২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

মাধ্যমিক ও হাই মাদ্রাসার পর উচ্চ মাধ্যমিকে ও ভালো ফলাফল মামূন ন্যাশনাল স্কুলের

নিজস্ব সংবাদদাতা : মাধ্যমিক ও হাই মাদ্রাসায় চমকপ্রদ ফলাফলের পর উচ্চমাধ্যমিকেও ভালো ফলাফল করল মামূন ন্যাশনালের ছাত্রছাত্রীরা। মাধ্যমিকে ৬৭৭ নম্বর পেয়ে রাজ্যে ১৬ তম স্থান অর্জন করে পানাগড় বালিকা শাখার ছাত্রী সুহানা মোল্লা। অপরদিকে হাই মাদ্রাসা পরীক্ষায় ৭৫৫ নম্বর পেয়ে রাজ্যে ১৪ তম স্থান দখল করে নেয় মেমারি বালক শাখার ছাত্র কোরানে হাফেজ আফলাউদ্দিন লস্কর। এবছর বিজ্ঞান ও কলা বিভাগ মিলে এই বিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বসে মোট ২০৭ জন (বিজ্ঞান বিভাগ ১৯৮ জন, কলা বিভাগ ৯ জন) এদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পায় পানাগড় বালিকা শাখার ছাত্রী সেলিমা খাতুন। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৫৬ (৯১.২%)। পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি থানার মেলনা গ্রামে তার বাড়ি। পিতা সেখ মহম্মদ মুস্তাফা, তিনি পেশায় সিকিউরিটি গার্ড। বিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে যথাক্রমে সুহানা খাতুন (৪৫১) ও সোনালী খাতুন (৪৫০)। সুহানা এবং সোনালী একই শাখার ছাত্রী। সুহানার বাড়ি বাঁকুড়া জেলার বড়জোড়ায়। পিতা সিরাজুল মোল্লা সেনা বিভাগের একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। সুহানা পঞ্চম শ্রেণি থেকে এই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছে। সোনালী একজন পিতৃহীনা ছাত্রী। বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার বুদবুদ থানার অন্তর্গত শ্যামসুন্দরপুর গ্রামে। সেও এই বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি থেকে পড়াশোনা করছে। বাকি ছাত্রছাত্রীরাও কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মাধ্যমিক ও হাই মাদ্রাসার পর উচ্চ মাধ্যমিকে ও ভালো ফলাফল মামূন ন্যাশনাল স্কুলের

আপডেট : ২৪ মে ২০২৩, বুধবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : মাধ্যমিক ও হাই মাদ্রাসায় চমকপ্রদ ফলাফলের পর উচ্চমাধ্যমিকেও ভালো ফলাফল করল মামূন ন্যাশনালের ছাত্রছাত্রীরা। মাধ্যমিকে ৬৭৭ নম্বর পেয়ে রাজ্যে ১৬ তম স্থান অর্জন করে পানাগড় বালিকা শাখার ছাত্রী সুহানা মোল্লা। অপরদিকে হাই মাদ্রাসা পরীক্ষায় ৭৫৫ নম্বর পেয়ে রাজ্যে ১৪ তম স্থান দখল করে নেয় মেমারি বালক শাখার ছাত্র কোরানে হাফেজ আফলাউদ্দিন লস্কর। এবছর বিজ্ঞান ও কলা বিভাগ মিলে এই বিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বসে মোট ২০৭ জন (বিজ্ঞান বিভাগ ১৯৮ জন, কলা বিভাগ ৯ জন) এদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পায় পানাগড় বালিকা শাখার ছাত্রী সেলিমা খাতুন। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৫৬ (৯১.২%)। পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি থানার মেলনা গ্রামে তার বাড়ি। পিতা সেখ মহম্মদ মুস্তাফা, তিনি পেশায় সিকিউরিটি গার্ড। বিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে যথাক্রমে সুহানা খাতুন (৪৫১) ও সোনালী খাতুন (৪৫০)। সুহানা এবং সোনালী একই শাখার ছাত্রী। সুহানার বাড়ি বাঁকুড়া জেলার বড়জোড়ায়। পিতা সিরাজুল মোল্লা সেনা বিভাগের একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। সুহানা পঞ্চম শ্রেণি থেকে এই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছে। সোনালী একজন পিতৃহীনা ছাত্রী। বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার বুদবুদ থানার অন্তর্গত শ্যামসুন্দরপুর গ্রামে। সেও এই বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি থেকে পড়াশোনা করছে। বাকি ছাত্রছাত্রীরাও কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে।