১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

নিজের জন্মদিনে অরিজিৎ সিংহকে খুশিতে ভরা বার্তা রূপম ইসলামের

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: “অরিজিৎ (অরিজিৎ সিং) বলে রেখেছিল, জিয়াগঞ্জ এলে, ওর বাড়িতে যেতেই হবে। একটা বিশেষ খোলা বারান্দা আছে, গঙ্গার পাশেই বাড়ি, বারান্দা থেকে দারুণ দ্যাখা যায়। ও বলেছিল, ওখানে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট খেয়ো— স্মোকারস প্যারাডাইজ! আজ কাকীমা (অরিজিতের মা) স্টেজে এলেন, অরিজিৎ বিশেষ ওয়াটসঅ্যাপ বার্তা পাঠালো, কাকীমা স্টেজে আমার কানে কানে বললেন, ‘একবার এসো।’ আমিও কাকীমাকে কানে কানেই বলে দিলাম, ‘শো এর পরই আসছি।’

অরিজিৎ-কে এটুকুই বলব- আমি কিন্তু ঘুরে গেলাম তোমার বাড়ি। কথামত ছাতে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট, কাকীমার নিজের হাতে বানানো চা, সঙ্গে মিষ্টি— সবই হ’ল। আমরা সবাই তোমায় মিস করলাম।

কিন্তু সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছি এই ছবিটা। তোমার বাবা মা-র সঙ্গে আমরা দু’জন। তোমারই ঘরে বসে। —আমার মা বাবা আমার সাফল্য দেখে যাননি। তোমার বাবা মা দেখেছেন/দেখছেন। আজ তাঁদের স্নেহ ভালবাসা আন্তরিকতা পেয়ে মনে হ’ল, আমার বা আমাদের মতো গানবাজনা শিল্পচর্চ্চার পথ ধরে চলে যে সন্তানেরা, ঐ দু’জন যেন সকলেরই বাবা মা।

অথবা এও বলতে পারি, আমাদের সব্বার বাবা মা যেন তোমার বাবা মা-র মতোই হ’তে পারেন, থাকতে পারেন।

ছেলে ‘অরিজিৎ সিং’ তো কী? ওঁরা তো মাটির মানুষ। ছিলেন আছেন থাকবেন।

ওঁদের প্রণাম। তোমায় ভালবাসা। কলকাতায় এলে কিন্তু আমার বাড়ি। মনে রেখো।

আর জিয়াগঞ্জ? জিয়াগঞ্জের মানুষ? বহরমপুরের মানুষ? তোমাদের ভালবাসায় আমরা আপ্লুত। আবার কবে এখানে আসব? ডাক পাব? —এই দ্যাখো, এর মধ্যেই সবাইকে মিস করতে শুরু করে দিয়েছি।

জয় রক!”

হলান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে হারাল ইরাককে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নিজের জন্মদিনে অরিজিৎ সিংহকে খুশিতে ভরা বার্তা রূপম ইসলামের

আপডেট : ২৬ জানুয়ারী ২০২২, বুধবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: “অরিজিৎ (অরিজিৎ সিং) বলে রেখেছিল, জিয়াগঞ্জ এলে, ওর বাড়িতে যেতেই হবে। একটা বিশেষ খোলা বারান্দা আছে, গঙ্গার পাশেই বাড়ি, বারান্দা থেকে দারুণ দ্যাখা যায়। ও বলেছিল, ওখানে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট খেয়ো— স্মোকারস প্যারাডাইজ! আজ কাকীমা (অরিজিতের মা) স্টেজে এলেন, অরিজিৎ বিশেষ ওয়াটসঅ্যাপ বার্তা পাঠালো, কাকীমা স্টেজে আমার কানে কানে বললেন, ‘একবার এসো।’ আমিও কাকীমাকে কানে কানেই বলে দিলাম, ‘শো এর পরই আসছি।’

অরিজিৎ-কে এটুকুই বলব- আমি কিন্তু ঘুরে গেলাম তোমার বাড়ি। কথামত ছাতে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট, কাকীমার নিজের হাতে বানানো চা, সঙ্গে মিষ্টি— সবই হ’ল। আমরা সবাই তোমায় মিস করলাম।

কিন্তু সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছি এই ছবিটা। তোমার বাবা মা-র সঙ্গে আমরা দু’জন। তোমারই ঘরে বসে। —আমার মা বাবা আমার সাফল্য দেখে যাননি। তোমার বাবা মা দেখেছেন/দেখছেন। আজ তাঁদের স্নেহ ভালবাসা আন্তরিকতা পেয়ে মনে হ’ল, আমার বা আমাদের মতো গানবাজনা শিল্পচর্চ্চার পথ ধরে চলে যে সন্তানেরা, ঐ দু’জন যেন সকলেরই বাবা মা।

অথবা এও বলতে পারি, আমাদের সব্বার বাবা মা যেন তোমার বাবা মা-র মতোই হ’তে পারেন, থাকতে পারেন।

ছেলে ‘অরিজিৎ সিং’ তো কী? ওঁরা তো মাটির মানুষ। ছিলেন আছেন থাকবেন।

ওঁদের প্রণাম। তোমায় ভালবাসা। কলকাতায় এলে কিন্তু আমার বাড়ি। মনে রেখো।

আর জিয়াগঞ্জ? জিয়াগঞ্জের মানুষ? বহরমপুরের মানুষ? তোমাদের ভালবাসায় আমরা আপ্লুত। আবার কবে এখানে আসব? ডাক পাব? —এই দ্যাখো, এর মধ্যেই সবাইকে মিস করতে শুরু করে দিয়েছি।

জয় রক!”