২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩

কৃষকরা যদি মাওবাদী হয়, তাদের সঙ্গে কথা বলছেন কেনো কেন্দ্র সরকার? চিদম্বরম

কৃষকরা যদি মাওবাদী হয়, তাদের সঙ্গে কথা বলছেন কেনো কেন্দ্র সরকার? চিদম্বরম

 

 

 

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম এ দিন কেন্দ্রীয় সরকারকে এক হাত নিয়ে বলেছেন, আন্দোলনরত কৃষকদের সঙ্গে যদি খালিস্তানি কিংবা মাওবাদীদের যোগ থাকে তাহলে সরকার তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসছেন কেন? চিদম্বরম বলেন, বিজেপির মন্ত্রী এবং নেতারা কৃষক আন্দোলনকারীদের পাকিস্তানি এজেন্ট, চিনা ও টুকরে টুকরে গ্যাং এবং মাওবাদী বলে অভিহিত করছেন। যদি এই সব বিশেষণ সরকারের শেষ হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে বলতে হয় হাজার হাজার আন্দোলনকারীর মধ্যে কোনও অবশিষ্ট নেই। সেই পরিস্থিতিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকার কেন বারবার বৈঠক করছে? প্রসঙ্গত, রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল গত শনিবার মন্তব্য করেছিলেন, কৃষি আন্দোলনের রাশ আর কৃষকদের হাতে নেই। এতে ঢুকে পড়েছে উগ্রপন্থী দল এবং মাওবাদীরা। কারণ কৃষক আন্দোলনে দাবি উঠছে, যারা দেশবিরোধী কাজকর্মের জন্য জেলে রয়েছেন তাদের মুক্তি দিতে হবে।

 

অপরদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রবিবার তাঁর দিল্লির বাসবভনে পঞ্জাবের পরিস্থিতি নিয়ে সেই রাজ্যের বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আগামী দিনগুলিতে যদি এই আন্দোলন আরও তীব্র হয়, তাহলে তার মোকাবিলা কীভাবে করা হবে সে বিষয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী সোমপ্রকাশও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

 

রেললাইনের পাশে পড়ে যুবক, আত্মহত্যার চেষ্টা নাকি দুর্ঘটনা? ধোঁয়াশায় বামনহাট

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কৃষকরা যদি মাওবাদী হয়, তাদের সঙ্গে কথা বলছেন কেনো কেন্দ্র সরকার? চিদম্বরম

আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০২০, সোমবার

কৃষকরা যদি মাওবাদী হয়, তাদের সঙ্গে কথা বলছেন কেনো কেন্দ্র সরকার? চিদম্বরম

 

 

 

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম এ দিন কেন্দ্রীয় সরকারকে এক হাত নিয়ে বলেছেন, আন্দোলনরত কৃষকদের সঙ্গে যদি খালিস্তানি কিংবা মাওবাদীদের যোগ থাকে তাহলে সরকার তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসছেন কেন? চিদম্বরম বলেন, বিজেপির মন্ত্রী এবং নেতারা কৃষক আন্দোলনকারীদের পাকিস্তানি এজেন্ট, চিনা ও টুকরে টুকরে গ্যাং এবং মাওবাদী বলে অভিহিত করছেন। যদি এই সব বিশেষণ সরকারের শেষ হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে বলতে হয় হাজার হাজার আন্দোলনকারীর মধ্যে কোনও অবশিষ্ট নেই। সেই পরিস্থিতিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকার কেন বারবার বৈঠক করছে? প্রসঙ্গত, রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল গত শনিবার মন্তব্য করেছিলেন, কৃষি আন্দোলনের রাশ আর কৃষকদের হাতে নেই। এতে ঢুকে পড়েছে উগ্রপন্থী দল এবং মাওবাদীরা। কারণ কৃষক আন্দোলনে দাবি উঠছে, যারা দেশবিরোধী কাজকর্মের জন্য জেলে রয়েছেন তাদের মুক্তি দিতে হবে।

 

অপরদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রবিবার তাঁর দিল্লির বাসবভনে পঞ্জাবের পরিস্থিতি নিয়ে সেই রাজ্যের বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আগামী দিনগুলিতে যদি এই আন্দোলন আরও তীব্র হয়, তাহলে তার মোকাবিলা কীভাবে করা হবে সে বিষয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী সোমপ্রকাশও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।