২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

জয়েন্টে ফার্স্ট সোহম- খুসি নন বাবা

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: ছেলে জয়েন্ট এন্ট্রান্সে প্রথম। এ খবরে কোন বাবা-ই না খুশি হয়ে থাকতে পারেন! মিডিয়ার টানাটানি, পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়দের ফোনে, দূরদূরান্ত থেকে উড়ে আসা প্রশংসায় বাবা হিসাবে গর্বে আত্মহারা হওয়াই তো স্বাভাবিক। কিন্তু ২০১৯ সালের জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় প্রথম স্থানাধিকারী সোহম মিস্ত্রীর বাবার কথা একেবারেই ভিন্ন।

জয়েন্টের ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর সোহমের বাবা পঙ্কজ মিস্ত্রিকে সংবাদ মাদ্ধমের তরফ থেকে যোগাযোগ করে অভিনন্দন জানানো হলে তিনি বলেন, “এ ফলে খুশি নই”। কিন্তু কেন? ফোনের ওপার থেকে পঙ্কজবাবু বললেন, “প্রত্যেক বছরই কেউ না কেউ ফাস্ট সেকেন্ড থার্ড হয়, যুগ যুগ ধরেই এমনটা ঘটে আসছে। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই তাদের মানুষ ভুলেও যায়। আমি চাই এরপর সোহম সমাজের জন্য কিছু করুক। তবেই আমি একজন বাবা হিসাবে গর্ববোধ করব”।

সোহমের বাবা আরও বললেন, ‘ছোট থেকেই ছেলেকে আমি এরকম ভাবেই বড় করেছি। ওকে বুঝিয়েছি সমাজের জন্য কিছু করো। আজ সোহম যখন তার ফলাফলের কথা জানায়, আমি ওর পিঠ চাপড়েছি, কিন্তু পাশাপাশি মানুষের জন্য কিছু করার কথা আজকের দিনে আরও একবার ওকে মনে করিয়ে দিয়েছি”।

“সোহম ছোট থেকেই যে মেধাবী ছিল এমনটা নয়। ক্লাস এইট থেকে ওর মধ্যে বদল দেখি। বইতে মুখ গুজে সারাদিন পড়ে যাওয়ার মত ছাত্র নয় সোহম।”

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জয়েন্টে ফার্স্ট সোহম- খুসি নন বাবা

আপডেট : ২২ জুন ২০১৯, শনিবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: ছেলে জয়েন্ট এন্ট্রান্সে প্রথম। এ খবরে কোন বাবা-ই না খুশি হয়ে থাকতে পারেন! মিডিয়ার টানাটানি, পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়দের ফোনে, দূরদূরান্ত থেকে উড়ে আসা প্রশংসায় বাবা হিসাবে গর্বে আত্মহারা হওয়াই তো স্বাভাবিক। কিন্তু ২০১৯ সালের জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় প্রথম স্থানাধিকারী সোহম মিস্ত্রীর বাবার কথা একেবারেই ভিন্ন।

জয়েন্টের ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর সোহমের বাবা পঙ্কজ মিস্ত্রিকে সংবাদ মাদ্ধমের তরফ থেকে যোগাযোগ করে অভিনন্দন জানানো হলে তিনি বলেন, “এ ফলে খুশি নই”। কিন্তু কেন? ফোনের ওপার থেকে পঙ্কজবাবু বললেন, “প্রত্যেক বছরই কেউ না কেউ ফাস্ট সেকেন্ড থার্ড হয়, যুগ যুগ ধরেই এমনটা ঘটে আসছে। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই তাদের মানুষ ভুলেও যায়। আমি চাই এরপর সোহম সমাজের জন্য কিছু করুক। তবেই আমি একজন বাবা হিসাবে গর্ববোধ করব”।

সোহমের বাবা আরও বললেন, ‘ছোট থেকেই ছেলেকে আমি এরকম ভাবেই বড় করেছি। ওকে বুঝিয়েছি সমাজের জন্য কিছু করো। আজ সোহম যখন তার ফলাফলের কথা জানায়, আমি ওর পিঠ চাপড়েছি, কিন্তু পাশাপাশি মানুষের জন্য কিছু করার কথা আজকের দিনে আরও একবার ওকে মনে করিয়ে দিয়েছি”।

“সোহম ছোট থেকেই যে মেধাবী ছিল এমনটা নয়। ক্লাস এইট থেকে ওর মধ্যে বদল দেখি। বইতে মুখ গুজে সারাদিন পড়ে যাওয়ার মত ছাত্র নয় সোহম।”