১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

হোক ইউনিয়ন – দাবি নিয়ে রাজভবনে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা

মিজানুল কবির, কলকাতা : “সমাজের সমস্ত মানুষের একত্রিত হওয়ার লড়াইয়ে সামিল যাদবপুর ” বার্তা নিয়ে রাস্তায় যাদবপুরের পডুয়ারা।গত বুধবার চারশো পডুয়া মিছিল করে রাজভবনের দিকে এগিয়ে যায়। এর আগেও রাজ্যপালের কাছে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়েছিলো বলে নতুন গতিকে জানায় পড়ুয়ারা। তাদের দাবি ছিলো ইউনিয়ন ইস্যু নিয়ে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ।

হোক ইউনিয়ন শ্লোগানে রাজভবনের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় তাদের।দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেও রাজ্যপালের দেখা মেলেনি বলে পড়ুয়াদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে নানা ভাবে এর আগে সরকারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোনো সদুত্তর মেলেনি বলে জানায় তারা। এমনকি শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের যাদবপুর এর পাশে কেপিসি মেডিক্যাল কলেজ এ আসলেও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে না আসার নানা বাহানা করে থাকেন বলে পড়ুয়ারা দাবি করেন।

একদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আইন এর অজুহাত দেখাচ্ছে অপরদিকে সরকারের তরফ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না এমনকি রাজ্যপালও নীরব কার্যত পড়ুয়াদের মধ্যে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হোক ইউনিয়ন – দাবি নিয়ে রাজভবনে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা

আপডেট : ১৫ মার্চ ২০১৯, শুক্রবার

মিজানুল কবির, কলকাতা : “সমাজের সমস্ত মানুষের একত্রিত হওয়ার লড়াইয়ে সামিল যাদবপুর ” বার্তা নিয়ে রাস্তায় যাদবপুরের পডুয়ারা।গত বুধবার চারশো পডুয়া মিছিল করে রাজভবনের দিকে এগিয়ে যায়। এর আগেও রাজ্যপালের কাছে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়েছিলো বলে নতুন গতিকে জানায় পড়ুয়ারা। তাদের দাবি ছিলো ইউনিয়ন ইস্যু নিয়ে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ।

হোক ইউনিয়ন শ্লোগানে রাজভবনের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় তাদের।দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেও রাজ্যপালের দেখা মেলেনি বলে পড়ুয়াদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে নানা ভাবে এর আগে সরকারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোনো সদুত্তর মেলেনি বলে জানায় তারা। এমনকি শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের যাদবপুর এর পাশে কেপিসি মেডিক্যাল কলেজ এ আসলেও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে না আসার নানা বাহানা করে থাকেন বলে পড়ুয়ারা দাবি করেন।

একদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আইন এর অজুহাত দেখাচ্ছে অপরদিকে সরকারের তরফ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না এমনকি রাজ্যপালও নীরব কার্যত পড়ুয়াদের মধ্যে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে।