২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

কুখ্যাত কাঠুয়া নাবালিকা গণধর্ষণ ও হত্যা কান্ডে সাত অভিযুক্তের ছয় দোষী সাব্যস্ত

সাইফুদ্দিন মল্লিক : বহু বিতর্কে ও টানাপোড়েন পর সাত কাঠুয়াকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত ছয়, সাত  অভিযুক্তদের মধ্যে ৷ নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ছিল এবং এই ঘটনা নিয়ে ভারতে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। ঘটনার  ১৭ মাস পরে রায়দান পাঠানকোর্টের বিশেষ আদালতের। গত বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালের ১০ জানুয়ারি এই ঘৃণ্য ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে ৷ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই এই মামলা পাঠানকোর্টে পাঠানো হয়েছিল।

৮ বছরের এক নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উটেছিল ৷ ঘটনায় সারা দেশ তোলপাড় হয়েছিল ৷ ৭ অভিযুক্তের মধ্যে ৬ জন ই দোষী সাব্যস্ত, বাকি একজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলার শুনানি চলছে ৷ আজ দুপুর ২টোর পরে সাজা ঘোষণা করা  হবে বলে যানা গেছে। এরই মাঝে পাঠানকোর্টের সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে ৷ রায় দান পরবর্তীতে গন্ডগোল, হিংসার ঘটনা হতে পারে। কারন অভিযুক্তরা সকলেই বিজেপি আশ্রিত। অভিযুক্তরা নির্দোষ বলে বিজেপির পাটি কয়েকবার প্রতিবাদ মিছিল করে এবং এক বিজেপির মন্ত্রী প্রতিবাদ মিছিলে অংশগ্রহন করেন।

সকল দেশবাসীর সাথে সাথে আশিফার মাতাপিতাও ফাঁসির সাজা হোক এটার আশা করছেন। শিশু ধর্ষণ, গণধর্ষণ এবং হত্যা রুখতে জর্জ সাহেবরা কতটুকু বাস্তব ও মানবিক হতে পারেন।

 

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কুখ্যাত কাঠুয়া নাবালিকা গণধর্ষণ ও হত্যা কান্ডে সাত অভিযুক্তের ছয় দোষী সাব্যস্ত

আপডেট : ১০ জুন ২০১৯, সোমবার

সাইফুদ্দিন মল্লিক : বহু বিতর্কে ও টানাপোড়েন পর সাত কাঠুয়াকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত ছয়, সাত  অভিযুক্তদের মধ্যে ৷ নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ছিল এবং এই ঘটনা নিয়ে ভারতে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। ঘটনার  ১৭ মাস পরে রায়দান পাঠানকোর্টের বিশেষ আদালতের। গত বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালের ১০ জানুয়ারি এই ঘৃণ্য ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে ৷ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই এই মামলা পাঠানকোর্টে পাঠানো হয়েছিল।

৮ বছরের এক নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উটেছিল ৷ ঘটনায় সারা দেশ তোলপাড় হয়েছিল ৷ ৭ অভিযুক্তের মধ্যে ৬ জন ই দোষী সাব্যস্ত, বাকি একজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলার শুনানি চলছে ৷ আজ দুপুর ২টোর পরে সাজা ঘোষণা করা  হবে বলে যানা গেছে। এরই মাঝে পাঠানকোর্টের সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে ৷ রায় দান পরবর্তীতে গন্ডগোল, হিংসার ঘটনা হতে পারে। কারন অভিযুক্তরা সকলেই বিজেপি আশ্রিত। অভিযুক্তরা নির্দোষ বলে বিজেপির পাটি কয়েকবার প্রতিবাদ মিছিল করে এবং এক বিজেপির মন্ত্রী প্রতিবাদ মিছিলে অংশগ্রহন করেন।

সকল দেশবাসীর সাথে সাথে আশিফার মাতাপিতাও ফাঁসির সাজা হোক এটার আশা করছেন। শিশু ধর্ষণ, গণধর্ষণ এবং হত্যা রুখতে জর্জ সাহেবরা কতটুকু বাস্তব ও মানবিক হতে পারেন।