আজহারউদ্দিন : হুগলির কামারপুকুর হাটতলার মেধাবী ছাত্র ছিল প্রেমজিৎ দাস।দারিদ্র্যকে সঙ্গে করে পড়া শুনা করছিলেন এবছর রামকৃষ্ণ মিশন থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল প্রেমজিৎ দাস ।তার প্রাপ্ত নাম্বার (৬৬৯)। বাড়ির অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই খারাপ,পড়াশুনা ও বইপত্র জোগাড় করতে জেঠুর মিষ্টির দোকানে কাজ করতে হত।মা সেলাইয়ের কাজ করে , বাবা অসুস্থ, দুই ভাই, এক বোনের সংসার।,মাধ্যমিক ভাল রেজাল্ট করার ফলে, বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এই খবর প্রকাশিত হ ওযার পর মেধাবী ছাত্রেরপাশে দাঁড়াতে তাঁর বাডি ছুটে যান হুগলি জেলা তৃণমূল যুব সাধারণ সম্পাদক শাহিদ ইমাম ওরফে মহারাজ। উল্লেখ শাহিদ ইমাম হলেন আরামবাগ শহরের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ হাসান ইমাম এর সুযোগ সন্তান ।প্রেমজিৎ দাসের হাতে স্কুলে ভর্তি ও প্রয়োজনীয় বইপত্র কেনার জন্য দশ হাজার টাকা তুলে দেন এবং নিজের ফোন নম্বর দেন তিনি বলেন পড়াশুনা সংক্রান্ত বিষয়ে যদি প্রযোজন হয আমি আছি পাশে থাকার আশ্বাস দেন ।প্রেমজিৎ দাসের পিতা মাতা হুগলি জেলা তৃণমূল কংগ্রেস যুব সাধারণ সম্পাদক শাহিদ ইমাম ওরফে মহারাজ এর উদোগকে ধন্যবাদ জানান।
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
BREAKING :
নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder
নতুন গতি 





















