১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

কৃষিকাজে ৭০০ শ্রমিককে অন্নসেবা করা হয়।

সেখ সামসুদ্দিন : পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি থানার পূণ‍্যগ্রামে ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত শ্রীকৃষ্ণানন্দ মিশনের উদ‍্যোগে দেবীপুর অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামে অন‍্য জেলা থেকে কৃষিকাজে আসা ৭০০ শ্রমিককে অন্নসেবা করা হয়। মহারাজ কৃষ্ণানন্দ বাল‍্য ব্রহ্মচারী জানান এই আশ্রমে নিয়মিত প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ২২ জনকে বিনাপারিশ্রমে পাঠ দেওয়া হয়, যার মধ্যে পাঁচজনই দেবীপুর উচ্চ বিদ‍্যালয়ের ফাস্টবয়। বছরে চক্ষু দান শিবির, শীতবস্ত্র প্রদান এবং চৈত্রমাসে বাসন্তী পুজো উপলক্ষ্যে ও বস্ত্রদান করা হয়। এবছর করোনা মোকাবেলায় সমস্ত উৎসব বাতিল করা হয়েছে। এছাড়াও চার থেকে পাঁচ হাজার মানুষের সমাগমে একটা বড় অনুষ্ঠান হয়। এখানে কোনো সরকারি সহায়তা নেই। মহারাজের সহকারী সনৎ ব্রহ্মচারী বলেন একটি আকবরী মুদ্রা সংরক্ষণ রাখা হয়েছে। এখানে উপস্থিত ছিলেন আইসিডিএস দিদিমণি, কর্মী, পঞ্চায়েত সমিতির সদস‍্য আব্দুল হাকিম সহ ভক্ত মা ও পুরুষেরা। আব্দুল হাকিম বলেন আশ্রমে বিদ‍্যুৎায়ন করেছেন এবং রাস্তারও অর্ডার হয়ে আছে, লকডাউনে অর্থ না আসায় আটকে আছে। এদিন দুইটি ম‍্যাটাডোর গাড়িতে রান্না করা খাবার ভাত, ডাল, সবজি ও চাটনি নিয়ে বিভিন্ন গ্রামে শ্রমিকদের বিতরণের উদ্দেশ্যে মহারাজ সহ ভক্তরা বেরিয়ে পড়েন। দেবীপুর অঞ্চলের পুন‍্যগ‍্রাম, বাগগড়িয়া, ধামাস, তাহেরপুর, নলসাড়া, গোবিন্দপুর, ছিলিন্দা, পূর্ব কাশীয়ারা, চৌপিড়া, ডাঙা পাড়া, দেবীপুর, পলতা, ইছাবাছা সহ বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া থেকে আসা চাষের কাজের ৭০০ শ্রমিককের মধ্যে অন্নভোগ দেওয়া হয়।
অপরদিকে পাশের বাগিলা গ্রামে ১৩৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হরিহর আশ্রমে থাকা দুই পুরোহিতের সাহায্যে এগিয়ে আসে গ্রামবাসী। বর্তমানের পরিচালক দয়াল গোস্বামী। বর্তমানে লকডাউনে বাইরে থেকে ভক্তরা আসতে না পারায় খাদ‍্য সংকটে থাকা পুরোহিতদের পাশে দাঁড়াল গ্রামবাসী। পঞ্চায়েত সদস্য প্রলয় পাল, রাজেশ কুমার, শঙ্কর পাল, সুদীপ কৈবর্ত‍্য, অনুপ দাস, অমিত মন্ডল প্রমুখ গ্রামবাসীবৃন্দ ১৫কেজি চাল, ১০ কেজি আলু, মাস্ক, স‍্যানিটাইজার পুরোহিতদের হাতে তুলে দেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনে তারা আছেন এবং আরো দেবেন বলে আসেন।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কৃষিকাজে ৭০০ শ্রমিককে অন্নসেবা করা হয়।

আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২০, রবিবার

সেখ সামসুদ্দিন : পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি থানার পূণ‍্যগ্রামে ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত শ্রীকৃষ্ণানন্দ মিশনের উদ‍্যোগে দেবীপুর অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামে অন‍্য জেলা থেকে কৃষিকাজে আসা ৭০০ শ্রমিককে অন্নসেবা করা হয়। মহারাজ কৃষ্ণানন্দ বাল‍্য ব্রহ্মচারী জানান এই আশ্রমে নিয়মিত প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ২২ জনকে বিনাপারিশ্রমে পাঠ দেওয়া হয়, যার মধ্যে পাঁচজনই দেবীপুর উচ্চ বিদ‍্যালয়ের ফাস্টবয়। বছরে চক্ষু দান শিবির, শীতবস্ত্র প্রদান এবং চৈত্রমাসে বাসন্তী পুজো উপলক্ষ্যে ও বস্ত্রদান করা হয়। এবছর করোনা মোকাবেলায় সমস্ত উৎসব বাতিল করা হয়েছে। এছাড়াও চার থেকে পাঁচ হাজার মানুষের সমাগমে একটা বড় অনুষ্ঠান হয়। এখানে কোনো সরকারি সহায়তা নেই। মহারাজের সহকারী সনৎ ব্রহ্মচারী বলেন একটি আকবরী মুদ্রা সংরক্ষণ রাখা হয়েছে। এখানে উপস্থিত ছিলেন আইসিডিএস দিদিমণি, কর্মী, পঞ্চায়েত সমিতির সদস‍্য আব্দুল হাকিম সহ ভক্ত মা ও পুরুষেরা। আব্দুল হাকিম বলেন আশ্রমে বিদ‍্যুৎায়ন করেছেন এবং রাস্তারও অর্ডার হয়ে আছে, লকডাউনে অর্থ না আসায় আটকে আছে। এদিন দুইটি ম‍্যাটাডোর গাড়িতে রান্না করা খাবার ভাত, ডাল, সবজি ও চাটনি নিয়ে বিভিন্ন গ্রামে শ্রমিকদের বিতরণের উদ্দেশ্যে মহারাজ সহ ভক্তরা বেরিয়ে পড়েন। দেবীপুর অঞ্চলের পুন‍্যগ‍্রাম, বাগগড়িয়া, ধামাস, তাহেরপুর, নলসাড়া, গোবিন্দপুর, ছিলিন্দা, পূর্ব কাশীয়ারা, চৌপিড়া, ডাঙা পাড়া, দেবীপুর, পলতা, ইছাবাছা সহ বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া থেকে আসা চাষের কাজের ৭০০ শ্রমিককের মধ্যে অন্নভোগ দেওয়া হয়।
অপরদিকে পাশের বাগিলা গ্রামে ১৩৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হরিহর আশ্রমে থাকা দুই পুরোহিতের সাহায্যে এগিয়ে আসে গ্রামবাসী। বর্তমানের পরিচালক দয়াল গোস্বামী। বর্তমানে লকডাউনে বাইরে থেকে ভক্তরা আসতে না পারায় খাদ‍্য সংকটে থাকা পুরোহিতদের পাশে দাঁড়াল গ্রামবাসী। পঞ্চায়েত সদস্য প্রলয় পাল, রাজেশ কুমার, শঙ্কর পাল, সুদীপ কৈবর্ত‍্য, অনুপ দাস, অমিত মন্ডল প্রমুখ গ্রামবাসীবৃন্দ ১৫কেজি চাল, ১০ কেজি আলু, মাস্ক, স‍্যানিটাইজার পুরোহিতদের হাতে তুলে দেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনে তারা আছেন এবং আরো দেবেন বলে আসেন।