২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

মাধ্যমিকে পঞ্চম স্থান দখল করলো গলসির সাঁকো চন্দ্রশেখর স্কুলের ছাত্রী

আজিজুর রহমান : মাধ্যমিকে পঞ্চম স্থান দখল করলো গলসি সাঁকো চন্দ্রশেখর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী জয়শ্রী কেশ। মাধ্যমিকে ৬৯৩ নম্বর পেয়েছে। ছোট থেকেই গলসি থানার বেলগ্রামে মামার বাড়ি থেকে পড়াশোনা করতো। তার আসল বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার নিগন এলাকার কুঁন্দো গ্রামে। তার বাবা দিলীপকুমার কেস প্রাইভেট শিক্ষক ও মা অঙ্গনওয়ারী কর্মী। মাধ্যমিকে সাফল্য লাভ করায় এদিন তাকে সম্বর্ধনা দিতে যান গলসি চক্রের এস আই জয়ন্ত ঢালি। তিনি বলেন, খুব ভাল লাগল যে আমার এলাকার স্কুলের একটি মেয়ে মাধ্যমিকে রাজ্যের পঞ্চম হয়েছে। আগে উচ্চ শিক্ষার জন্য আমরা তাকে সবরকম সহযোগিতার করবো। তিনি বলেন, গ্রাম অঞ্চলের মেয়েরাও যে পিছিয়ে নেই এটাই তার উদাহরণ। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাসুদেব চক্রবর্তী বলেন, নম্বরে ভিত্তিতে সিলেকশন হওয়ায় আমি আশাবাদী ছিলাম, জয়শ্রী একটা কিছু করবে। কারন জয়শ্রী বরাবরই পড়াশোনায় ভাল ছিল। পঞ্চম শ্রেনী থেকেই সে আমাদের স্কুলে প্রথম স্থান দখল করে এসেছে। তাছাড়া খেলাধুলোতে তার ভাল উৎসাহ ছিল। লিখিত পরীক্ষা হলেও জয়শ্রী ভাল ফল করতো। ওর উপর আমাদের যে আশা ছিল ও সেটা করে দেখিয়েছে। আমরা স্কুলের পক্ষ থেকে ওর আগামীর সাফল্য কামনা করছি। জয়শ্রী কেশ জানিয়েছে, সে ওয়ান থেকেই গলসির বেলগ্রামে মামার বাড়িতে পড়াশোনা করছে। এবার বিজ্ঞান নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পড়াশোনা করবে। বড় হয়ে তার মাস্টার কিম্বা ডাক্তার হওয়ায় স্বপ্ন আছে।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মাধ্যমিকে পঞ্চম স্থান দখল করলো গলসির সাঁকো চন্দ্রশেখর স্কুলের ছাত্রী

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, শনিবার

আজিজুর রহমান : মাধ্যমিকে পঞ্চম স্থান দখল করলো গলসি সাঁকো চন্দ্রশেখর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী জয়শ্রী কেশ। মাধ্যমিকে ৬৯৩ নম্বর পেয়েছে। ছোট থেকেই গলসি থানার বেলগ্রামে মামার বাড়ি থেকে পড়াশোনা করতো। তার আসল বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার নিগন এলাকার কুঁন্দো গ্রামে। তার বাবা দিলীপকুমার কেস প্রাইভেট শিক্ষক ও মা অঙ্গনওয়ারী কর্মী। মাধ্যমিকে সাফল্য লাভ করায় এদিন তাকে সম্বর্ধনা দিতে যান গলসি চক্রের এস আই জয়ন্ত ঢালি। তিনি বলেন, খুব ভাল লাগল যে আমার এলাকার স্কুলের একটি মেয়ে মাধ্যমিকে রাজ্যের পঞ্চম হয়েছে। আগে উচ্চ শিক্ষার জন্য আমরা তাকে সবরকম সহযোগিতার করবো। তিনি বলেন, গ্রাম অঞ্চলের মেয়েরাও যে পিছিয়ে নেই এটাই তার উদাহরণ। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাসুদেব চক্রবর্তী বলেন, নম্বরে ভিত্তিতে সিলেকশন হওয়ায় আমি আশাবাদী ছিলাম, জয়শ্রী একটা কিছু করবে। কারন জয়শ্রী বরাবরই পড়াশোনায় ভাল ছিল। পঞ্চম শ্রেনী থেকেই সে আমাদের স্কুলে প্রথম স্থান দখল করে এসেছে। তাছাড়া খেলাধুলোতে তার ভাল উৎসাহ ছিল। লিখিত পরীক্ষা হলেও জয়শ্রী ভাল ফল করতো। ওর উপর আমাদের যে আশা ছিল ও সেটা করে দেখিয়েছে। আমরা স্কুলের পক্ষ থেকে ওর আগামীর সাফল্য কামনা করছি। জয়শ্রী কেশ জানিয়েছে, সে ওয়ান থেকেই গলসির বেলগ্রামে মামার বাড়িতে পড়াশোনা করছে। এবার বিজ্ঞান নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পড়াশোনা করবে। বড় হয়ে তার মাস্টার কিম্বা ডাক্তার হওয়ায় স্বপ্ন আছে।