১৬ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১৬ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পাইকর থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার তিন নকল আই পি এস অফিসার

 

মোঃ রিপন, বীরভূম

বীরভূম জেলার পাইকর থানার পুলিশ কর্তারাদের আবার বড়সড়ো সাফল্য | এবার পুলিশ হাতে ধরা পড়ে, কোন চোর ডাকাত না, নিজ তিনটি নকল আইপিএস অফিসার | পাইকার থানার চৈতি গ্রামে ঐ তিনজন পুলিশি নীল বাতি যুক্ত গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়েছিল | চৈতি গ্রামের মানুষ দেখে সন্দেহ করে তারা পাইকার থানায় তা জানায় | পাইকার থানার পুলিশ তৎকালীন তদন্তে নাম ও তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়া | এক পুলিশ কর্মী তাদের গ্রেপ্তার করা সময় তাদের বাগদত্ততা এবং ধাক্কা দেখে যে কোন মানুষই ভিমরি খাওয়া যাবে। অনুলিপি আইপিএস দের দাবি ছিল ওদেরকে গ্রেপ্তার করা হোক নাকি সব পুলিশ ও স্টাফদের চাকরি খাওয়া নেবে এটা হাস্যকর হলেও এটাই ঘটেছিল সেদিন। এর নাম পিন্টু শেখ যার আইডেন্টি কার্ড লেখা ছিল পিন্টু কেসারী সে নিজেকে আসানসোল এলাকায় আইপিএস অফিসার বলেছে রতেন | অন্যদিকে আরো একজন আলী আকবর তার বাড়ি দক্ষিণ ২4 পরগনা ও তৃতীয় জন বীরভূম জেলা নলহাতি থানার সেফুল শেখ শেখ উনি ড্রাইভার সেজেছে | ধৃতদের রমপুরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয় | তবে এখনো অনেক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে কিভাবে সেই ধৃতরা নীল বাতি যুক্ত পুলিশ গাড়ি পেলে? কি ছিল তাদের উদ্দেশ্য? লোকসভা ভোটের আগে কেনই বা তারা বীরভূমে এসে নেমেছিল?পাইকর

সাড়ে তিন মাস পরে ইরানের সঙ্গে ‘শান্তি চুক্তি’ সম্পন্ন করলো ট্রাম্প

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পাইকর থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার তিন নকল আই পি এস অফিসার

আপডেট : ১১ মার্চ ২০১৯, সোমবার

 

মোঃ রিপন, বীরভূম

বীরভূম জেলার পাইকর থানার পুলিশ কর্তারাদের আবার বড়সড়ো সাফল্য | এবার পুলিশ হাতে ধরা পড়ে, কোন চোর ডাকাত না, নিজ তিনটি নকল আইপিএস অফিসার | পাইকার থানার চৈতি গ্রামে ঐ তিনজন পুলিশি নীল বাতি যুক্ত গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়েছিল | চৈতি গ্রামের মানুষ দেখে সন্দেহ করে তারা পাইকার থানায় তা জানায় | পাইকার থানার পুলিশ তৎকালীন তদন্তে নাম ও তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়া | এক পুলিশ কর্মী তাদের গ্রেপ্তার করা সময় তাদের বাগদত্ততা এবং ধাক্কা দেখে যে কোন মানুষই ভিমরি খাওয়া যাবে। অনুলিপি আইপিএস দের দাবি ছিল ওদেরকে গ্রেপ্তার করা হোক নাকি সব পুলিশ ও স্টাফদের চাকরি খাওয়া নেবে এটা হাস্যকর হলেও এটাই ঘটেছিল সেদিন। এর নাম পিন্টু শেখ যার আইডেন্টি কার্ড লেখা ছিল পিন্টু কেসারী সে নিজেকে আসানসোল এলাকায় আইপিএস অফিসার বলেছে রতেন | অন্যদিকে আরো একজন আলী আকবর তার বাড়ি দক্ষিণ ২4 পরগনা ও তৃতীয় জন বীরভূম জেলা নলহাতি থানার সেফুল শেখ শেখ উনি ড্রাইভার সেজেছে | ধৃতদের রমপুরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয় | তবে এখনো অনেক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে কিভাবে সেই ধৃতরা নীল বাতি যুক্ত পুলিশ গাড়ি পেলে? কি ছিল তাদের উদ্দেশ্য? লোকসভা ভোটের আগে কেনই বা তারা বীরভূমে এসে নেমেছিল?পাইকর