১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

আর একদিন পর সরস্বতী পূজা

আর একদিন পর সরস্বতী পূজা

 

 

 

বাবলু হাসান লস্কর, কুলতলি : আর একদিন পর সরস্বতী পূজা, দীর্ঘ সময় ধরে লকডাউন থাকার পর, পূজা উদ্যোক্তারা তথা ক্লাব সংগঠন গুলি ছোট্ট করে এনেছে পূজার বহর। আর এই মুহূর্তের প্রতিমা শিল্পীরা চরম ব্যস্ততায় শেষ মুর্তুহুতের তুলির টানে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পূজা মণ্ডপ গুলি তেমন চোখে পড়ছেনা। বাগদেবীর আরাধনায় প্রতিটি এলাকার স্কুল-কলেজ তথা গৃহেস্থের উঠানে । এক প্রতিমা শিল্পীর আলাপ চারিতায় ,প্রতি বছর যেখানে এক একটি প্রতিমা বিক্রি হতো দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকায়, আর এ বছর সেই প্রতিমা বিক্রি হচ্ছে পনেরো শ থেকে সতেরো শ টাকায়। জোগানের দাম বাড়লেও মিলছে না সঠিক পারিশ্রমিক । গত বছর প্রায় দুই শত প্রতিমা বিক্রি করলেও এ বছর এক শ তেই থামতে হলো । এক চা চক্রে ডেকরেশনের মালিকের গলায় বিষাদের সৃর । দীর্ঘ দিন ধরে মাল পত্র গুলি পড়ে ছিল ঠিক মতো রক্ষনা বেক্ষন না করতে পারায় আজ সে গুলি কাজের অযোগ্য । কারণ প্রায় দশ মাসের অধিক সময় কালে তেমন কিছু মেলেনি বরাত ,যে টুকু বরাত মিলেছে ,শ্রমিক দের দিতে সব শেষ । ফল ব্যবসায়ি কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাদের কে জানালেন, বিগত বছর গুলিতে যে ভাবে ব্যবসা করেছি ,বিশেষ করে গ্রামীন এলাকায় প্রতিনিয়ত পূজা অর্চনা লেগেই থাকে । করোনা প্রকোপে মানুষের মধ্যে অনুষ্ঠান করার প্রবণতা দেখা মিলছে না । তাদের প্রার্থনা বাগদেবীর কৃপায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরুক ।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আর একদিন পর সরস্বতী পূজা

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১, রবিবার

আর একদিন পর সরস্বতী পূজা

 

 

 

বাবলু হাসান লস্কর, কুলতলি : আর একদিন পর সরস্বতী পূজা, দীর্ঘ সময় ধরে লকডাউন থাকার পর, পূজা উদ্যোক্তারা তথা ক্লাব সংগঠন গুলি ছোট্ট করে এনেছে পূজার বহর। আর এই মুহূর্তের প্রতিমা শিল্পীরা চরম ব্যস্ততায় শেষ মুর্তুহুতের তুলির টানে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পূজা মণ্ডপ গুলি তেমন চোখে পড়ছেনা। বাগদেবীর আরাধনায় প্রতিটি এলাকার স্কুল-কলেজ তথা গৃহেস্থের উঠানে । এক প্রতিমা শিল্পীর আলাপ চারিতায় ,প্রতি বছর যেখানে এক একটি প্রতিমা বিক্রি হতো দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকায়, আর এ বছর সেই প্রতিমা বিক্রি হচ্ছে পনেরো শ থেকে সতেরো শ টাকায়। জোগানের দাম বাড়লেও মিলছে না সঠিক পারিশ্রমিক । গত বছর প্রায় দুই শত প্রতিমা বিক্রি করলেও এ বছর এক শ তেই থামতে হলো । এক চা চক্রে ডেকরেশনের মালিকের গলায় বিষাদের সৃর । দীর্ঘ দিন ধরে মাল পত্র গুলি পড়ে ছিল ঠিক মতো রক্ষনা বেক্ষন না করতে পারায় আজ সে গুলি কাজের অযোগ্য । কারণ প্রায় দশ মাসের অধিক সময় কালে তেমন কিছু মেলেনি বরাত ,যে টুকু বরাত মিলেছে ,শ্রমিক দের দিতে সব শেষ । ফল ব্যবসায়ি কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাদের কে জানালেন, বিগত বছর গুলিতে যে ভাবে ব্যবসা করেছি ,বিশেষ করে গ্রামীন এলাকায় প্রতিনিয়ত পূজা অর্চনা লেগেই থাকে । করোনা প্রকোপে মানুষের মধ্যে অনুষ্ঠান করার প্রবণতা দেখা মিলছে না । তাদের প্রার্থনা বাগদেবীর কৃপায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরুক ।