২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

যাত্রী অবরোধের জেরে গলসির খানা জংশনে আটকে গেল রাজধানী এক্সপ্রেস

আজিজুর রহমান,গলসি : গলশির খানা জংশন রেল স্টেশনে বুধবার সকালে ডাউন নয়াদিল্লি হাওড়া রাজধানী এক্সপ্রেস কে আটকে বিক্ষোভ দেখালেন যাত্রীরা। এদিন ডাউন রামপুরহাট বর্ধমান লোকালকে খানা জংশন স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখায় ক্ষুদ্ধ যাত্রীরা রেল লাইনে নেমে পড়েন। এরপরই ডাউন নয়াদিল্লি হাওড়া রাজধানী এক্সপ্রেসকে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখান শতশত যাত্রী। যাত্রীদের অভিযোগ, বহুবার পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, আরপিএফ পুলিশ ও জিআরপি পুলিশ আধিকারিকদের জানানো হয়েছে। তবে কোন সুরাহা মেলেনি। ফলে তারা বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নামেন। যাত্রী সেখ মহসিন বলেন, প্রতিদিন লোকাল ট্রেন খানা জংশন স্টেশনে আটকে রেখে মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেন পার করা হয়। যার ফলে নিত্যযাত্রীদের কর্মস্থল পৌঁছাতে খুব অসুবিধা হয়। অফিস যেতে দেরি হয়ে যায়। যাত্রী সৌমেন্দু রায় বলেন, তিনি ট্রেনে করে বর্ধমান যাচ্ছিলেন। ওই সময় ট্রেনের ভিতর হৈ হুল্লোড় করে সকলে নেমে রেল লাইনে দাঁড়িয়ে পরে। তার দাবী, একদিন নয় প্রতিদিন এমন হয়। ঘন্টা খানেক অবরোধ চলার পর রেল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের উঠে যায় অবরোধ। তারপর রাজধানী সহ সব ট্রেনের চলাচল শুরু হয়। অবরোধের জেরে ডাউন কাজিরাঙ্গা এক্সপ্রেস আটক পড়ে বনপাস স্টেশনে। এবং খানা জংশন স্টেশনে আটকে ছিল একটি সেলুনকার। তাছাড়াও বর্ধমান স্টেশন থেকে ছাড়তে দেরী হয় আপ বর্ধমান রামপুরহাট লোকাল।

বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভের উদ্যোগে ৭৪তম বিশ্বকর্মা পূজা ও মিলন উৎসব উদযাপিত।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

যাত্রী অবরোধের জেরে গলসির খানা জংশনে আটকে গেল রাজধানী এক্সপ্রেস

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২২, বুধবার

আজিজুর রহমান,গলসি : গলশির খানা জংশন রেল স্টেশনে বুধবার সকালে ডাউন নয়াদিল্লি হাওড়া রাজধানী এক্সপ্রেস কে আটকে বিক্ষোভ দেখালেন যাত্রীরা। এদিন ডাউন রামপুরহাট বর্ধমান লোকালকে খানা জংশন স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখায় ক্ষুদ্ধ যাত্রীরা রেল লাইনে নেমে পড়েন। এরপরই ডাউন নয়াদিল্লি হাওড়া রাজধানী এক্সপ্রেসকে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখান শতশত যাত্রী। যাত্রীদের অভিযোগ, বহুবার পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, আরপিএফ পুলিশ ও জিআরপি পুলিশ আধিকারিকদের জানানো হয়েছে। তবে কোন সুরাহা মেলেনি। ফলে তারা বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নামেন। যাত্রী সেখ মহসিন বলেন, প্রতিদিন লোকাল ট্রেন খানা জংশন স্টেশনে আটকে রেখে মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেন পার করা হয়। যার ফলে নিত্যযাত্রীদের কর্মস্থল পৌঁছাতে খুব অসুবিধা হয়। অফিস যেতে দেরি হয়ে যায়। যাত্রী সৌমেন্দু রায় বলেন, তিনি ট্রেনে করে বর্ধমান যাচ্ছিলেন। ওই সময় ট্রেনের ভিতর হৈ হুল্লোড় করে সকলে নেমে রেল লাইনে দাঁড়িয়ে পরে। তার দাবী, একদিন নয় প্রতিদিন এমন হয়। ঘন্টা খানেক অবরোধ চলার পর রেল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের উঠে যায় অবরোধ। তারপর রাজধানী সহ সব ট্রেনের চলাচল শুরু হয়। অবরোধের জেরে ডাউন কাজিরাঙ্গা এক্সপ্রেস আটক পড়ে বনপাস স্টেশনে। এবং খানা জংশন স্টেশনে আটকে ছিল একটি সেলুনকার। তাছাড়াও বর্ধমান স্টেশন থেকে ছাড়তে দেরী হয় আপ বর্ধমান রামপুরহাট লোকাল।