২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

শীতলকুচিতে রাজনৈতিক সংঘর্ষে মসজিদ ভাঙাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা

নিজস্ব সংবাদদাতা, কোচবিহার: থমথমে শীতলকুচিতে চলছে পুলিশি টহল। বাজার ঘাট বন্ধ, রাস্তায় লোকজন নেই। অনেকেই বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন।

গতকাল তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কোচবিহারের শীতলখুচি। বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি হেমচন্দ্র বর্মনের ছেলে জনক বর্মণ গুলিবিদ্ধ হন। এছাড়াও দুই পক্ষের কর্মী সমর্থক আহত হন। বাড়িঘর, দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনকে ১৪৪ ধারা জারি করতে হয়। আজও তা ধারা অব্যাহত রয়েছে। উত্তেজনা প্রবন এলাকা গুলোতে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

সংঘর্ষে উত্তপ্ত শীতলখুচির রথেরডাঙ্গা, ফক্করেরহাট, বাঘমারা সহ বেশ কিছু এলাকায় এখনও ভাঙচুর লুটপাটের চিহ্ন পড়ে রয়েছে। রথেরডাঙ্গায় ৩০, বাঘমারায় ২০ টি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট জানানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়াও দুই পক্ষের বহু কর্মী সমর্থকের বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। দুই পক্ষই দাবি করেছে তাঁদের বহু সমর্থক বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে রয়েছেন। শীতলখুচি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক তপন কুমার গুহ বলেন, “আমরা অশান্তি চাই না। এতে সাধারণ ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুলিশ প্রশাসন এলাকা শান্ত রাখতে সহযোগিতা চেয়েছে। আমরা সব রকম ভাবে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।”

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শীতলকুচিতে রাজনৈতিক সংঘর্ষে মসজিদ ভাঙাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা

আপডেট : ১১ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, কোচবিহার: থমথমে শীতলকুচিতে চলছে পুলিশি টহল। বাজার ঘাট বন্ধ, রাস্তায় লোকজন নেই। অনেকেই বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন।

গতকাল তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কোচবিহারের শীতলখুচি। বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি হেমচন্দ্র বর্মনের ছেলে জনক বর্মণ গুলিবিদ্ধ হন। এছাড়াও দুই পক্ষের কর্মী সমর্থক আহত হন। বাড়িঘর, দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনকে ১৪৪ ধারা জারি করতে হয়। আজও তা ধারা অব্যাহত রয়েছে। উত্তেজনা প্রবন এলাকা গুলোতে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

সংঘর্ষে উত্তপ্ত শীতলখুচির রথেরডাঙ্গা, ফক্করেরহাট, বাঘমারা সহ বেশ কিছু এলাকায় এখনও ভাঙচুর লুটপাটের চিহ্ন পড়ে রয়েছে। রথেরডাঙ্গায় ৩০, বাঘমারায় ২০ টি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট জানানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়াও দুই পক্ষের বহু কর্মী সমর্থকের বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। দুই পক্ষই দাবি করেছে তাঁদের বহু সমর্থক বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে রয়েছেন। শীতলখুচি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক তপন কুমার গুহ বলেন, “আমরা অশান্তি চাই না। এতে সাধারণ ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুলিশ প্রশাসন এলাকা শান্ত রাখতে সহযোগিতা চেয়েছে। আমরা সব রকম ভাবে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।”