২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

দিল্লি বিস্ফোরণে উদ্ধার রহস্যজনক চিঠি! সন্দেহের তালিকায় ইরান

দিল্লি বিস্ফোরণে উদ্ধার রহস্যজনক চিঠি! সন্দেহের তালিকায় ইরান

 

 

নতুন গতি ডিজিটাল ডেস্ক : দিল্লি বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকেই খামবন্দি একটি চিঠি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা৷ ওই খামের মধ্যে ইজায়েরল দূতাবাসের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি ছিল৷ যদিও চিঠিতে কী লেখা ছিল, তা নিয়ে মুখ খোলেননি তদন্তকারী দল৷ পুলিশ সূত্রে এই বিস্ফোরণের পিছনে ইরান যোগের কথা উঠে আসছে৷

এইদিকে পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেল ৫.০৫ মিনিটে যখন বিস্ফোরণ ঘটে৷ ঠিক সেই সময় বিস্ফোরণস্থল থেকে কিছু দুরেই বিটিং রিট্রিটের অনুষ্ঠান চলছিল৷ সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ কড়া নিরাপত্তায় ঘেরা এলাকায় এই বিস্ফোরণে পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ উঠছে৷

ঘটনার পর অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে একটি সিসিটিভি ফুটেজও পুলিশের হাতে এসেছে৷ তাতে দেখা গিয়েছে, একটি ট্যাক্সি করে ইজরায়েল দূতাবাসের কাছে ওই রাস্তায় নামে দুই ব্যক্তি৷ তারাই হেঁটে এসে ফুটপাথের উপরে একটি ফুলের টবের মধ্যে আইইডি বিস্ফোরক রেখে চলে যায়৷

কোন দুই ব্যক্তি বিস্ফোরক রেখে গিয়েছিল, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাদের নাগালে পেতে দিল্লি জুড়ে জোর তল্লাশি শুরু হয়েছে৷ সন্দেহভাজন হিসেবে দু’ জনকে আটকও করা হয়েছে৷ পাশাপাশি ওই ট্যাক্সিটিকে চিহ্নিত করে সেটির চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে সন্দেহভাজনদের স্কেচও আঁকানো হচ্ছে৷

ইজারায়েলি দূতাবাসকেই যে টার্গেট করেছিল আততায়ীরা, চিঠির বয়ান থেকে তা স্পষ্ট হয়েছে৷ শুধু তাই নয়, এই বিস্ফোরণকে ট্রেলার হিসেবেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে৷ ইরানের সেনাকর্তা এবং পরমাণু বিজ্ঞানীর হত্যার জন্যও চিঠিতে ইজরায়েলকেই দায়ী করা হয়েছে৷

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দিল্লি বিস্ফোরণে উদ্ধার রহস্যজনক চিঠি! সন্দেহের তালিকায় ইরান

আপডেট : ৩০ জানুয়ারী ২০২১, শনিবার

দিল্লি বিস্ফোরণে উদ্ধার রহস্যজনক চিঠি! সন্দেহের তালিকায় ইরান

 

 

নতুন গতি ডিজিটাল ডেস্ক : দিল্লি বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকেই খামবন্দি একটি চিঠি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা৷ ওই খামের মধ্যে ইজায়েরল দূতাবাসের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি ছিল৷ যদিও চিঠিতে কী লেখা ছিল, তা নিয়ে মুখ খোলেননি তদন্তকারী দল৷ পুলিশ সূত্রে এই বিস্ফোরণের পিছনে ইরান যোগের কথা উঠে আসছে৷

এইদিকে পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেল ৫.০৫ মিনিটে যখন বিস্ফোরণ ঘটে৷ ঠিক সেই সময় বিস্ফোরণস্থল থেকে কিছু দুরেই বিটিং রিট্রিটের অনুষ্ঠান চলছিল৷ সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ কড়া নিরাপত্তায় ঘেরা এলাকায় এই বিস্ফোরণে পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ উঠছে৷

ঘটনার পর অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে একটি সিসিটিভি ফুটেজও পুলিশের হাতে এসেছে৷ তাতে দেখা গিয়েছে, একটি ট্যাক্সি করে ইজরায়েল দূতাবাসের কাছে ওই রাস্তায় নামে দুই ব্যক্তি৷ তারাই হেঁটে এসে ফুটপাথের উপরে একটি ফুলের টবের মধ্যে আইইডি বিস্ফোরক রেখে চলে যায়৷

কোন দুই ব্যক্তি বিস্ফোরক রেখে গিয়েছিল, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাদের নাগালে পেতে দিল্লি জুড়ে জোর তল্লাশি শুরু হয়েছে৷ সন্দেহভাজন হিসেবে দু’ জনকে আটকও করা হয়েছে৷ পাশাপাশি ওই ট্যাক্সিটিকে চিহ্নিত করে সেটির চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে সন্দেহভাজনদের স্কেচও আঁকানো হচ্ছে৷

ইজারায়েলি দূতাবাসকেই যে টার্গেট করেছিল আততায়ীরা, চিঠির বয়ান থেকে তা স্পষ্ট হয়েছে৷ শুধু তাই নয়, এই বিস্ফোরণকে ট্রেলার হিসেবেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে৷ ইরানের সেনাকর্তা এবং পরমাণু বিজ্ঞানীর হত্যার জন্যও চিঠিতে ইজরায়েলকেই দায়ী করা হয়েছে৷