২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

লকডাউন এ বেহাল অবস্থায় পাট শ্রমিকেরা, শাসক দলের নেতাদের উপর বৈষম্যের অভিযোগ।

নতুন গতি নিউজডেস্ক: দীর্ঘদিন লকডাউন এর জেরে কাজ হারা হয়ে বসে আছেন এলাকার প্রায় কয়েকশ পাট শ্রমিক। মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার বিভিন্ন পাট গলার শ্রমিক হিসেবে নিযুক্ত আছে। কিন্তু লকডাউন এর জেরে চরম সমস্যায় দিন কাটাচ্ছেন তারা। গোলাগুলিতে কোন কাজ চলছে না। তাই বন্ধ হয়ে গিয়েছে আর্থিক ইনকাম। তাদের অভিযোগ পাট গোলার মালিক থেকে শুরু করে স্থানীয় শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা তাদের দিকে চোখ তুলে তাকাচ্ছে না। এই নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন শাসক দলেরই শ্রমিক ইউনিয়নের একাংশ। জুট শ্রমিক ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট জাকির হোসেন জানালেন এই থানা এলাকায় প্রায় শ’পাঁচেক জুট শ্রমিক রয়েছে। অসংগঠিত ক্ষেত্রে লকডাউন এর ফলে তারা চরম অসুবিধায় পড়েছে। সরকার থেকে রেশন মিলছে। তা দিয়ে তো আর সব সমস্যা মিটে না। আমাদের রোজগার একদম নেই বললেই চলে। চিকিৎসা খরচ যোগাতে পারছিনা। এই নিয়ে স্থানীয় ভিডিও সাহেব কে পিটিশন দিয়েছি। দলের নেতাদের সঙ্গেও এ ব্যাপারে আলোচনা করেছি। কিন্তু কারো কোন এ বিষয়ে ভ্রুক্ষেপ নেই। হেলদোল নেই কোথাও। এই অবস্থা চলতে থাকলে আমরা আগামীতে ধরনায় বসব। শাসক দলের নেতারাও আমাদেরকে এখন এড়িয়ে চলছেন। এতে সার্বিকভাবে দলের ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। এই শ্রমিকরা বরাবর শাসক দলের সমর্থক। দুরবস্থা সময় আমরাই নেতৃত্বকে পাশে পাচ্ছিনা।


এদিকে জুট মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি গোপাল ভগৎ জানান আমরা আমাদের ইউনিয়নের পক্ষ থেকে প্রত্যেক গলায় কাজ করা শ্রমিকদের যথাসাধ্য অর্থ সাহায্য করেছি এবং কিছুটা খাবার সামগ্রী তুলে দিয়েছি আগামীতেও করব।শাসকদলের শ্রমিক ইউনিয়নের ক্ষোভের প্রকাশ ঘটলো এর কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি ব্লক তৃণমূল নেতৃত্বের কাছ থেকে।

https://youtu.be/OCoX9rA-Pv4

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

লকডাউন এ বেহাল অবস্থায় পাট শ্রমিকেরা, শাসক দলের নেতাদের উপর বৈষম্যের অভিযোগ।

আপডেট : ৬ মে ২০২০, বুধবার

নতুন গতি নিউজডেস্ক: দীর্ঘদিন লকডাউন এর জেরে কাজ হারা হয়ে বসে আছেন এলাকার প্রায় কয়েকশ পাট শ্রমিক। মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার বিভিন্ন পাট গলার শ্রমিক হিসেবে নিযুক্ত আছে। কিন্তু লকডাউন এর জেরে চরম সমস্যায় দিন কাটাচ্ছেন তারা। গোলাগুলিতে কোন কাজ চলছে না। তাই বন্ধ হয়ে গিয়েছে আর্থিক ইনকাম। তাদের অভিযোগ পাট গোলার মালিক থেকে শুরু করে স্থানীয় শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা তাদের দিকে চোখ তুলে তাকাচ্ছে না। এই নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন শাসক দলেরই শ্রমিক ইউনিয়নের একাংশ। জুট শ্রমিক ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট জাকির হোসেন জানালেন এই থানা এলাকায় প্রায় শ’পাঁচেক জুট শ্রমিক রয়েছে। অসংগঠিত ক্ষেত্রে লকডাউন এর ফলে তারা চরম অসুবিধায় পড়েছে। সরকার থেকে রেশন মিলছে। তা দিয়ে তো আর সব সমস্যা মিটে না। আমাদের রোজগার একদম নেই বললেই চলে। চিকিৎসা খরচ যোগাতে পারছিনা। এই নিয়ে স্থানীয় ভিডিও সাহেব কে পিটিশন দিয়েছি। দলের নেতাদের সঙ্গেও এ ব্যাপারে আলোচনা করেছি। কিন্তু কারো কোন এ বিষয়ে ভ্রুক্ষেপ নেই। হেলদোল নেই কোথাও। এই অবস্থা চলতে থাকলে আমরা আগামীতে ধরনায় বসব। শাসক দলের নেতারাও আমাদেরকে এখন এড়িয়ে চলছেন। এতে সার্বিকভাবে দলের ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। এই শ্রমিকরা বরাবর শাসক দলের সমর্থক। দুরবস্থা সময় আমরাই নেতৃত্বকে পাশে পাচ্ছিনা।


এদিকে জুট মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি গোপাল ভগৎ জানান আমরা আমাদের ইউনিয়নের পক্ষ থেকে প্রত্যেক গলায় কাজ করা শ্রমিকদের যথাসাধ্য অর্থ সাহায্য করেছি এবং কিছুটা খাবার সামগ্রী তুলে দিয়েছি আগামীতেও করব।শাসকদলের শ্রমিক ইউনিয়নের ক্ষোভের প্রকাশ ঘটলো এর কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি ব্লক তৃণমূল নেতৃত্বের কাছ থেকে।

https://youtu.be/OCoX9rA-Pv4