২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

পশ্চিমবঙ্গের রেলপথ গুদামের শ্রমিকদের সরকারি নথিভুক্তকরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিনিধি: বারাসাতের রবীন্দ্র ভবনে, পূর্ব রেলওয়ে জোনের পার্শ্ববর্তী রেল ওয়ে গুদামে কর্মরত শ্রমিকদের আনুষ্ঠানিক নিবন্ধনের জন্য সংগঠনের সর্ব ভারতীয় সম্পাদক শ্রী অরুণ কুমার পাসওয়ানের সভাপতিত্বে নাম নথিভুক্ত করনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়ে গেল। লোকসভা সাংসদ – শ্রী জগদম্বিকা পাল এবং সংঘের জাতীয় ইনচার্জ শ্রী মনোরঞ্জন কুমারএই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। জনসভায় ভাষনে জাতীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী অরুণ কুমার পাসওয়ান বলেন,”রেলওয়ের আয়ের ৬৭% মূল উৎস, যাকে ভারতের লাইফলাইন বলা হয়, রেলওয়ের মালামাল গুদাম, যেখানে লক্ষ লক্ষ টন পণ্য শ্রমিকদের দ্বারা প্রতিদিন লোডিং ও আনলোডিং করা হয়। রেলওয়ে গুদামের শ্রমিকদের দেশ ও রেলওয়ের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তা সত্ত্বেও শ্রমিকদের অবস্থা করুণ।১৯৯৮ সাল থেকে সংঘ শ্রমিকদের অধিকার ও প্রাপ্য সুবিধার জন্য নিরন্তর লড়াই করে আসছে। এ ব্যাপারে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দুবার ইউনিয়নের ত্রিপক্ষীয় বৈঠক সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। যেখানে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি উপস্থাপন করা হয়েছিল। ফলস্বরূপ, শ্রমিকদের সুবিধার জন্য সরকার কর্তৃক ৪৪ টি শ্রম আইনের জটিলতা দূর করে ৪-কোড শ্রম আইন আকারে আনা হয়েছিল। এটি শ্রমিকদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথ সুগম করেছে। শুধু তাই নয়, তৎকালীন শ্রমমন্ত্রী শ্রী সন্তোষ কুমার গঙ্গোয়ারের সভাপতিত্বে এবছর ২১মার্চ ডাকা একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে ইউনিয়ন শ্রমিকদের ভারতীয় খাদ্য নিগম, কয়লা খনি, রেলওয়ে পার্সেল-পোর্টাল ইত্যাদি সংস্থা সরকার কর্তৃক যে সব সুবিধা পেয়ে থাকে সেইরকম সমস্ত সুবিধা প্রদান করার আশ্বাস দিয়েছেন। ভারত সরকার দ্বারা শ্রম মন্ত্রণালয় কর্তৃক নতুন শ্রম আইনের অধীনে এবং ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুসারে, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে সরকারী নিবন্ধনের মাধ্যমে সকল সুযোগ -সুবিধা প্রদান করে রেলওয়ে পণ্য গুদামে কর্মরত শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে হবে।

জানা গেল যে এবছরের ২৩ জুলাই থেকে দিল্লি রাজ্য থেকে রেলওয়ে পণ্য গুদাম শ্রমিকদের সরকারী নিবন্ধনের কাজ, বিচার ও আইন প্রতিমন্ত্রী শ্রী এস পি সিং বাঘেল , লোকসভা সাংসদ শ্রী জগদম্বিকা পাল , লোকসভা সাংসদ শ্রীমতী অপরাজিতা সারঙ্গী এর উপস্থিতিতে এটির শুভ সূচনা হয়েছিল । এরই ধারাবাহিকতায় আজ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রেলপথ গুদামের শ্রমিকদের সরকারি নিবন্ধনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলা রাজ্যের এই ঐতিহাসিক উদ্বোধনী কর্মসূচির মাধ্যমে এই অঞ্চলের রেলপথের গুদামের শ্রমিকদের ভাগ্য উপস্থাপন করা হবে। এই কর্মসূচির প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন শ্রী কাশীনাথ গায়েন,শানু কর্মকার ও অন্যান্য কার্যকর্তা গণ।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পশ্চিমবঙ্গের রেলপথ গুদামের শ্রমিকদের সরকারি নথিভুক্তকরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

