২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

কেষ্টর গড়ে চনমনে বামেরা, জেলা জুড়ে পালিত হল বামফ্রন্টের প্রতিষ্ঠা দিবস

 

নিজস্ব সংবাদদাতা- বীরভূম জেলা 22 শে জুন শনিবার পালিত হলো সারা ভারত ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রতিষ্ঠা দিবস। বামেদের পার্টি অফিস গুলিতে ছিল চোখে পড়ার মতো ভীড়। বাংলায় আসন প্রাপ্তি শূন্য হলেও মানুষের ভরসা এখন বামেরাই। শনিবার রামপুরহাটে উড়ল বামেদের পতাকা।উপস্থিত ছিলেন কমরেড কামাল হাসান, সৈয়দ হিমেল ইব্রাহিম, গৌরচন্দ্র লেট, বানু সেখ, কদম রসুল ও অন্যান্য পার্টি কর্মীরা।

 

বীরভূম জেলার বামফ্রন্টের যুব নেতা কমরেড সৈয়দ হিমেল ইব্রাহিম বলেন বামফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা বাংলার জনগণের স্বার্থে এবং সামগ্রিকভাবে উন্নয়নের লক্ষ্যে কোন্‌ কাজ আগে আর কোন্‌ কাজ পরে করতে হবে তা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। শুরু থেকেই বামফ্রন্ট সরকারের পক্ষ থেকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিরোধীদের বিরোধিতাকেও মর্যাদা দেওয়া হয়েছিলো। গণতন্ত্রকে বিকশিত করতে ও ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পথ চলতে চেয়েছিলো বামফ্রন্ট সরকার। তখন সরকারের কর্মসূচীর অগ্রাধিকারের তালিকা নির্দিষ্ট ছিলো। তাই, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশের স্বার্থে প্রথমে কৃষি ও পরে শিল্পায়নের উপর গুরুত্ব আরোপ করে শ্রমিক, কৃষক, কর্মচারী ও সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে এবং রাজ্যের উন্নয়নে কী করা যায় সেই চিন্তাভাবনায় সরকারের কাজ পরিচালিত হতো। আর এখন তৃণমূল-বিজেপি সরকার তাদের অগ্রাধিকারের তালিকা সাজিয়ে তুলেছে, দিনমজুর, কল কারখানার শ্রমিক, বেকার যুবকরা তাদের কাছে গুরুত্বহীন, সরকার কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে তা বিচার করবেন রাজ্যের মানুষ।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কেষ্টর গড়ে চনমনে বামেরা, জেলা জুড়ে পালিত হল বামফ্রন্টের প্রতিষ্ঠা দিবস

আপডেট : ২২ জুন ২০১৯, শনিবার

 

নিজস্ব সংবাদদাতা- বীরভূম জেলা 22 শে জুন শনিবার পালিত হলো সারা ভারত ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রতিষ্ঠা দিবস। বামেদের পার্টি অফিস গুলিতে ছিল চোখে পড়ার মতো ভীড়। বাংলায় আসন প্রাপ্তি শূন্য হলেও মানুষের ভরসা এখন বামেরাই। শনিবার রামপুরহাটে উড়ল বামেদের পতাকা।উপস্থিত ছিলেন কমরেড কামাল হাসান, সৈয়দ হিমেল ইব্রাহিম, গৌরচন্দ্র লেট, বানু সেখ, কদম রসুল ও অন্যান্য পার্টি কর্মীরা।

 

বীরভূম জেলার বামফ্রন্টের যুব নেতা কমরেড সৈয়দ হিমেল ইব্রাহিম বলেন বামফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা বাংলার জনগণের স্বার্থে এবং সামগ্রিকভাবে উন্নয়নের লক্ষ্যে কোন্‌ কাজ আগে আর কোন্‌ কাজ পরে করতে হবে তা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। শুরু থেকেই বামফ্রন্ট সরকারের পক্ষ থেকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিরোধীদের বিরোধিতাকেও মর্যাদা দেওয়া হয়েছিলো। গণতন্ত্রকে বিকশিত করতে ও ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পথ চলতে চেয়েছিলো বামফ্রন্ট সরকার। তখন সরকারের কর্মসূচীর অগ্রাধিকারের তালিকা নির্দিষ্ট ছিলো। তাই, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশের স্বার্থে প্রথমে কৃষি ও পরে শিল্পায়নের উপর গুরুত্ব আরোপ করে শ্রমিক, কৃষক, কর্মচারী ও সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে এবং রাজ্যের উন্নয়নে কী করা যায় সেই চিন্তাভাবনায় সরকারের কাজ পরিচালিত হতো। আর এখন তৃণমূল-বিজেপি সরকার তাদের অগ্রাধিকারের তালিকা সাজিয়ে তুলেছে, দিনমজুর, কল কারখানার শ্রমিক, বেকার যুবকরা তাদের কাছে গুরুত্বহীন, সরকার কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে তা বিচার করবেন রাজ্যের মানুষ।