২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

রবীন্দ্র ভারতী সোসাইটির টানে বৃটিশ লেখক

সম্প্রীতি মোল্লা : গত বুধবার  সন্ধ্যাবেলায় রবীন্দ্রভারতী সোসাইটিতে (জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ী) এসেছিলেন ইংল্যান্ডের সাফোক থেকে শ্রী কিথ হামফ্রে। কিথ হামফ্রে সেই ১৯৭১ থেকেই কলকাতায় আসছেন । কলকাতার প্রাসাদ ছেড়ে তার আকর্ষণ মূলত উত্তর ও মধ্য কলকাতার রাস্তাগুলোর ভূগোল ও ইতিহাস সম্মন্ধে জানা।  এই বিষয়ে তিনি দুটি বই লিখেছেন – Walking Calcutta এবং Calcutta revisited। তাঁকে সোসাইটির সম্পাদক শ্রী সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান ও অন্য সদস্যদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।  সোসাইটির সদস্যদের সঙ্গে তাঁর এই বিষয় বিস্তারিত আলোচনা হয়। অনুষ্ঠান শেষ হয় প্রাশ্চাত্য আঙ্গিকে  ত্রিভাষিক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনের  মাধ্যমে – বাংলা, ইংরিজি ও ফরাসি ভাষায় সংগীত পরিবেশন করেন শ্রীমতি ছন্দা দত্ত ও সোসাইটির সদস্যগন।অনুষ্ঠান শেষে শ্রী কিথ হামফ্রে ও শ্রীমতি প্যাট্রিসিয়া হামফ্রে কে একটি ছোট উপহার দিয়ে সম্মান জানানো হয়। রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি এইভাবে বাংলার সংস্কৃতিকে সারা পৃথিবীর সামনে তুলে ধরছে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রবীন্দ্র ভারতী সোসাইটির টানে বৃটিশ লেখক

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২২, শুক্রবার

সম্প্রীতি মোল্লা : গত বুধবার  সন্ধ্যাবেলায় রবীন্দ্রভারতী সোসাইটিতে (জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ী) এসেছিলেন ইংল্যান্ডের সাফোক থেকে শ্রী কিথ হামফ্রে। কিথ হামফ্রে সেই ১৯৭১ থেকেই কলকাতায় আসছেন । কলকাতার প্রাসাদ ছেড়ে তার আকর্ষণ মূলত উত্তর ও মধ্য কলকাতার রাস্তাগুলোর ভূগোল ও ইতিহাস সম্মন্ধে জানা।  এই বিষয়ে তিনি দুটি বই লিখেছেন – Walking Calcutta এবং Calcutta revisited। তাঁকে সোসাইটির সম্পাদক শ্রী সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান ও অন্য সদস্যদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।  সোসাইটির সদস্যদের সঙ্গে তাঁর এই বিষয় বিস্তারিত আলোচনা হয়। অনুষ্ঠান শেষ হয় প্রাশ্চাত্য আঙ্গিকে  ত্রিভাষিক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনের  মাধ্যমে – বাংলা, ইংরিজি ও ফরাসি ভাষায় সংগীত পরিবেশন করেন শ্রীমতি ছন্দা দত্ত ও সোসাইটির সদস্যগন।অনুষ্ঠান শেষে শ্রী কিথ হামফ্রে ও শ্রীমতি প্যাট্রিসিয়া হামফ্রে কে একটি ছোট উপহার দিয়ে সম্মান জানানো হয়। রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি এইভাবে বাংলার সংস্কৃতিকে সারা পৃথিবীর সামনে তুলে ধরছে।