২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

সিএএ আইন রাওলাট আইনের সঙ্গে তুলনা করলেন পিওয়াইএফ নেতা জাকির হোসেন

নুরুল্লাহ হালদার, নতুন গতি: দক্ষিণ ২৪ পরগনা কুলপি ব্লকের নাগননে অসাংবিধানিক সিএএর বিরুদ্ধে এক প্রকাশ্য জনসমাবেশের আয়োজন করেনশান্তি সেবা ফাউন্ডেশন।উপস্থিত ছিলেন প্রগ্রেসিভ ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের রাজ্য সভাপতি জনাব সিয়ামত আলী। তিনি সিএএ আইন কে সাম্প্রদায়িক কালাকানুনের সঙ্গে তুলনা করে বলেন সিএএ সংশোধনী আইন পাস হওয়ার পর থেকে গোটা দেশ উত্তাল। পথে নেমেছে রাজ্যবাসী থেকে শুরু করে লক্ষ্য লক্ষ্য ভারতের মানুষ। মিছিল বিক্ষোভ থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকম ভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। এই সমাবেশ থেকে সংবিধান বিরোধী সাম্প্রদায়িক বিল প্রত্যাহারের দাবি জানান। পাশাপাশি তিনি কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করে বলেন আজ স্বাধীনতার ৭২ বছর পর আমাদের প্রমাণ করতে হবে আমরা ভারতবাসী এর থেকে বড় লজ্জা অপমান আর কিছু নেই। এই কালাকানুন শুধু রাজ্য নয় গোটা দেশজুড়ে অস্থির পরিবেশ তৈরি করেছে। বিজেপি এই পরিস্থিতির জন্য নরেন্দ্র মোদী অমিত শাহ কে দায়ী করেন। বাংলার মানুষ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। ভারতের সর্ব ধর্মের মানুষের কথা মাথায় রেখে যে সংবিধান রচনা করা হয়েছিল ,আজ বিজেপি অপমান করছে। বাংলার মানুষ এটাকে কখনো মেনে নেবে না। তাই অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। আর যতদিন প্রত্যাহার না হবে আমাদের এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রগ্রেসিভ ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের জেলা সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষক জাকির হোসেন,তিনি ক্যাপ কে রাওলাট আইনের সঙ্গে তুলনা করে বলেন আজকে ভাবতে অবাক লাগে যারা প্রতিবেশী দেশ থেকে এ দেশে আশ্রয় নিয়েছেন তারা ভোটার কার্ড রেশন কার্ড আধার কার্ড প্যান কার্ড পাসপোর্ট নিয়ে কয়েক পুরুষ ধরে বসবাস করছেন তারা কি করে এতদিন দেশের নাগরিক ছিল না। এই সি এর মাধ্যমে তারা নাগরিত্ব পেলে কোন অসুবিধা নেই। কিন্তু সে নাগরিকদের যদি মুসলিম নাগরিকের বুকের উপর পা রেখে দেওয়া হয় তাহলে তারা তা মানবে কেন? রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস যদি একটি সম্প্রদায়ের উপর নেমে আসে তবে অত্যাচারিত নিপীড়িত বঞ্চিত মানুষগুলো এবং শুভবুদ্ধি সম্পন্ন অমুসলিম মানুষজন যদি পথে নেমে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানায় তাতে কিসের আপত্তি?

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি পূর্ণিমা হাজারী কুল্পি ব্লক সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সমাজসেবী সুপ্রিয়া হালদার শান্তি সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ওবায়দুল্লাহ সরদার ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ সরদার।
অনুষ্ঠান ছিল ভিড়ে জাঁকজমকপূর্ণ।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সিএএ আইন রাওলাট আইনের সঙ্গে তুলনা করলেন পিওয়াইএফ নেতা জাকির হোসেন

আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার

নুরুল্লাহ হালদার, নতুন গতি: দক্ষিণ ২৪ পরগনা কুলপি ব্লকের নাগননে অসাংবিধানিক সিএএর বিরুদ্ধে এক প্রকাশ্য জনসমাবেশের আয়োজন করেনশান্তি সেবা ফাউন্ডেশন।উপস্থিত ছিলেন প্রগ্রেসিভ ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের রাজ্য সভাপতি জনাব সিয়ামত আলী। তিনি সিএএ আইন কে সাম্প্রদায়িক কালাকানুনের সঙ্গে তুলনা করে বলেন সিএএ সংশোধনী আইন পাস হওয়ার পর থেকে গোটা দেশ উত্তাল। পথে নেমেছে রাজ্যবাসী থেকে শুরু করে লক্ষ্য লক্ষ্য ভারতের মানুষ। মিছিল বিক্ষোভ থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকম ভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। এই সমাবেশ থেকে সংবিধান বিরোধী সাম্প্রদায়িক বিল প্রত্যাহারের দাবি জানান। পাশাপাশি তিনি কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করে বলেন আজ স্বাধীনতার ৭২ বছর পর আমাদের প্রমাণ করতে হবে আমরা ভারতবাসী এর থেকে বড় লজ্জা অপমান আর কিছু নেই। এই কালাকানুন শুধু রাজ্য নয় গোটা দেশজুড়ে অস্থির পরিবেশ তৈরি করেছে। বিজেপি এই পরিস্থিতির জন্য নরেন্দ্র মোদী অমিত শাহ কে দায়ী করেন। বাংলার মানুষ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। ভারতের সর্ব ধর্মের মানুষের কথা মাথায় রেখে যে সংবিধান রচনা করা হয়েছিল ,আজ বিজেপি অপমান করছে। বাংলার মানুষ এটাকে কখনো মেনে নেবে না। তাই অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। আর যতদিন প্রত্যাহার না হবে আমাদের এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রগ্রেসিভ ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের জেলা সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষক জাকির হোসেন,তিনি ক্যাপ কে রাওলাট আইনের সঙ্গে তুলনা করে বলেন আজকে ভাবতে অবাক লাগে যারা প্রতিবেশী দেশ থেকে এ দেশে আশ্রয় নিয়েছেন তারা ভোটার কার্ড রেশন কার্ড আধার কার্ড প্যান কার্ড পাসপোর্ট নিয়ে কয়েক পুরুষ ধরে বসবাস করছেন তারা কি করে এতদিন দেশের নাগরিক ছিল না। এই সি এর মাধ্যমে তারা নাগরিত্ব পেলে কোন অসুবিধা নেই। কিন্তু সে নাগরিকদের যদি মুসলিম নাগরিকের বুকের উপর পা রেখে দেওয়া হয় তাহলে তারা তা মানবে কেন? রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস যদি একটি সম্প্রদায়ের উপর নেমে আসে তবে অত্যাচারিত নিপীড়িত বঞ্চিত মানুষগুলো এবং শুভবুদ্ধি সম্পন্ন অমুসলিম মানুষজন যদি পথে নেমে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানায় তাতে কিসের আপত্তি?

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি পূর্ণিমা হাজারী কুল্পি ব্লক সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সমাজসেবী সুপ্রিয়া হালদার শান্তি সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ওবায়দুল্লাহ সরদার ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ সরদার।
অনুষ্ঠান ছিল ভিড়ে জাঁকজমকপূর্ণ।