২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

মেমারিতে মসজিদ নিয়ে বিবাদ

নূর আহমেদ,মেমারি : ২৫ ফেব্রুয়ারি মসজিদের মতোয়ালীর মন্তব্য ঘিরে অসন্তোষ এলাকাবাসীর, তাই জুম্মার নামাজ মসজিদে না পড়ে মসজিদের বাইরে জুম্মার নামাজ পড়লেন এলাকার মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষেরা। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারীর ইছাপুর দক্ষিণ পাড়া এলাকায়। এই মসজিদটি বহুদিন আগে এলাকার বেশকিছু সহৃদয় ব্যক্তিদের সহযোগিতায় তৈরি হয়। সহৃদয় ব্যক্তিদের মধ্য থেকে বর্তমানে মসজিদের মতোয়ালি সাবির হোসেনও একজন। এরপর এলাকা বাসীদের আর্থিক সাহায্যে মসজিদটির পুনঃনির্মাণ ও সংস্কার হয়। বর্তমানে মসজিদে একজন স্থায়ী মৌলানা রাখার দাবি নিয়ে এবং হিসাব পত্র সংক্রান্ত বিষয়ে মসজিদের মতোয়ালি সাবির হোসেনের সাথে মতবিরোধের সৃষ্টি হয় এলাকার মানুষের। গত শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারি জুম্মার নামাজের পরে মসজিদের ভেতর মসজিদের মতোয়ালি সাবির হোসেন মসজিদ তার নিজস্ব ব্যক্তিগত বলে দাবি করেছেন এমনটাই অভিযোগ এলাকার মানুষদের। সাবির হোসেনের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এদিন শুক্রবার জুম্মার নামাজ মসজিদের ভিতরে না পড়ে এলাকার মানুষ মসজিদ এর বাইরে জমায়েত হয়ে একসাথে নামাজ পড়েন।

এদিকে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই সাবির হোসেনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, একজন মুসলিমের পক্ষে এ কথা বলা সম্ভব? তিনি এই কথা বলেছেন বলে মনে করতে পারছেন না।
এব্যপারে রবিবার মেমারি থানার সাথে প্রশাসনিক বৈঠক করেন ইছাপুর দক্ষিণ পাড়ার গ্রামবাসীরা। বৈঠক শেষে জানা যায় সমস্যাটি নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে কোন সমস্যা হলে প্রশাসন সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

পিতা খুনে আসামি পুত্র কে ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল ডায়মন্ডহারবার আদালত 

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মেমারিতে মসজিদ নিয়ে বিবাদ

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, রবিবার

নূর আহমেদ,মেমারি : ২৫ ফেব্রুয়ারি মসজিদের মতোয়ালীর মন্তব্য ঘিরে অসন্তোষ এলাকাবাসীর, তাই জুম্মার নামাজ মসজিদে না পড়ে মসজিদের বাইরে জুম্মার নামাজ পড়লেন এলাকার মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষেরা। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারীর ইছাপুর দক্ষিণ পাড়া এলাকায়। এই মসজিদটি বহুদিন আগে এলাকার বেশকিছু সহৃদয় ব্যক্তিদের সহযোগিতায় তৈরি হয়। সহৃদয় ব্যক্তিদের মধ্য থেকে বর্তমানে মসজিদের মতোয়ালি সাবির হোসেনও একজন। এরপর এলাকা বাসীদের আর্থিক সাহায্যে মসজিদটির পুনঃনির্মাণ ও সংস্কার হয়। বর্তমানে মসজিদে একজন স্থায়ী মৌলানা রাখার দাবি নিয়ে এবং হিসাব পত্র সংক্রান্ত বিষয়ে মসজিদের মতোয়ালি সাবির হোসেনের সাথে মতবিরোধের সৃষ্টি হয় এলাকার মানুষের। গত শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারি জুম্মার নামাজের পরে মসজিদের ভেতর মসজিদের মতোয়ালি সাবির হোসেন মসজিদ তার নিজস্ব ব্যক্তিগত বলে দাবি করেছেন এমনটাই অভিযোগ এলাকার মানুষদের। সাবির হোসেনের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এদিন শুক্রবার জুম্মার নামাজ মসজিদের ভিতরে না পড়ে এলাকার মানুষ মসজিদ এর বাইরে জমায়েত হয়ে একসাথে নামাজ পড়েন।

এদিকে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই সাবির হোসেনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, একজন মুসলিমের পক্ষে এ কথা বলা সম্ভব? তিনি এই কথা বলেছেন বলে মনে করতে পারছেন না।
এব্যপারে রবিবার মেমারি থানার সাথে প্রশাসনিক বৈঠক করেন ইছাপুর দক্ষিণ পাড়ার গ্রামবাসীরা। বৈঠক শেষে জানা যায় সমস্যাটি নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে কোন সমস্যা হলে প্রশাসন সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।