২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বন্যা জলে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট পরিদর্শনে বিধায়ক গৌর চন্দ্র মণ্ডল

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
  • 12
পার্থ ঝা,ভুতনি: ভয়াবহ বন্যার জলে ভেঙে পরেছে তিন অঞ্চলের একাধিক রাস্তাঘাট সেই সমস্ত রাস্তাঘাট পরিদর্শন করে যোগাযোগের ব্যবস্থা করেন বিধায়ক গৌরচন্দ্র মণ্ডল। মালদার মানিকচকের ভূতনীর বিভিন্ন এলাকা থেকে বন্যার জল নামতে শুরু করলেও বিপর্যস্ত রাস্তাঘাট। বন্যার জলের স্রোতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। উত্তর চণ্ডীপুরে প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তার কার্যত কোনও অস্তিত্ব নেই বলে দাবী স্থানীয়দের। একই পরিস্থিতি দক্ষিণ চণ্ডীপুর ও হিরানন্দপুর এলাকাতেও। বন্যার জেরে অধিকাংশ রাস্তাতেই তৈরি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। ফলে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, বহু রাস্তায় পায়ে হেঁটে যাতায়াত করাও দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এর জেরে সড়কপথে ভূতনীর সঙ্গে মানিকচকের যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন। দ্রুত রাস্তাঘাট সংস্কারের দাবী জানিয়েছেন বানভাসী এলাকার বাসীন্দারা। স্থানীয়দের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ভূতনীর ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন রাস্তা পরিদর্শন করেন মানিকচকের বিধায়ক গৌর চন্দ্র মণ্ডল।
 তিনি জানান, বন্যায় বহু রাস্তা প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে রাস্তাগুলি চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি, ভূতনীর বেশ কিছু নিচু এলাকায় এখনও জল জমে রয়েছে। সেই জল পাম্পের সাহায্যে দ্রুত বের করার প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে বলে জানান বিধায়ক।

সুপারভাইজার নিয়োগের দাবিতে পঞ্চায়েত ঘেরাও, দুর্নীতির অভিযোগে উত্তপ্ত লক্ষ্মী-জনার্দনপুর

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বন্যা জলে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট পরিদর্শনে বিধায়ক গৌর চন্দ্র মণ্ডল

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
পার্থ ঝা,ভুতনি: ভয়াবহ বন্যার জলে ভেঙে পরেছে তিন অঞ্চলের একাধিক রাস্তাঘাট সেই সমস্ত রাস্তাঘাট পরিদর্শন করে যোগাযোগের ব্যবস্থা করেন বিধায়ক গৌরচন্দ্র মণ্ডল। মালদার মানিকচকের ভূতনীর বিভিন্ন এলাকা থেকে বন্যার জল নামতে শুরু করলেও বিপর্যস্ত রাস্তাঘাট। বন্যার জলের স্রোতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। উত্তর চণ্ডীপুরে প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তার কার্যত কোনও অস্তিত্ব নেই বলে দাবী স্থানীয়দের। একই পরিস্থিতি দক্ষিণ চণ্ডীপুর ও হিরানন্দপুর এলাকাতেও। বন্যার জেরে অধিকাংশ রাস্তাতেই তৈরি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। ফলে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, বহু রাস্তায় পায়ে হেঁটে যাতায়াত করাও দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এর জেরে সড়কপথে ভূতনীর সঙ্গে মানিকচকের যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন। দ্রুত রাস্তাঘাট সংস্কারের দাবী জানিয়েছেন বানভাসী এলাকার বাসীন্দারা। স্থানীয়দের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ভূতনীর ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন রাস্তা পরিদর্শন করেন মানিকচকের বিধায়ক গৌর চন্দ্র মণ্ডল।
 তিনি জানান, বন্যায় বহু রাস্তা প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে রাস্তাগুলি চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি, ভূতনীর বেশ কিছু নিচু এলাকায় এখনও জল জমে রয়েছে। সেই জল পাম্পের সাহায্যে দ্রুত বের করার প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে বলে জানান বিধায়ক।