২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধে থানায় স্মারকলিপি প্রদান

নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব বর্ধমান : শনিবার পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ানদিঘী থানায় স্মারকলিপি জমা দিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বর্ধমান ১ ব্লক কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। রাজ্যে ক্রমবর্ধমান আইনশৃঙ্খলার অবনতি, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ এবং খুনের মতো জঘন্য অপরাধের প্রতিবাদ জানাতেই এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কংগ্রেস নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য রাজ্য সরকারের অবহেলার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে প্রকাশ্যে আনা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতির দাবি তোলা।

বর্ধমান ১ ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি হিলালউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি পালিত হয়। তিনি বলেন, “রাজ্যজুড়ে নারীদের উপর অত্যাচার, ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে, যা প্রমাণ করে যে রাজ্য সরকার জনগণের নিরাপত্তা বিধানে ব্যর্থ হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার এই ভেঙে পড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করছি।”

এদিন সকাল এগারোটা নাগাদ কংগ্রেস কর্মীরা দেওয়ানদিঘী থানার সামনে জমায়েত হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। পরে তারা থানায় প্রবেশ করে স্মারকলিপি জমা দেন। স্মারকলিপিতে রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং অবিলম্বে এই অপরাধমূলক কার্যকলাপ বন্ধ করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান ১ ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি হিলালউদ্দিন আহম্মেদ সহ অন্যান্য কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ। স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পর দেওয়ানদিঘী থানার ওসি কংগ্রেসের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে দেখবেন বলে আশ্বাস দেন।

হিলালউদ্দিন আহম্মেদ আরও বলেন, “কংগ্রেস দল রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় এই ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করে চলেছে। জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার দাবিতে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। রাজ্যের প্রতিটি জেলা ও ব্লক স্তরে আমরা এই কর্মসূচি পালন করব, যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং রাজ্য সরকারের উদাসীনতা ও প্রশাসনিক ব্যর্থতা প্রকাশ পায়।”

কংগ্রেস নেতারা এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্য সরকারের প্রতি জোরালো বার্তা দিতে চেয়েছেন, যাতে অপরাধমূলক কার্যকলাপের দ্রুত অবসান হয় এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধে থানায় স্মারকলিপি প্রদান

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২৪, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব বর্ধমান : শনিবার পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ানদিঘী থানায় স্মারকলিপি জমা দিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বর্ধমান ১ ব্লক কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। রাজ্যে ক্রমবর্ধমান আইনশৃঙ্খলার অবনতি, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ এবং খুনের মতো জঘন্য অপরাধের প্রতিবাদ জানাতেই এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কংগ্রেস নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য রাজ্য সরকারের অবহেলার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে প্রকাশ্যে আনা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতির দাবি তোলা।

বর্ধমান ১ ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি হিলালউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি পালিত হয়। তিনি বলেন, “রাজ্যজুড়ে নারীদের উপর অত্যাচার, ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে, যা প্রমাণ করে যে রাজ্য সরকার জনগণের নিরাপত্তা বিধানে ব্যর্থ হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার এই ভেঙে পড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করছি।”

এদিন সকাল এগারোটা নাগাদ কংগ্রেস কর্মীরা দেওয়ানদিঘী থানার সামনে জমায়েত হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। পরে তারা থানায় প্রবেশ করে স্মারকলিপি জমা দেন। স্মারকলিপিতে রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং অবিলম্বে এই অপরাধমূলক কার্যকলাপ বন্ধ করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান ১ ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি হিলালউদ্দিন আহম্মেদ সহ অন্যান্য কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ। স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পর দেওয়ানদিঘী থানার ওসি কংগ্রেসের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে দেখবেন বলে আশ্বাস দেন।

হিলালউদ্দিন আহম্মেদ আরও বলেন, “কংগ্রেস দল রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় এই ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করে চলেছে। জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার দাবিতে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। রাজ্যের প্রতিটি জেলা ও ব্লক স্তরে আমরা এই কর্মসূচি পালন করব, যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং রাজ্য সরকারের উদাসীনতা ও প্রশাসনিক ব্যর্থতা প্রকাশ পায়।”

কংগ্রেস নেতারা এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্য সরকারের প্রতি জোরালো বার্তা দিতে চেয়েছেন, যাতে অপরাধমূলক কার্যকলাপের দ্রুত অবসান হয় এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।