শুভজিৎ দত্তগুপ্ত,নতুন গতি ,কলকাতা : এস ভি এফ এন্টারটেইনমেন্ট এর হৈচৈ এর সংগীত রচনা করে দর্শক শ্রোতা মহলে নিজের স্থান করে নিয়েছেন রবীন্দ্রভারতীর সংগীত বিভাগের ছাত্র পীযুষ দাস। দীর্ঘদিন ধরেই সংগীত রচনা ,সুরকার এবং গায়ক রূপে তার তার প্রতিভা আকৃষ্ট করেছে শ্রোতাদের। বং ষ্টুডিও ও রেডিও মির্চির যৌথ প্রয়াস থেকে দর্শক শ্রোতা দের নজরে আসা পীযুষ গায়ক রূপে শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় হলেও গীতিকার রূপেই নিজের কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়া নিয়ে বেশী আগ্রহী। সংবাদ মাধ্যম কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকার পীযুষ জানান বর্তমানে কলকাতার পাশাপাশি ঢাকা তেও কাজ শুরু করতে চলেছেন তিনি। বাংলাদেশের ষ্টুডিও জয়াএর সঞ্চালক সুরকার রাজন সাহার উদ্যোগে তিনি বাংলাদেশে কাজ শুরু করছেন। পীযুষ জানান বাংলাদেশের মেঘদল ,Warfaze ,শুন্য ওয়েভ এর গান তাকে মুগ্ধ করে। করোনা মহামারী জন্য বাংলাদেশের কাজ শুরু দিন পিছিয়ে গেলেও কিছুদিনের মধ্যেই কাজ শুরু করতে চলছেন তিনি। তার অকপট আলোচনায় সংগীত জগতের নতুন শিল্পীদের সমস্যার কথা বলতে গিয়ে পীযুষ বলেন আর্থিক নিরাপত্তা না থাকার কারণে বেশিরভাগ অভিভাবক ই নিজের সন্তানদের সংগীত চর্চা কে পেশা হিসাবে গ্রহণ করতে উৎসাহিত করেন না। বর্তমানে ইউটিউবের মতো সামাজিক মাধমের সাহায্যে দর্শক শ্রোতা অবধি পৌঁছানো সহজলভ্য হলেও নতুন সংগীত শিল্পীদের আর্থিক নিরাপত্তার কাছে ক্রমেই চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে ইউটিউব।তিনি মনে করেন বিনামূল্যে ইউটিউবে যেকোনো ধরণের সংগীত সহজলভ্য হওয়ার দরুন সংগীতের জন্য কোনোরকম অর্থ খরচ করতে নারাজ বেশীরভাগ শ্রোতাই। অপরদিকে ইউটিউবের ক্রমাগত পলিসি চেঞ্জ তার মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রকে ক্রমেই সংকুচিত করছে। তাই শিল্পী দের আর্থিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ইউটিউবের ক্ষেত্রে বাইরের দেশের মতো প্যাট্রিয়ন পদ্ধতি চালু করবার বিষয়ে সচেষ্ট পীযুষ ও তার সহকর্মী নবীন সংগীত শিল্পীরা। এই পদ্ধতিতে যেকোনো সংগীতের জন্য অন্তত একটাকা মূল্য দিতে হবে শ্রোতা কে। তারা মনে করেন সঙ্গীতের ধারা কে সচল ও পুষ্ট রাখতে অবিলম্বে এই পদ্ধতি গ্রহণ অতন্ত্য জরুরী ,তাই নিজেদের কাজের পাশাপাশি প্যাট্রিয়ন পদ্ধতি চালু করবার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তারা সচেষ্ট থাকছেন সংগীত জগতের বিশিষ্ট জনদের সমর্থন পাওয়ার জন্য।
নতুন গতি 





















