০৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
০৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

২২৭ বছরেও সাবেকিয়ানায় অটুট চোপড়ার চুয়াগাড়ি দক্ষিণপাড়া দুর্গাপুজো

জয়দেব গোপ, উত্তর দিনাজপুর: থিমের জাঁকজমক, চোখধাঁধানো আলোকসজ্জা আর উচ্চ শব্দের আয়োজনের ভিড়ে আজও সাবেকিয়ানা ও লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্য ধরে রেখেছে চোপড়ার চুয়াগাড়ি দক্ষিণপাড়া পুরাতন দুর্গাপুজো। এ বছর ২২৭তম বর্ষে পা দিয়েছে এই প্রাচীন পুজো।
চোপড়া ব্লকের মাঝিয়ালি অঞ্চলের এই পুজোয় নেই থিমের প্রতিযোগিতা কিংবা আধুনিকতার চাকচিক্য। ভক্তি, নিষ্ঠা ও প্রাচীন রীতিনীতি মেনেই প্রতিবছর স্থায়ী মন্দিরে দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিত্তশালী আমিন মণ্ডলের হাত ধরে পারিবারিক পুজো হিসেবে এর সূচনা। পরে এলাকার মানুষের অংশগ্রহণে তা সর্বজনীন রূপ পায়।
পুজোর অন্যতম আকর্ষণ রাজবংশী ভাষার পাঁচালী পালাগানের আসর। প্রতিষ্ঠাতার উত্তরসূরি তাজেন সিংহ জানান, পূর্বপুরুষদের সময় থেকে চলে আসা এই ঐতিহ্য এখনও বজায় রয়েছে। পুজো উপলক্ষে চার দিন ধরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সারারাত বসে পাঁচালী পালাগানের আসর। দূরদূরান্ত থেকেও মানুষ এই লোকগান শুনতে আসেন। বিভিন্ন সম্প্রদায় ও বয়সের মানুষের মিলনক্ষেত্র হয়ে ওঠে এই আসর।
পুজো কমিটির সভাপতি গৌরাঙ্গ সিংহ ও সম্পাদক চিরঞ্জিত সিংহ জানান, এবারের বাজেট প্রায় ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন হলেও স্থায়ী মন্দিরে সারা বছর চলে দুর্গার আরাধনা। স্থানীয় রাজবংশী ভাষায় এই মন্দির পরিচিত ‘দেবীঘর’ নামে। শুভ অনুষ্ঠানেও গ্রামবাসীরা সেখানে পুজো দেন।

উজ্বলা গ্যাসে ওটিপি জালিয়াতি! ৫০ গ্রাহকের গ্যাস ‘গায়েব’, আটক রাজু

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

২২৭ বছরেও সাবেকিয়ানায় অটুট চোপড়ার চুয়াগাড়ি দক্ষিণপাড়া দুর্গাপুজো

আপডেট : ৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার
জয়দেব গোপ, উত্তর দিনাজপুর: থিমের জাঁকজমক, চোখধাঁধানো আলোকসজ্জা আর উচ্চ শব্দের আয়োজনের ভিড়ে আজও সাবেকিয়ানা ও লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্য ধরে রেখেছে চোপড়ার চুয়াগাড়ি দক্ষিণপাড়া পুরাতন দুর্গাপুজো। এ বছর ২২৭তম বর্ষে পা দিয়েছে এই প্রাচীন পুজো।
চোপড়া ব্লকের মাঝিয়ালি অঞ্চলের এই পুজোয় নেই থিমের প্রতিযোগিতা কিংবা আধুনিকতার চাকচিক্য। ভক্তি, নিষ্ঠা ও প্রাচীন রীতিনীতি মেনেই প্রতিবছর স্থায়ী মন্দিরে দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিত্তশালী আমিন মণ্ডলের হাত ধরে পারিবারিক পুজো হিসেবে এর সূচনা। পরে এলাকার মানুষের অংশগ্রহণে তা সর্বজনীন রূপ পায়।
পুজোর অন্যতম আকর্ষণ রাজবংশী ভাষার পাঁচালী পালাগানের আসর। প্রতিষ্ঠাতার উত্তরসূরি তাজেন সিংহ জানান, পূর্বপুরুষদের সময় থেকে চলে আসা এই ঐতিহ্য এখনও বজায় রয়েছে। পুজো উপলক্ষে চার দিন ধরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সারারাত বসে পাঁচালী পালাগানের আসর। দূরদূরান্ত থেকেও মানুষ এই লোকগান শুনতে আসেন। বিভিন্ন সম্প্রদায় ও বয়সের মানুষের মিলনক্ষেত্র হয়ে ওঠে এই আসর।
পুজো কমিটির সভাপতি গৌরাঙ্গ সিংহ ও সম্পাদক চিরঞ্জিত সিংহ জানান, এবারের বাজেট প্রায় ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন হলেও স্থায়ী মন্দিরে সারা বছর চলে দুর্গার আরাধনা। স্থানীয় রাজবংশী ভাষায় এই মন্দির পরিচিত ‘দেবীঘর’ নামে। শুভ অনুষ্ঠানেও গ্রামবাসীরা সেখানে পুজো দেন।