১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

পূজোর আগের বন্ধ মহঃবাজারের পাথর শিল্প! হতাশাগ্রস্ত শ্রমিক সহ মালিকপক্ষ

গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ মহঃবাজার ব্লকের পাঁচামি পাথর শিল্পাঞ্চলের কাজ। যার ফলে সমস্যায় পড়তে হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক সহ এই শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে ওতপ্রতভাবে যুক্ত এক লক্ষ মানুষকে। শ্রমিকরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে তারা কাজ করতে গিয়ে ঘুরে আসেন কর্মস্থল থেকে। কারণ কয়েকদিন আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে খাদান থেকে পাথর তোলার কাজ। যার ফলে ক্রাশারে পাথর না থাকাই বন্ধ ক্রাশার। পুজোর আগে এইভাবে কাজ হারিয়ে চিন্তায় পড়েছেন এলাকার শ্রমিকরা। এছাড়াও সমস্যায় পড়েছেন মালিকপক্ষদের বড় অংশ। কারণ বহু ক্রাশার মালিক ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে নিজেদের ব্যবসা চালাচ্ছিলেন। এমনকি বহু ট্রাক মালিক রয়েছেন যারা লোন নিয়ে ট্রাক কিনেছেন। এই শিল্পের কাজ বন্ধ হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন তারাও। তবে প্রশ্ন হল কেন এই খাদান থেকে পাথর তোলার কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হলেন খাদান মালিকরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে জানা যাচ্ছে এই সকল খাদান মালিকদের কাছে বৈধ কাগজপত্র নেই।২০১৬ সাল পর্যন্ত তাদের কাছে সমস্ত রকম কাগজপত্র থাকলেও গ্রীন ট্রাইবুনালের মামলায় দীর্ঘদিন ধরে এই কাগজপত্র ঝুলে রয়েছে। এক দেড় বছর অন্তর অন্তর এই মামলার শুনানির জন্য ডাক পড়লেও এখনো পর্যন্ত কোনো সুরাহা হয়নি। খাদান মালিকপক্ষ চান তাদের খাদান চলুক বৈধ কাগজপত্র পাওয়ার পরই। যে কারণেই গত কয়েকদিন ধরেই তারা তাদের খাদান থেকে পাথর তোলার কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।সকলেরই দাবি, দ্রুত প্রশাসন এর সুরাহা করুক। যাতে এই সমস্ত পরিবারের সমস্যার কথা ভেবে পুনরায় সরকারি অনুমতিতে পাথর শিল্পাঞ্চলের কাজ চলে সেই বিষয়ে নজর দিক প্রশাসন। তারা বহুবার বীরভূম জেলাশাসককে এই বিষয়ে আবেদন জানিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন। যদিও এই পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনিকভাবে কোন প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে।

বোলপুরে রাজধানী সার্কাসের শুভ উদ্বোধন, প্রথম দিনেই দর্শকদের ভিড়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পূজোর আগের বন্ধ মহঃবাজারের পাথর শিল্প! হতাশাগ্রস্ত শ্রমিক সহ মালিকপক্ষ

আপডেট : ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, রবিবার

গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ মহঃবাজার ব্লকের পাঁচামি পাথর শিল্পাঞ্চলের কাজ। যার ফলে সমস্যায় পড়তে হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক সহ এই শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে ওতপ্রতভাবে যুক্ত এক লক্ষ মানুষকে। শ্রমিকরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে তারা কাজ করতে গিয়ে ঘুরে আসেন কর্মস্থল থেকে। কারণ কয়েকদিন আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে খাদান থেকে পাথর তোলার কাজ। যার ফলে ক্রাশারে পাথর না থাকাই বন্ধ ক্রাশার। পুজোর আগে এইভাবে কাজ হারিয়ে চিন্তায় পড়েছেন এলাকার শ্রমিকরা। এছাড়াও সমস্যায় পড়েছেন মালিকপক্ষদের বড় অংশ। কারণ বহু ক্রাশার মালিক ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে নিজেদের ব্যবসা চালাচ্ছিলেন। এমনকি বহু ট্রাক মালিক রয়েছেন যারা লোন নিয়ে ট্রাক কিনেছেন। এই শিল্পের কাজ বন্ধ হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন তারাও। তবে প্রশ্ন হল কেন এই খাদান থেকে পাথর তোলার কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হলেন খাদান মালিকরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে জানা যাচ্ছে এই সকল খাদান মালিকদের কাছে বৈধ কাগজপত্র নেই।২০১৬ সাল পর্যন্ত তাদের কাছে সমস্ত রকম কাগজপত্র থাকলেও গ্রীন ট্রাইবুনালের মামলায় দীর্ঘদিন ধরে এই কাগজপত্র ঝুলে রয়েছে। এক দেড় বছর অন্তর অন্তর এই মামলার শুনানির জন্য ডাক পড়লেও এখনো পর্যন্ত কোনো সুরাহা হয়নি। খাদান মালিকপক্ষ চান তাদের খাদান চলুক বৈধ কাগজপত্র পাওয়ার পরই। যে কারণেই গত কয়েকদিন ধরেই তারা তাদের খাদান থেকে পাথর তোলার কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।সকলেরই দাবি, দ্রুত প্রশাসন এর সুরাহা করুক। যাতে এই সমস্ত পরিবারের সমস্যার কথা ভেবে পুনরায় সরকারি অনুমতিতে পাথর শিল্পাঞ্চলের কাজ চলে সেই বিষয়ে নজর দিক প্রশাসন। তারা বহুবার বীরভূম জেলাশাসককে এই বিষয়ে আবেদন জানিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন। যদিও এই পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনিকভাবে কোন প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে।