২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩

পুলিশের উপস্থিতে বিসর্জন যাত্রাতে মসজিদের সামনে ডিজে বাজিয়ে নিত্য সংঘর্ষ সালারে

সাইফুদ্দিন মল্লিক : মুর্শিদাবাদ জেলার সালার থানার তালিবপুর গ্রামে ঠাকুর বিসর্জনকে কেন্দ্র করে হিন্দু মুসলিম দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ঘটে। আজ বুধবার বিকালে “তালিবপুর বাড়বাড়ি সংঘ” ঠাকুর বিসর্জন দিয়ার উদ্দেশ্যে বিসর্জন যাত্রা মুসলিম মহল্লার উপর দিয়ে নিয়ে যায়। বক্স ডিজে বাজিয়ে মসজিদ – মাদ্রাসা(দেড়শো বছরের অধিক পুরানো মসজিদ) প্রাঙ্গণে উদ্যাম নিত্য করতে থাকে বিসর্জনে অংশগ্রহণ কারী যুবকরা। মসজিদ প্রাঙ্গণে উপস্থিত কয়েকজন যুবক বলে নামাজের সময় ডিজে বন্ধ করেন এবং মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে নাচানাচি উল্লাস করা যাবে না। মুসলিম যুবকদের উক্ত কথার পরিপেক্ষিতে বিসর্জন যাত্রাতে অংশগ্রহণ কারী মদ্যপ যুবকরা মুসলিম ছেলেদের সাথে হাতাহাতিতে শুরু করে দেয় এবং হাতে থাকা বস্তু মসজিদে নিক্ষেপ করতে থাকে। ঘটনার পরবর্তীতে দুইপক্ষই সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে পড়ে, সংঘর্ষের মধ্যে ঠাকুরের উপর আঘাত হয় এবং ঠাকুর ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
এলাকাতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং RAF টহল দিচ্ছে।

বছর সত্তরের মুসলিম বৃদ্ধ বলেন এর আগে কোন বছর হিন্দুরা আমাদের মহল্লার উপর দিয়ে বিসর্জন যাত্রা নিয়ে যায়নি, হটাৎ কেনো এই ভাবে ঠাকুর নিয়ে আসলো বুঝতে পারছিনা! এক গ্রামবাসী বলেন হিন্দু মুসলিমদের মধ্যে কোন ভেদাভেদ ঝামেলা ছিলনা কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক পেক্ষাপটে হিন্দু মুসলিম বিভেদ শুরু হয়েছে।

প্রশাসনে বিরুদ্ধে অভিযোগ শান্তি শৃঙ্খলার নামে মুসলিম মহল্লার অত্যাচার চালাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন RAF এর অত্যাচারে অধিকাংশ পুরুষ বাড়িছেড়ে পালিয়েছে এবং বাড়িবাড়ি গিয়ে মুসলিম মহিলাদের উপর অত্যাচার করছে।

রেললাইনের পাশে পড়ে যুবক, আত্মহত্যার চেষ্টা নাকি দুর্ঘটনা? ধোঁয়াশায় বামনহাট

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পুলিশের উপস্থিতে বিসর্জন যাত্রাতে মসজিদের সামনে ডিজে বাজিয়ে নিত্য সংঘর্ষ সালারে

আপডেট : ৯ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার

সাইফুদ্দিন মল্লিক : মুর্শিদাবাদ জেলার সালার থানার তালিবপুর গ্রামে ঠাকুর বিসর্জনকে কেন্দ্র করে হিন্দু মুসলিম দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ঘটে। আজ বুধবার বিকালে “তালিবপুর বাড়বাড়ি সংঘ” ঠাকুর বিসর্জন দিয়ার উদ্দেশ্যে বিসর্জন যাত্রা মুসলিম মহল্লার উপর দিয়ে নিয়ে যায়। বক্স ডিজে বাজিয়ে মসজিদ – মাদ্রাসা(দেড়শো বছরের অধিক পুরানো মসজিদ) প্রাঙ্গণে উদ্যাম নিত্য করতে থাকে বিসর্জনে অংশগ্রহণ কারী যুবকরা। মসজিদ প্রাঙ্গণে উপস্থিত কয়েকজন যুবক বলে নামাজের সময় ডিজে বন্ধ করেন এবং মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে নাচানাচি উল্লাস করা যাবে না। মুসলিম যুবকদের উক্ত কথার পরিপেক্ষিতে বিসর্জন যাত্রাতে অংশগ্রহণ কারী মদ্যপ যুবকরা মুসলিম ছেলেদের সাথে হাতাহাতিতে শুরু করে দেয় এবং হাতে থাকা বস্তু মসজিদে নিক্ষেপ করতে থাকে। ঘটনার পরবর্তীতে দুইপক্ষই সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে পড়ে, সংঘর্ষের মধ্যে ঠাকুরের উপর আঘাত হয় এবং ঠাকুর ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
এলাকাতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং RAF টহল দিচ্ছে।

বছর সত্তরের মুসলিম বৃদ্ধ বলেন এর আগে কোন বছর হিন্দুরা আমাদের মহল্লার উপর দিয়ে বিসর্জন যাত্রা নিয়ে যায়নি, হটাৎ কেনো এই ভাবে ঠাকুর নিয়ে আসলো বুঝতে পারছিনা! এক গ্রামবাসী বলেন হিন্দু মুসলিমদের মধ্যে কোন ভেদাভেদ ঝামেলা ছিলনা কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক পেক্ষাপটে হিন্দু মুসলিম বিভেদ শুরু হয়েছে।

প্রশাসনে বিরুদ্ধে অভিযোগ শান্তি শৃঙ্খলার নামে মুসলিম মহল্লার অত্যাচার চালাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন RAF এর অত্যাচারে অধিকাংশ পুরুষ বাড়িছেড়ে পালিয়েছে এবং বাড়িবাড়ি গিয়ে মুসলিম মহিলাদের উপর অত্যাচার করছে।