আপডেট : ৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, রবিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি: বারাসাতের রবীন্দ্র ভবনে, পূর্ব রেলওয়ে জোনের পার্শ্ববর্তী রেল ওয়ে গুদামে কর্মরত শ্রমিকদের আনুষ্ঠানিক নিবন্ধনের জন্য সংগঠনের সর্ব ভারতীয় সম্পাদক শ্রী অরুণ কুমার পাসওয়ানের সভাপতিত্বে নাম নথিভুক্ত করনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়ে গেল। লোকসভা সাংসদ – শ্রী জগদম্বিকা পাল এবং সংঘের জাতীয় ইনচার্জ শ্রী মনোরঞ্জন কুমারএই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। জনসভায় ভাষনে জাতীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী অরুণ কুমার পাসওয়ান বলেন,”রেলওয়ের আয়ের ৬৭% মূল উৎস, যাকে ভারতের লাইফলাইন বলা হয়, রেলওয়ের মালামাল গুদাম, যেখানে লক্ষ লক্ষ টন পণ্য শ্রমিকদের দ্বারা প্রতিদিন লোডিং ও আনলোডিং করা হয়। রেলওয়ে গুদামের শ্রমিকদের দেশ ও রেলওয়ের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তা সত্ত্বেও শ্রমিকদের অবস্থা করুণ।১৯৯৮ সাল থেকে সংঘ শ্রমিকদের অধিকার ও প্রাপ্য সুবিধার জন্য নিরন্তর লড়াই করে আসছে। এ ব্যাপারে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দুবার ইউনিয়নের ত্রিপক্ষীয় বৈঠক সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। যেখানে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি উপস্থাপন করা হয়েছিল। ফলস্বরূপ, শ্রমিকদের সুবিধার জন্য সরকার কর্তৃক ৪৪ টি শ্রম আইনের জটিলতা দূর করে ৪-কোড শ্রম আইন আকারে আনা হয়েছিল। এটি শ্রমিকদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথ সুগম করেছে। শুধু তাই নয়, তৎকালীন শ্রমমন্ত্রী শ্রী সন্তোষ কুমার গঙ্গোয়ারের সভাপতিত্বে এবছর ২১মার্চ ডাকা একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে ইউনিয়ন শ্রমিকদের ভারতীয় খাদ্য নিগম, কয়লা খনি, রেলওয়ে পার্সেল-পোর্টাল ইত্যাদি সংস্থা সরকার কর্তৃক যে সব সুবিধা পেয়ে থাকে সেইরকম সমস্ত সুবিধা প্রদান করার আশ্বাস দিয়েছেন। ভারত সরকার দ্বারা শ্রম মন্ত্রণালয় কর্তৃক নতুন শ্রম আইনের অধীনে এবং ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুসারে, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে সরকারী নিবন্ধনের মাধ্যমে সকল সুযোগ -সুবিধা প্রদান করে রেলওয়ে পণ্য গুদামে কর্মরত শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে হবে।

জানা গেল যে এবছরের ২৩ জুলাই থেকে দিল্লি রাজ্য থেকে রেলওয়ে পণ্য গুদাম শ্রমিকদের সরকারী নিবন্ধনের কাজ, বিচার ও আইন প্রতিমন্ত্রী শ্রী এস পি সিং বাঘেল , লোকসভা সাংসদ শ্রী জগদম্বিকা পাল , লোকসভা সাংসদ শ্রীমতী অপরাজিতা সারঙ্গী এর উপস্থিতিতে এটির শুভ সূচনা হয়েছিল । এরই ধারাবাহিকতায় আজ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রেলপথ গুদামের শ্রমিকদের সরকারি নিবন্ধনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলা রাজ্যের এই ঐতিহাসিক উদ্বোধনী কর্মসূচির মাধ্যমে এই অঞ্চলের রেলপথের গুদামের শ্রমিকদের ভাগ্য উপস্থাপন করা হবে। এই কর্মসূচির প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন শ্রী কাশীনাথ গায়েন,শানু কর্মকার ও অন্যান্য কার্যকর্তা গণ।