২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

নীরব মোদিকে গ্রেপ্তারের জন্য নথি চেয়েছিল যুক্তরাজ্য, উত্তর দেয়নি ভারত

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক:

পলাতক ভারতীয় হীরা ব্যবসায়ী নীরব মোদিকে লন্ডনের রাস্তায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছিল গত সপ্তাহে। মুখে দাড়ি থাকলেও তার ঔজ্জ্বল্য কোনোভাবেই কমেনি। পরেছিলেন উটপাখির চামড়া দিয়ে তৈরি দামি একটি জ্যাকেট।
ক্ষমতাসীন বিজেপি জানিয়েছিল, ভারতের পক্ষ থেকে নীরব মোদিকে ফেরানোর এবং তারপর তার শাস্তির ব্যবস্থা করার সবরকম প্রচেষ্টাই চালানো হচ্ছে। তবে, এই দাবির একেবারে বিপরীত একটি দাবির কথা জানতে পেরেছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।
নীরব মোদে সংক্রান্ত বহু তথ্য চাওয়ার পরেও তা ব্রিটিশ প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। জানা গেছে, যুক্তরাজ্যের একটি আইনি দলও নীরব মোদির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতকে সাহায্য করতে চেয়েছিল। কিন্তু, তার কোনো জবাবই দেয়নি ভারত। লন্ডনের সিরিয়াস ফ্রড অফিসের পক্ষ থেকে এনডিটিভি জানতে পেরেছে, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্যকে প্রথমবার মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিসট্যান্স ট্রিটি (এমএলএটি) পাঠানো হয়।
পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকে ১৩ হাজার কোটি টাকার জালিয়াতির পর সিবিআই নীরব মোদির বিরুদ্ধে মামলা করার ঠিক পরপরই এটি পাঠানো হয়েছিল।
সিরিয়াস ফ্রড অফিস ভারতকে মার্চ মাসের মধ্যে জানিয়ে দিয়েছিল, নীরব মোদি ব্রিটেনে রয়েছেন। ওই সময় ভারতীয় কর্মকর্তারা তাকে ইউরোপের অন্যান্য দেশ ও হংকং-এ খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন। ভারতকে নীরব মোদির অবস্থান সম্পর্কে জানানোই শুধু নয়, সিরিয়াস ফ্রড অফিসের পক্ষ থেকে এই মামলায় ভারতকে সাহায্য করার জন্য অর্থ জালিয়াতি মামলার বিখ্যাত আইনজীবী ব্যারি স্ট্যানকোম্বের ওপরেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
ব্যারি স্ট্যানকোম্বে ও তার দল এই মামলায় ভারতকে সাহায্য করার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি চেয়েছিল। গত গ্রীষ্মে তারা তিনটি চিঠি লেখে এই সংক্রান্ত। কিন্তু, দুর্ভাগ্যজনকভাবে, একটি চিঠিরও কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি ভারত।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নীরব মোদিকে গ্রেপ্তারের জন্য নথি চেয়েছিল যুক্তরাজ্য, উত্তর দেয়নি ভারত

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০১৯, বুধবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক:

পলাতক ভারতীয় হীরা ব্যবসায়ী নীরব মোদিকে লন্ডনের রাস্তায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছিল গত সপ্তাহে। মুখে দাড়ি থাকলেও তার ঔজ্জ্বল্য কোনোভাবেই কমেনি। পরেছিলেন উটপাখির চামড়া দিয়ে তৈরি দামি একটি জ্যাকেট।
ক্ষমতাসীন বিজেপি জানিয়েছিল, ভারতের পক্ষ থেকে নীরব মোদিকে ফেরানোর এবং তারপর তার শাস্তির ব্যবস্থা করার সবরকম প্রচেষ্টাই চালানো হচ্ছে। তবে, এই দাবির একেবারে বিপরীত একটি দাবির কথা জানতে পেরেছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।
নীরব মোদে সংক্রান্ত বহু তথ্য চাওয়ার পরেও তা ব্রিটিশ প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। জানা গেছে, যুক্তরাজ্যের একটি আইনি দলও নীরব মোদির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতকে সাহায্য করতে চেয়েছিল। কিন্তু, তার কোনো জবাবই দেয়নি ভারত। লন্ডনের সিরিয়াস ফ্রড অফিসের পক্ষ থেকে এনডিটিভি জানতে পেরেছে, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্যকে প্রথমবার মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিসট্যান্স ট্রিটি (এমএলএটি) পাঠানো হয়।
পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকে ১৩ হাজার কোটি টাকার জালিয়াতির পর সিবিআই নীরব মোদির বিরুদ্ধে মামলা করার ঠিক পরপরই এটি পাঠানো হয়েছিল।
সিরিয়াস ফ্রড অফিস ভারতকে মার্চ মাসের মধ্যে জানিয়ে দিয়েছিল, নীরব মোদি ব্রিটেনে রয়েছেন। ওই সময় ভারতীয় কর্মকর্তারা তাকে ইউরোপের অন্যান্য দেশ ও হংকং-এ খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন। ভারতকে নীরব মোদির অবস্থান সম্পর্কে জানানোই শুধু নয়, সিরিয়াস ফ্রড অফিসের পক্ষ থেকে এই মামলায় ভারতকে সাহায্য করার জন্য অর্থ জালিয়াতি মামলার বিখ্যাত আইনজীবী ব্যারি স্ট্যানকোম্বের ওপরেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
ব্যারি স্ট্যানকোম্বে ও তার দল এই মামলায় ভারতকে সাহায্য করার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি চেয়েছিল। গত গ্রীষ্মে তারা তিনটি চিঠি লেখে এই সংক্রান্ত। কিন্তু, দুর্ভাগ্যজনকভাবে, একটি চিঠিরও কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি ভারত।