১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

নিমশায় বিদ্রোহী কবির প্রয়াণদিবস পালিত

নিজস্ব সংবাদদাতা : বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি বিজড়িত নিমশায় কবি নজরুল সংঘের উদ্যোগে পালিত হল কবির তিরোধান দিবস। নিমশা হাটতলায় নজরুল মূর্তিতে মাল্যদান করেন সংঘের সভাপতি সেখ ফজলে করিম, সম্পাদক বাপ্পা কাজী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিকি কাজী, কাজী মুজিবর রহমান,কাজী সানু, মধুসূদন রুইদাস, সেখ আব্বাস,সেখ আরোজ, সেখ আমান,সানী কাজী, রমযান আলী সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি। উল্লেখ্য, পিতৃবিয়োগের পর এগারো বছর বয়সে দুখু মিঞা নিমশা চলে আসেন। নিমশার মানুষদের নিয়ে গড়ে তোলেন লেটো দল। সেই দলের পালা ও গান রচনা করতে থাকেন তিনি। নজরুল বেঙ্গলী রেজিমেন্টে যোগদান করলে লেটো দলের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি ঘটে তাঁর। বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবিতা বলে কথিত বিদ্রোহী কবিতার জনক কবি নজরুল বাইশ বছরে সাহিত্য সাধনার পর দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন। এবং চৌত্রিশ বছর অসুস্থতার মধ্যে কাটান। নিমশার প্রবীণ ব্যক্তি কাজী হাসেম আলি জানান, অসুস্থ কবিকে চুরুলিয়ায় আনা হলে কবির বন্ধু স্থানীয় বহু মানুষ তাঁর নানান কৌশলে স্মৃতি ফেরানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। নতুন স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ প্রেরণার কবিকে(১৯৭২) দেশে নিয়ে যায়। নজরুল অনুরাগী প্রধানমন্ত্রী সেখ মুজিবর রহমান এর সরকার কাজী নজরুল ইসলাম কে বাংলাদেশের জাতীয় কবি বলে ঘোষণা করে। ১৯৭৬ সালে ২৯ অগাস্ট ঢাকার পিজি হসপিটালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এবং অবহেলিত স্বাধীনতার কবি পরভূমেই সমাহিত হন। নিমশায় কবির স্মরণ সভায় আজকের দিনে কবির প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সামাজিক দূরত্ব মেনে বহু নজরুল অনুরাগী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নিমশায় বিদ্রোহী কবির প্রয়াণদিবস পালিত

আপডেট : ২৯ অগাস্ট ২০২০, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি বিজড়িত নিমশায় কবি নজরুল সংঘের উদ্যোগে পালিত হল কবির তিরোধান দিবস। নিমশা হাটতলায় নজরুল মূর্তিতে মাল্যদান করেন সংঘের সভাপতি সেখ ফজলে করিম, সম্পাদক বাপ্পা কাজী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিকি কাজী, কাজী মুজিবর রহমান,কাজী সানু, মধুসূদন রুইদাস, সেখ আব্বাস,সেখ আরোজ, সেখ আমান,সানী কাজী, রমযান আলী সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি। উল্লেখ্য, পিতৃবিয়োগের পর এগারো বছর বয়সে দুখু মিঞা নিমশা চলে আসেন। নিমশার মানুষদের নিয়ে গড়ে তোলেন লেটো দল। সেই দলের পালা ও গান রচনা করতে থাকেন তিনি। নজরুল বেঙ্গলী রেজিমেন্টে যোগদান করলে লেটো দলের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি ঘটে তাঁর। বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবিতা বলে কথিত বিদ্রোহী কবিতার জনক কবি নজরুল বাইশ বছরে সাহিত্য সাধনার পর দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন। এবং চৌত্রিশ বছর অসুস্থতার মধ্যে কাটান। নিমশার প্রবীণ ব্যক্তি কাজী হাসেম আলি জানান, অসুস্থ কবিকে চুরুলিয়ায় আনা হলে কবির বন্ধু স্থানীয় বহু মানুষ তাঁর নানান কৌশলে স্মৃতি ফেরানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। নতুন স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ প্রেরণার কবিকে(১৯৭২) দেশে নিয়ে যায়। নজরুল অনুরাগী প্রধানমন্ত্রী সেখ মুজিবর রহমান এর সরকার কাজী নজরুল ইসলাম কে বাংলাদেশের জাতীয় কবি বলে ঘোষণা করে। ১৯৭৬ সালে ২৯ অগাস্ট ঢাকার পিজি হসপিটালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এবং অবহেলিত স্বাধীনতার কবি পরভূমেই সমাহিত হন। নিমশায় কবির স্মরণ সভায় আজকের দিনে কবির প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সামাজিক দূরত্ব মেনে বহু নজরুল অনুরাগী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।