২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

মিল্টন রশিদ এন আর সি, সিএবি ও সি এ এ আইন প্রত্যাহারের দাবীতে সাত দিন ধর্ণা মঞ্চের বসার পরে মহকুমা শাসকের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি

 আজিম সেখ,নতুন গতি বীরভূম:-এন আর সি, সিএবি ও সি এ এ আইন প্রত্যাহারের দাবীতে রামপুরহাট মহকুমা শাসকের দপ্তেরর সামনে সংবিধান বাঁচাও ধর্ণা মঞ্চে ধর্ণায় বসেন হাঁসন বিধানসভার কংগ্রেস বিধায়ক মিল্টন রশিদ। লাগাতার সাতদিন ধরে ধর্ণায় ছিলেন তিনি ।

একদা জোট সঙ্গী বামফ্রন্টের প্রাক্তন সাংসদ রামচন্দ্র ডোম থেকে কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় সকলেই তার সংবিধান বাঁচাও ধর্ণামঞ্চে আসেন মিল্টন রশিদের সমর্থনে।মিল্টন রশিদের আবেদন ছিলো গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলন করুন সকলে, আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলতা করা মোটেও উচিৎ নয়।


মিল্টন রশিদের এই আন্দোলন কে সমর্থন করেন রামপুরহাটের অনেক সাধারণ নাগরিক ,কেউ ফুলের তোড়া কেউ বা মিষ্টি খাওয়ান ধর্নামঞ্চে। প্রচন্ড শীতকে উপেক্ষা করে খোলা আকাশের নিচে লাগাতার ধর্না মঞ্চ করায় সাধারণ মানুষের সমর্থন আরো বেশী পান মিল্টন রশিদ। তিনি জানান আমি সহিংস আন্দোলনের বিরোধী, তাই অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন পত্র পাঠালাম মহকুমা শাসকের মাধ্যমে,নাগরিক পঞ্জীকরন আইন প্রতাহার করতে হবে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার কে।


আগামী দিনে কংগ্রেস দেশ জুড়ে আন্দোলন করবে এই ইস্যু তে। সাধারণ মানুষ আমাদের কে ভোট দিয়ে জয়ী করেছেন তাদের সুরক্ষিত রাখার দ্বায় আমাদের,আমরা জনপ্রতিনিধিরা জনগনের হয়ে লড়াই আন্দোলন করবো।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মিল্টন রশিদ এন আর সি, সিএবি ও সি এ এ আইন প্রত্যাহারের দাবীতে সাত দিন ধর্ণা মঞ্চের বসার পরে মহকুমা শাসকের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি

আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার

 আজিম সেখ,নতুন গতি বীরভূম:-এন আর সি, সিএবি ও সি এ এ আইন প্রত্যাহারের দাবীতে রামপুরহাট মহকুমা শাসকের দপ্তেরর সামনে সংবিধান বাঁচাও ধর্ণা মঞ্চে ধর্ণায় বসেন হাঁসন বিধানসভার কংগ্রেস বিধায়ক মিল্টন রশিদ। লাগাতার সাতদিন ধরে ধর্ণায় ছিলেন তিনি ।

একদা জোট সঙ্গী বামফ্রন্টের প্রাক্তন সাংসদ রামচন্দ্র ডোম থেকে কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় সকলেই তার সংবিধান বাঁচাও ধর্ণামঞ্চে আসেন মিল্টন রশিদের সমর্থনে।মিল্টন রশিদের আবেদন ছিলো গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলন করুন সকলে, আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলতা করা মোটেও উচিৎ নয়।


মিল্টন রশিদের এই আন্দোলন কে সমর্থন করেন রামপুরহাটের অনেক সাধারণ নাগরিক ,কেউ ফুলের তোড়া কেউ বা মিষ্টি খাওয়ান ধর্নামঞ্চে। প্রচন্ড শীতকে উপেক্ষা করে খোলা আকাশের নিচে লাগাতার ধর্না মঞ্চ করায় সাধারণ মানুষের সমর্থন আরো বেশী পান মিল্টন রশিদ। তিনি জানান আমি সহিংস আন্দোলনের বিরোধী, তাই অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন পত্র পাঠালাম মহকুমা শাসকের মাধ্যমে,নাগরিক পঞ্জীকরন আইন প্রতাহার করতে হবে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার কে।


আগামী দিনে কংগ্রেস দেশ জুড়ে আন্দোলন করবে এই ইস্যু তে। সাধারণ মানুষ আমাদের কে ভোট দিয়ে জয়ী করেছেন তাদের সুরক্ষিত রাখার দ্বায় আমাদের,আমরা জনপ্রতিনিধিরা জনগনের হয়ে লড়াই আন্দোলন করবো।