২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

মুসলিম নাম নেই বলেই কি প্রচারের আলো পেল না?

১৭ নভেম্বরের, গুয়াহাটি, অসম: আসল সেনাবাহিনীর পোশাকে ১১ জন নকল সেনা ধরা পড়েলো। এটা অবশ্যই একটা চাঞ্চল্যকর কাণ্ড। কিন্তু এই চাঞ্চল্যকর কাণ্ডটা সম্পর্কে দেশের কাকপক্ষীও জানতে পারলো না। না জানারই কথা। কারণ মিডিয়া এই ঘটনা নিয়ে কোনো হইচই করল না। কেন? নকল সেনার মধ্যে একজনও মুসলমান নেই। তাই মিডিয়ার খোরাক ছিলনা । দেশের দেহজীবী চরিত্রের মিডিয়া একদম চুপ। তাই এই নকল সেনার পোশাকের পিছনে কি অজানা রহস্য বা ষড়যন্ত্র লুকিয়ে রয়েছে, তা সকল দেশবাসীর অজানাই থেকে গেল। অথচ এই মিডিয়ায় চর্চার বদৌলতে যেখানে মুর্শিদাবাদের এক মুসলমানের বাড়িতে পায়খানার চেম্বার যে গোপন সুড়ঙ্গ হতেপারে তা কিন্তু ভারতীয়রা জেনে গেছে। আরো জেনেগেছে মুসলমানরা ভারত বিরোধী ষড়যন্ত্রে কতটা সক্রিয়। অথচ এই মিডিয়া সেনাবাহিনীর পোশাক পরা ১১ জন সদস্য কি ষড়যন্ত্র করছিল তা মিডিয়া উদঘাটনের চেষ্টা করল না। করবেনা এটা স্বাভাবিক। ধৃতদের নামগুলোর মধ্যে একটাও আরবি কিম্বা উর্দু নেই। দেখাযাক নামগুলো কোন ভাষার- গনেশ দাস, সৌরভ শর্মা, ধীমান কৃষ্ণ, জয়মনি শর্মা, নয়নজ্যোতি গৌতম, বিজয় মনি শর্মা, দ্বিজেন শর্মা, প্রমুখ।

মিডিয়া এই নামগুলোথেকে কোন আরবি শব্দের যোগসূত্র আবিষ্কার করতে পারেনি। যখন আবিস্কার করতে পারবে অথবা কোনও অন্ততঃ একজনের নাম ভাঁড়ানোর ক্লু খুঁজে পাওয়া না পর্যন্ত মিডিয়া লোমের ছাল ছড়াতে নামবে না। আমরা সবাই অপেক্ষা করতে থাকলাম।

পিতা খুনে আসামি পুত্র কে ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল ডায়মন্ডহারবার আদালত 

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মুসলিম নাম নেই বলেই কি প্রচারের আলো পেল না?

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, বুধবার

১৭ নভেম্বরের, গুয়াহাটি, অসম: আসল সেনাবাহিনীর পোশাকে ১১ জন নকল সেনা ধরা পড়েলো। এটা অবশ্যই একটা চাঞ্চল্যকর কাণ্ড। কিন্তু এই চাঞ্চল্যকর কাণ্ডটা সম্পর্কে দেশের কাকপক্ষীও জানতে পারলো না। না জানারই কথা। কারণ মিডিয়া এই ঘটনা নিয়ে কোনো হইচই করল না। কেন? নকল সেনার মধ্যে একজনও মুসলমান নেই। তাই মিডিয়ার খোরাক ছিলনা । দেশের দেহজীবী চরিত্রের মিডিয়া একদম চুপ। তাই এই নকল সেনার পোশাকের পিছনে কি অজানা রহস্য বা ষড়যন্ত্র লুকিয়ে রয়েছে, তা সকল দেশবাসীর অজানাই থেকে গেল। অথচ এই মিডিয়ায় চর্চার বদৌলতে যেখানে মুর্শিদাবাদের এক মুসলমানের বাড়িতে পায়খানার চেম্বার যে গোপন সুড়ঙ্গ হতেপারে তা কিন্তু ভারতীয়রা জেনে গেছে। আরো জেনেগেছে মুসলমানরা ভারত বিরোধী ষড়যন্ত্রে কতটা সক্রিয়। অথচ এই মিডিয়া সেনাবাহিনীর পোশাক পরা ১১ জন সদস্য কি ষড়যন্ত্র করছিল তা মিডিয়া উদঘাটনের চেষ্টা করল না। করবেনা এটা স্বাভাবিক। ধৃতদের নামগুলোর মধ্যে একটাও আরবি কিম্বা উর্দু নেই। দেখাযাক নামগুলো কোন ভাষার- গনেশ দাস, সৌরভ শর্মা, ধীমান কৃষ্ণ, জয়মনি শর্মা, নয়নজ্যোতি গৌতম, বিজয় মনি শর্মা, দ্বিজেন শর্মা, প্রমুখ।

মিডিয়া এই নামগুলোথেকে কোন আরবি শব্দের যোগসূত্র আবিষ্কার করতে পারেনি। যখন আবিস্কার করতে পারবে অথবা কোনও অন্ততঃ একজনের নাম ভাঁড়ানোর ক্লু খুঁজে পাওয়া না পর্যন্ত মিডিয়া লোমের ছাল ছড়াতে নামবে না। আমরা সবাই অপেক্ষা করতে থাকলাম।