২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

জেলা জুড়ে আইনী সহায়তা ডিষ্ট্রিক লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটির

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার
  • 6

নিজস্ব সংবাদদাতা, সিউড়ী: সাধারন মানুষের দরজায় আইনী পরিষেবা পৌছে দিতে অভিনব উদ্যোগ নিলো বীরভূম ডিষ্ট্রিক লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটি। শুক্রবার জেলার সিউড়ী, মহম্মদবাজার, রামপুরহাট, মহম্মদবাজার, ইলামবাজার, লাভপুর, দুবরাজপুর সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে পঞ্চায়েত ও গ্রাম স্তরে অথরিটির আইনী সহায়করা আইনী সচেতনতা শিবির করেন। সেখানে অন-ষ্পট সাধারন মানুষের নানাবিধ সমস্যা লিপিবদ্ধ করে সমাধান করা হয়। যে সমস্যা অন-ষ্পট সমাধান করা হয় নি তা প্রয়োজন মতো সমাধান করা হবে বলে জানান পার্শ্ব আইনী সহায়করা।

এদিন নজিরবিহীন ভাবে অথরিটির সচিব – বিচারক দেবজ্যোতি মুখোপাধ্যায় ভার্চুয়াল ইন্টারএ্যকশন করেন। যেখানে জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষ সরাসরি বিচারক মহাশয়ের সঙ্গে ভার্চুয়াল ইন্টারএ্যাকশন করেন। মানুষের সমস্যা শোনার পর অন-ষ্পট সমাধান করেন বিচারক। যে সব অভিডোগ সমাধান করা যায় নি তা অথরিটির অফিস মারফৎ সমস্যা সমাধান করার কথাও জানান। এছাড়াও ন্যাশনাল ও স্টেট লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটির থিম সং, বিভিন্ন অডিও-ভিডিও বার্তা বিচার বিভাগের চেতনা-সাথী ট্যাবলোর সাধ্যমে অন-স্ক্রীন দেখিয়ে সচেতন করা হয়। বিচারক দেবজ্যোতি মুখোপাধ্যায় বলেন, এদিন ন্যাশনাল লিগাল সার্ভিসেস অথরিটি ছত্রছায়াই ও স্টেট লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটির নির্দেশে বীরভূম ডিষ্ট্রিক লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটি এই কর্মসূচি সারা জেলা জুড়ে পালন করে। নজিরবিহীন ভাবে এদিন বিচারক ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে গ্রামাঞ্চলের সাধারন মানুষের অভিযোগ সরাসরি শোনেন ও সমাধান করেন।

সর্বাধিক পাঠিত

ডাকাতির আগেই পুলিশের জালে ডাকাত দল ৷ হরিশ্চন্দ্রপুরের বটতলা থেকে ধৃত চার ডাকাত নতুন গতি প্রতিবেদন,হরিশ্চন্দ্রপুর,৮ ডিসেম্বর: ডাকাতির আগেই পুলিশের জালে ডাকাত দল ৷ হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ভিঙ্গল জিপির বটতলা এলাকা থেকে ধারালো অস্ত্র-সহ ধৃত চার ডাকাত ।ভেস্তে গেল ডাকাতির ছক ৷ গোপনসূত্রে পুলিশ জানতে পারে, হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় বেশ কয়েক দিন ধরে কিছু অজ্ঞাতপরিচয় লোকজনের আসা যাওয়া লেগে রয়েছে ৷সেইমত পুলিশ এলাকায় ফাঁদ পাতলে শনিবার গভীর রাতে চাচল গামি ৮১ নং জাতীয় সড়কের ধারে ইটভাটার নিকটে হাতেনাতে ধরে ফেলে চার ডাকাতকে ৷ বাকি আরও বেশ কয়েক জন পালায় । ধৃতদের নাম নুর আলম (২১), জানারুল হক (২১), নাসিম আক্তার (২০) ও মহম্মদ শরীফ (৩৬)।ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি তরবারি, সাবল ও টর্চ লাইট পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বড়োসড়ো ডাকাতি করার উদ্দেশ্যেই এদিন তারা ঘটনাস্থলে জড়ো হচ্ছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দলের ৪ জনকে ধরে ফেলে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। জানা যায় ৪ জনের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকার বিভিন্ন এলাকায়। নুর আলম ও জানারুল হকের বাড়ি কড়িয়ালি এলাকার সোনাপুর গ্রামে। নাসিম আক্তারের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুরের নিউ সাদলী চক এলাকায়। মহম্মদ শরিফের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুরের হলদিবাড়ি এলাকায়।ধৃতদের আজ চাচোল মহাকুমা আদালতে তোলা হয়।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জেলা জুড়ে আইনী সহায়তা ডিষ্ট্রিক লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটির

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, সিউড়ী: সাধারন মানুষের দরজায় আইনী পরিষেবা পৌছে দিতে অভিনব উদ্যোগ নিলো বীরভূম ডিষ্ট্রিক লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটি। শুক্রবার জেলার সিউড়ী, মহম্মদবাজার, রামপুরহাট, মহম্মদবাজার, ইলামবাজার, লাভপুর, দুবরাজপুর সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে পঞ্চায়েত ও গ্রাম স্তরে অথরিটির আইনী সহায়করা আইনী সচেতনতা শিবির করেন। সেখানে অন-ষ্পট সাধারন মানুষের নানাবিধ সমস্যা লিপিবদ্ধ করে সমাধান করা হয়। যে সমস্যা অন-ষ্পট সমাধান করা হয় নি তা প্রয়োজন মতো সমাধান করা হবে বলে জানান পার্শ্ব আইনী সহায়করা।

এদিন নজিরবিহীন ভাবে অথরিটির সচিব – বিচারক দেবজ্যোতি মুখোপাধ্যায় ভার্চুয়াল ইন্টারএ্যকশন করেন। যেখানে জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষ সরাসরি বিচারক মহাশয়ের সঙ্গে ভার্চুয়াল ইন্টারএ্যাকশন করেন। মানুষের সমস্যা শোনার পর অন-ষ্পট সমাধান করেন বিচারক। যে সব অভিডোগ সমাধান করা যায় নি তা অথরিটির অফিস মারফৎ সমস্যা সমাধান করার কথাও জানান। এছাড়াও ন্যাশনাল ও স্টেট লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটির থিম সং, বিভিন্ন অডিও-ভিডিও বার্তা বিচার বিভাগের চেতনা-সাথী ট্যাবলোর সাধ্যমে অন-স্ক্রীন দেখিয়ে সচেতন করা হয়। বিচারক দেবজ্যোতি মুখোপাধ্যায় বলেন, এদিন ন্যাশনাল লিগাল সার্ভিসেস অথরিটি ছত্রছায়াই ও স্টেট লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটির নির্দেশে বীরভূম ডিষ্ট্রিক লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটি এই কর্মসূচি সারা জেলা জুড়ে পালন করে। নজিরবিহীন ভাবে এদিন বিচারক ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে গ্রামাঞ্চলের সাধারন মানুষের অভিযোগ সরাসরি শোনেন ও সমাধান করেন।