২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

সরকারের কাছে ঋষি কাপুরের মদের দোকান খোলা রাখার আরজি

নতুন গতি ডিজিটাল ডেস্ক : করোনা যখন ধীরে ধীরে মহামারীর রূপ নিচ্ছে, মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিমুহূর্তে বেড়েই চলেছে। দেশে লকডাউন। এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে সরকারের কাছে ঋষি কাপুরের মদের দোকান খোলা রাখার আরজি কতটা যুক্তিযুক্ত? উত্তরটা নিজেই দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা।

ঋষির কথায়, লকডাউনের মধ্যে পুলিশ, চিকিৎসক তথা সাধারণ মানুষদের কিছুটা চাপমুক্ত রাখতেই সরকারি ছাড়পত্র পাওয়া মদের দোকান খোলা উচিত। টুইটারে ঋষি লিখেছেন, “আমায় ভুল বুঝবেন না করে! এই ক’দিন গৃহবন্দি হয়ে অনেকেই অবসাদ, অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। পুলিশ, চিকিৎসক, সাধারণ মানুষ, সবারই তো একটু মুক্তির আস্বাদ প্রয়োজন। চোরাভাবে তো মদ বিক্রি চলছেই।”

পাশাপাশি তিনি এও জানান যে, মদ বিক্রির ফলে সরকারের ঘরে যে বাড়তি রাজস্ব ঢুকবে, তা এই পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবিলায় কাজে লাগবে। পরবর্তী টুইটে ঋষি কাপুর লিখেছেন, “হতাশা কখনোই অবসাদের সঙ্গে মিশে যাওয়া কাম্য নয়! তাই আমার মতে, মদ বিক্রির ক্ষেত্রে হিপোক্রিসি না দেখিয়ে সরকারিভাবে তা করাই ভাল।”

করোনা মোকাবিলায় আগামী তিন সপ্তাহের জন্য লকডাউনের জেরে কেরলে মৃত্যু হয়েছে ১ যুবকের। সেই প্রেক্ষিতেই ঋষির এমন মন্তব্য। কেন আত্মঘাতী হলেন ওই যুবক? কারণ খুঁজতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, তিনি মদ্যপানে আসক্ত ছিলেন। রাজ্যজুড়ে সব মদের দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে প্রমাদ গোনেন তিনি। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, একে বাড়িতে বসে থাকা, উপরন্তু মদের দোকান সব বন্ধ। সবমিলিয়ে অবসাদে ছিলেন ওই যুবক। মদ না পেয়ে গত দুদিন তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করে। ফলে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।নেটিজেনদের একাংশ অবশ্য এতমত নন ঋষির সঙ্গে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সরকারের কাছে ঋষি কাপুরের মদের দোকান খোলা রাখার আরজি

আপডেট : ৩০ মার্চ ২০২০, সোমবার

নতুন গতি ডিজিটাল ডেস্ক : করোনা যখন ধীরে ধীরে মহামারীর রূপ নিচ্ছে, মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিমুহূর্তে বেড়েই চলেছে। দেশে লকডাউন। এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে সরকারের কাছে ঋষি কাপুরের মদের দোকান খোলা রাখার আরজি কতটা যুক্তিযুক্ত? উত্তরটা নিজেই দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা।

ঋষির কথায়, লকডাউনের মধ্যে পুলিশ, চিকিৎসক তথা সাধারণ মানুষদের কিছুটা চাপমুক্ত রাখতেই সরকারি ছাড়পত্র পাওয়া মদের দোকান খোলা উচিত। টুইটারে ঋষি লিখেছেন, “আমায় ভুল বুঝবেন না করে! এই ক’দিন গৃহবন্দি হয়ে অনেকেই অবসাদ, অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। পুলিশ, চিকিৎসক, সাধারণ মানুষ, সবারই তো একটু মুক্তির আস্বাদ প্রয়োজন। চোরাভাবে তো মদ বিক্রি চলছেই।”

পাশাপাশি তিনি এও জানান যে, মদ বিক্রির ফলে সরকারের ঘরে যে বাড়তি রাজস্ব ঢুকবে, তা এই পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবিলায় কাজে লাগবে। পরবর্তী টুইটে ঋষি কাপুর লিখেছেন, “হতাশা কখনোই অবসাদের সঙ্গে মিশে যাওয়া কাম্য নয়! তাই আমার মতে, মদ বিক্রির ক্ষেত্রে হিপোক্রিসি না দেখিয়ে সরকারিভাবে তা করাই ভাল।”

করোনা মোকাবিলায় আগামী তিন সপ্তাহের জন্য লকডাউনের জেরে কেরলে মৃত্যু হয়েছে ১ যুবকের। সেই প্রেক্ষিতেই ঋষির এমন মন্তব্য। কেন আত্মঘাতী হলেন ওই যুবক? কারণ খুঁজতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, তিনি মদ্যপানে আসক্ত ছিলেন। রাজ্যজুড়ে সব মদের দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে প্রমাদ গোনেন তিনি। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, একে বাড়িতে বসে থাকা, উপরন্তু মদের দোকান সব বন্ধ। সবমিলিয়ে অবসাদে ছিলেন ওই যুবক। মদ না পেয়ে গত দুদিন তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করে। ফলে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।নেটিজেনদের একাংশ অবশ্য এতমত নন ঋষির সঙ্গে।