২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

সম্প্রীতির কালীপূজা হিন্দু-মুসলিম যৌথ উদ‍্যোগে জয়নগরে কালীপূজা

নবাব মল্লিক, নতুন গতি, জয়নগর: সারা দেশ জুড়ে সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদের খবর যখন আকছার শিরোনামে আসছে, এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েও সম্প্রীতির অনন্য নজির গড়ল জয়নগরের গড়দেওয়ানীর পূজা। কালীপুজোর আয়োজনে হাতে হাত হিন্দু ও মুসলিমের। গড়দেওয়ানির কালী এক করে দিয়েছে উভয় ধর্মকে। ইদের সময়েও দেখা যায় এমন দৃশ্য। আনন্দে গা ভাসায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাও। বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে এমন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঘটনা বেনজির।

পুজো পরিচালনার দায়িত্বে যেমন হিন্দুরা রয়েছে, তেমনই সমান ভূমিকায় রয়েছে মুসলিমরাও। এই পূজার সভাপতি সাহাবুদ্দিন শেখ, সম্পাদক তপন মন্ডল। এই কালীপুজোর বয়সও ১০০ বছরের কাছাকাছি। কথিত আছে, প্রথম থেকেই হিন্দু ও মুসলিম যৌথ উদ্যোগে করে আসছে এই পুজো। কালীপুজোর পাশাপাশি ইদ ও মহরমের মতো পার্বণের ক্ষেত্রেও এমনই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চিত্র দেখা যায়। পুজো পরিচালন সমিতির তরফে বলা হয়েছে, ধর্ম কখনও অন্তরায় হয়ে দাঁড়াইনি তাদের। ভবিষ্যতেও যা তা হবে না, সেই বিষয়েও আশাবাদী তারা।
বাঙালি যে উৎসবপ্রিয়, এ কথা আর নতুন করে বলার প্রয়োজন পড়ে না।

দুর্গাপুজোর ক্ষেত্রেও সম্প্রীতির খবর শিরোনামে এসেছিল। ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টালের অন্তর্গত কুসুমতলা সর্বজনীন দুর্গোৎসবের ক্ষেত্রেও হিন্দু-মুসলিমের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অংশগ্রহণের খবর পাওয়া গিয়েছিল। এবার জয়নগরের কালীপুজোও যেন সেই সম্প্রীতির বার্তাই বহন করছে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সম্প্রীতির কালীপূজা হিন্দু-মুসলিম যৌথ উদ‍্যোগে জয়নগরে কালীপূজা

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার

নবাব মল্লিক, নতুন গতি, জয়নগর: সারা দেশ জুড়ে সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদের খবর যখন আকছার শিরোনামে আসছে, এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েও সম্প্রীতির অনন্য নজির গড়ল জয়নগরের গড়দেওয়ানীর পূজা। কালীপুজোর আয়োজনে হাতে হাত হিন্দু ও মুসলিমের। গড়দেওয়ানির কালী এক করে দিয়েছে উভয় ধর্মকে। ইদের সময়েও দেখা যায় এমন দৃশ্য। আনন্দে গা ভাসায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাও। বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে এমন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঘটনা বেনজির।

পুজো পরিচালনার দায়িত্বে যেমন হিন্দুরা রয়েছে, তেমনই সমান ভূমিকায় রয়েছে মুসলিমরাও। এই পূজার সভাপতি সাহাবুদ্দিন শেখ, সম্পাদক তপন মন্ডল। এই কালীপুজোর বয়সও ১০০ বছরের কাছাকাছি। কথিত আছে, প্রথম থেকেই হিন্দু ও মুসলিম যৌথ উদ্যোগে করে আসছে এই পুজো। কালীপুজোর পাশাপাশি ইদ ও মহরমের মতো পার্বণের ক্ষেত্রেও এমনই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চিত্র দেখা যায়। পুজো পরিচালন সমিতির তরফে বলা হয়েছে, ধর্ম কখনও অন্তরায় হয়ে দাঁড়াইনি তাদের। ভবিষ্যতেও যা তা হবে না, সেই বিষয়েও আশাবাদী তারা।
বাঙালি যে উৎসবপ্রিয়, এ কথা আর নতুন করে বলার প্রয়োজন পড়ে না।

দুর্গাপুজোর ক্ষেত্রেও সম্প্রীতির খবর শিরোনামে এসেছিল। ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টালের অন্তর্গত কুসুমতলা সর্বজনীন দুর্গোৎসবের ক্ষেত্রেও হিন্দু-মুসলিমের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অংশগ্রহণের খবর পাওয়া গিয়েছিল। এবার জয়নগরের কালীপুজোও যেন সেই সম্প্রীতির বার্তাই বহন করছে।