২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

মেদিনীপুরে কাজে গিয়ে মৃত্যু হল সাগরদিঘীর এক শ্রমিকের

রহমতুল্লাহ,সাগরদিঘী : সোমবার সাতসকালে সাইকেল ফেরী করতে বেরিয়ে মটরসাইকেলের সংঘর্ষে মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হয় কামিরুজ্জামান নামের ৪০বছরের এক মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকের। তার বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘী থানার অন্তর্গত কাবিলপুর পঞ্চায়েতের তেঘরীপাড়ায়। বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটে মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া শ্রীরামপুর এলাকায়, ঘটনা স্থলে পৌঁছায় স্থানীয় দেবরা থানার পুলিশ, মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য দেবরা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এবং সেই মৃতদেহ মুর্শিদাবাদ পৌছানোর ব্যবস্থা করছেন প্রশাসন।

উল্লেখ্য পেটের টানে গত ২৬শে নভেম্বর শনিবার দিন মুর্শিদাবাদ থেকে মেদিনীপুর কাজের উদ্দেশ্য রওনা দেয় কামরুজ্জামান। শনিবার সকালে সাইকেল নিয়ে কাজে বেরোতেই মটরসাইকেল এর সঙ্গে দুর্ঘটনা হয় ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় কামরুজ্জামানের। তার বড়ো ছেলে কবিরুল ইসলাম তার বাবার সঙ্গে কাজ করত মেদিনীপুরে, বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে পৌছায়। এবং সেই খবর পরিবারের কানে পৌঁছাতেই গোটা পরিবার জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। কারণ মা ও দুই ছেলে এবং দুই মেয়ের একমাত্র সম্বল ছিল তার বাবা, সেই আজ পৃথিবীতে নেই।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মেদিনীপুরে কাজে গিয়ে মৃত্যু হল সাগরদিঘীর এক শ্রমিকের

আপডেট : ২৮ নভেম্বর ২০২২, সোমবার

রহমতুল্লাহ,সাগরদিঘী : সোমবার সাতসকালে সাইকেল ফেরী করতে বেরিয়ে মটরসাইকেলের সংঘর্ষে মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হয় কামিরুজ্জামান নামের ৪০বছরের এক মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকের। তার বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘী থানার অন্তর্গত কাবিলপুর পঞ্চায়েতের তেঘরীপাড়ায়। বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটে মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া শ্রীরামপুর এলাকায়, ঘটনা স্থলে পৌঁছায় স্থানীয় দেবরা থানার পুলিশ, মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য দেবরা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এবং সেই মৃতদেহ মুর্শিদাবাদ পৌছানোর ব্যবস্থা করছেন প্রশাসন।

উল্লেখ্য পেটের টানে গত ২৬শে নভেম্বর শনিবার দিন মুর্শিদাবাদ থেকে মেদিনীপুর কাজের উদ্দেশ্য রওনা দেয় কামরুজ্জামান। শনিবার সকালে সাইকেল নিয়ে কাজে বেরোতেই মটরসাইকেল এর সঙ্গে দুর্ঘটনা হয় ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় কামরুজ্জামানের। তার বড়ো ছেলে কবিরুল ইসলাম তার বাবার সঙ্গে কাজ করত মেদিনীপুরে, বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে পৌছায়। এবং সেই খবর পরিবারের কানে পৌঁছাতেই গোটা পরিবার জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। কারণ মা ও দুই ছেলে এবং দুই মেয়ের একমাত্র সম্বল ছিল তার বাবা, সেই আজ পৃথিবীতে নেই।