২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

“জলধরো জলভরো” প্রকল্পের মাধ্যমে বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হল বাঁকুড়ার বড়জোড়ায়।

বিধান ধুয়া, বাঁকুড়া: বাঁকুড়া পুরুলিয়ার মতো জেলা গুলির জলের কষ্ট দূর করতে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী শুরু করেন জলধরো জলভরো প্রকল্প।সেই প্রকল্পের অধীনে বড়জোড়া ব্লকের জোড়শাল গ্রামে বৃহৎ বাঁধ খনন মাধ্যমে জোড়শাল গ্রামে এ বাঁধ খননের উদ্বোধনে. সকাল থেকেই উৎসাহী গ্রামের মানুষের ভিড় ছিল। উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া জেলা পরিষদের কৃষি, সেচ ও সমবায় কর্মাধ‍্যক্ষ মাননীয় সুখেন বিদ মহাশয় ,বড়জোড়া ব্লক তৃনমূল কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মাননীয় কালিদাস মুখোপাধ্যায় মহাশয় সহ বড়জোড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মাননীয়া কাজল পোড়েল মহাশয়া ,বড়জোড়া পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মাননীয় বাপন তেয়ারী,  ছান্দার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মাননীয় সুখোময় রায়। বড়জোড়া পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মাননীয় গুনোময় ঘোষ সহ ছান্দার গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান উপপ্রধান সকল গ্রাম বাসী।বাঁধ খননে গ্রাম বাসীরা খুশি সেচের জলের সংস্থান পেয়ে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“জলধরো জলভরো” প্রকল্পের মাধ্যমে বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হল বাঁকুড়ার বড়জোড়ায়।

আপডেট : ৩০ জানুয়ারী ২০১৯, বুধবার

বিধান ধুয়া, বাঁকুড়া: বাঁকুড়া পুরুলিয়ার মতো জেলা গুলির জলের কষ্ট দূর করতে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী শুরু করেন জলধরো জলভরো প্রকল্প।সেই প্রকল্পের অধীনে বড়জোড়া ব্লকের জোড়শাল গ্রামে বৃহৎ বাঁধ খনন মাধ্যমে জোড়শাল গ্রামে এ বাঁধ খননের উদ্বোধনে. সকাল থেকেই উৎসাহী গ্রামের মানুষের ভিড় ছিল। উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া জেলা পরিষদের কৃষি, সেচ ও সমবায় কর্মাধ‍্যক্ষ মাননীয় সুখেন বিদ মহাশয় ,বড়জোড়া ব্লক তৃনমূল কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মাননীয় কালিদাস মুখোপাধ্যায় মহাশয় সহ বড়জোড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মাননীয়া কাজল পোড়েল মহাশয়া ,বড়জোড়া পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মাননীয় বাপন তেয়ারী,  ছান্দার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মাননীয় সুখোময় রায়। বড়জোড়া পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মাননীয় গুনোময় ঘোষ সহ ছান্দার গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান উপপ্রধান সকল গ্রাম বাসী।বাঁধ খননে গ্রাম বাসীরা খুশি সেচের জলের সংস্থান পেয়ে।