালদহের চন্দ্রপাড়া জিপির বলরামপুরে শেষ হল ইসলামিক জলসা।

মক্তবের উন্নতিকল্পে শনিবার এক নৈশ জালসা আয়োজন করেন এলাকাবাসী। ইসলামিক অনুষ্ঠান হলেও এক অনন্য নজির বহন করে এলাকা।

চাঁচল থানার বলরামপুর গ্রামে হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের বসবাস। একে অপরের অনুষ্ঠানে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় তারা।
গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের রিপন মন্ডল, রাজকুমার মন্ডল ও অন্যান্যরা এদিনের জালসা মেলায় সদস্য রুপে নিযুক্ত ছিলেন বলে জানান জালসা কমিটি।

উল্লেখ্য, মক্তবের ঢিল ছোঁড়া দুরত্ত্বে রয়েছে মনসা মন্দির। একই সময়ে আজান ও শঙ্খের ধবনিতে সাঁঝ ও সুপ্রভাত ঘটে এলাকায়।
এককথায় মেলার সঙ্গে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কৃষ্টি ও সংস্কৃতির যোগাযোগ নিবিড়।

যথাযথ ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায়ের উর্ধে হয়ে উঠে জালসা মেলা। যা এলাকার মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে দেয়। এদিন জলসা অনুষ্ঠানে ৭০ বছরের ঐতিহ্যের এক মহা সম্মিলন ঘটে।

জালসা কমিটির সম্পাদক কুতুবুদ্দিন মন্ডল জানান, বীরভূম জেলা থেকে আগত প্রধান বক্তা শাহ আলম চিসতি কোরান ও হাদিসের ব্যাখা পেশ করেন উপস্থিত শ্রোতাদের মাঝে।

কমিটি সূত্রের খবর, উঃ দিনাজপুর জেলার বীরনগর, বিষ্টপুর গ্রাম থেকেও মুসলিমরা জালসা শ্রবনে আসে এদিন বলরামপুরে।

একদিনের জালসাকে কেন্দ্র করে উৎসব মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। অনুষ্ঠান উপলক্ষে ভিন্ন ক্ষেত্র থেকে ব্যবসায়ীরা ছুটে এসে এখানে। ফলস্বরূপ মেলায় জন সমাগম ঘটে প্রচুর। তাই নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে কর্তব্যরত ছিলেন উভয় সম্প্রদায়।

 

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সম্প্রীতির অপুর্ব্ব নিদর্শন চাঁচল বলরামপুরের ইসলামিক জলসায়

আপডেট : ৮ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার

উজির আলী, নতুন গতি, চাঁচল: মহানন্দা নদীর তীরবর্তী মালদহের চন্দ্রপাড়া জিপির বলরামপুরে শেষ হল ইসলামিক জলসা।

মক্তবের উন্নতিকল্পে শনিবার এক নৈশ জালসা আয়োজন করেন এলাকাবাসী। ইসলামিক অনুষ্ঠান হলেও এক অনন্য নজির বহন করে এলাকা।

চাঁচল থানার বলরামপুর গ্রামে হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের বসবাস। একে অপরের অনুষ্ঠানে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় তারা।
গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের রিপন মন্ডল, রাজকুমার মন্ডল ও অন্যান্যরা এদিনের জালসা মেলায় সদস্য রুপে নিযুক্ত ছিলেন বলে জানান জালসা কমিটি।

উল্লেখ্য, মক্তবের ঢিল ছোঁড়া দুরত্ত্বে রয়েছে মনসা মন্দির। একই সময়ে আজান ও শঙ্খের ধবনিতে সাঁঝ ও সুপ্রভাত ঘটে এলাকায়।
এককথায় মেলার সঙ্গে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কৃষ্টি ও সংস্কৃতির যোগাযোগ নিবিড়।

যথাযথ ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায়ের উর্ধে হয়ে উঠে জালসা মেলা। যা এলাকার মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে দেয়। এদিন জলসা অনুষ্ঠানে ৭০ বছরের ঐতিহ্যের এক মহা সম্মিলন ঘটে।

জালসা কমিটির সম্পাদক কুতুবুদ্দিন মন্ডল জানান, বীরভূম জেলা থেকে আগত প্রধান বক্তা শাহ আলম চিসতি কোরান ও হাদিসের ব্যাখা পেশ করেন উপস্থিত শ্রোতাদের মাঝে।

কমিটি সূত্রের খবর, উঃ দিনাজপুর জেলার বীরনগর, বিষ্টপুর গ্রাম থেকেও মুসলিমরা জালসা শ্রবনে আসে এদিন বলরামপুরে।

একদিনের জালসাকে কেন্দ্র করে উৎসব মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। অনুষ্ঠান উপলক্ষে ভিন্ন ক্ষেত্র থেকে ব্যবসায়ীরা ছুটে এসে এখানে। ফলস্বরূপ মেলায় জন সমাগম ঘটে প্রচুর। তাই নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে কর্তব্যরত ছিলেন উভয় সম্প্রদায়।