২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে মেদিনীপুরে বামপন্থীদের পথ অবরোধ

নিজস্ব সংবাদদাতা, নতুন গতি, মেদিনীপুর: দেশ জুড়ে চলা কৃষক অসন্তোষের মধ্যেই বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র সরকার প্রণীত নতুন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে এবং দিল্লির কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে সারা দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর শহরের কেরানীটোলার চৌরাস্তা মোড়ে পথ অবরোধ করলো বামপন্থী দলগুলো। এদিন সকাল ১১টার পর পথ অবরোধ শুরু হয় এবং প্রায় আধ ঘন্টা ধরে চলে এই অবরোধ। অবরোধ চলাকালীন কেন্দ্রের কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে ও কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে মুহুর্মুহু শ্লোগান দিতে থাকেন বাম কর্মী সমর্থকরা। অবরোধের শেষলগ্নে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের কুশপুতুল দাহ করেন অবরোধকারীরা।

উপস্থিত থেকে এদিনের কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন কীর্তি দে বক্সী, সুকুমার আচার্য, সারদা চক্রবর্তী, রথীন সরকার, গিয়াসউদ্দিন সহ অন্যান্য বাম নেতৃত্ব। অবরোধের ক্ষেত্রে চিকিৎসার মতো জরুরি প্রয়োজনে বেরোনো মানুষ এবং অ্যাম্বুল্যান্সকে ছাড় দেওয়া হয়। অবরোধে শেষে যান চলাচলের সুবিধার্থে বেশ কিছুক্ষণ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে হাত লাগান বামকর্মী সমর্থকরা।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে মেদিনীপুরে বামপন্থীদের পথ অবরোধ

আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০২০, সোমবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, নতুন গতি, মেদিনীপুর: দেশ জুড়ে চলা কৃষক অসন্তোষের মধ্যেই বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র সরকার প্রণীত নতুন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে এবং দিল্লির কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে সারা দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর শহরের কেরানীটোলার চৌরাস্তা মোড়ে পথ অবরোধ করলো বামপন্থী দলগুলো। এদিন সকাল ১১টার পর পথ অবরোধ শুরু হয় এবং প্রায় আধ ঘন্টা ধরে চলে এই অবরোধ। অবরোধ চলাকালীন কেন্দ্রের কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে ও কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে মুহুর্মুহু শ্লোগান দিতে থাকেন বাম কর্মী সমর্থকরা। অবরোধের শেষলগ্নে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের কুশপুতুল দাহ করেন অবরোধকারীরা।

উপস্থিত থেকে এদিনের কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন কীর্তি দে বক্সী, সুকুমার আচার্য, সারদা চক্রবর্তী, রথীন সরকার, গিয়াসউদ্দিন সহ অন্যান্য বাম নেতৃত্ব। অবরোধের ক্ষেত্রে চিকিৎসার মতো জরুরি প্রয়োজনে বেরোনো মানুষ এবং অ্যাম্বুল্যান্সকে ছাড় দেওয়া হয়। অবরোধে শেষে যান চলাচলের সুবিধার্থে বেশ কিছুক্ষণ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে হাত লাগান বামকর্মী সমর্থকরা।