০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

ঋতব্রত তৃণমূল শিবিরের ভাঙন আসন্ন, দাবি কুনালের

দেবজিত মুখার্জী, কলকাতা: ঋতব্রত শিবিরে যারা গিয়েছিলেন তারা ভেবেছিলেন অন্তত পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে পারবেন। কিন্তু ফিরহাদ হাকিমের অবস্থা দেখে অনেকেরই ঋতব্রত-তৃণমূলের উপর আস্থা চলে যাচ্ছে। সোমবার বিধানসভার অধিবেশন শেষে বড় মন্তব্য করলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি দাবি করলেন, বিদ্রোহী অনেক বিধায়কই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানছেন না। কেন মানছেন না, তারও যুক্তি দিলেন ‘কালীঘাট তৃণমূলের’ বিধায়ক কুণাল। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহারা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। ধীরে ধীরে তাঁদের সঙ্গে ৬০ জনের বেশি বিধায়ক হাত মেলান। সেই দলে কলকাতা বন্দরের বিধায়ক ফিরহাদ হাকিমও রয়েছেন। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হয়েছেন ঋতব্রত। কিন্তু, বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের অনেকেই আর ঋতব্রতকে মানছেন না বলে দাবি করলেন কুণাল।

এদিন তিনি বলেন, “পুলিশ ডিস্টার্ব করবে না জানিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। তৃণমূলের রক্ত যাদের গায়ে রয়েছে, তারা আর ঋতব্রতকে মানছে না। ক’দিন পরেই দেখতে পাবেন।” এদিন গুন্ডাদমন বিলের উল্লেখ করে কুণাল বলেন, “কালীঘাট শিবির স্ট্র্যাটেজিক কারণে ভোটদান থেকে বিরত ছিলাম। পরে দেখা যায়, ২০ জন বিরত। অনেকেই ঋতব্রতকে মানছে না।” শামস ইকবালের জামিন পাওয়া নিয়েও এদিন কটাক্ষ করেন কুণাল। বলেন, “শামস ইকবাল সেটিং শিবিরে, তাই ছাড়া পায়। অন্যদিকে কারও কারও ক্ষেত্রে দিনের পর দিন জামিন হয় না। ‘বাঁচতে চাই বিজেপি তাই’ এটা এখন বিরোধী শিবিরের অনেকের স্লোগান। অবৈধ সম্পত্তি বাঁচাতে চাই, বিজেপি তাই।”

তাড়াতাড়ি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ঋতব্রত তৃণমূল শিবিরের ভাঙন আসন্ন, দাবি কুনালের

আপডেট : ১ জুলাই ২০২৬, বুধবার

দেবজিত মুখার্জী, কলকাতা: ঋতব্রত শিবিরে যারা গিয়েছিলেন তারা ভেবেছিলেন অন্তত পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে পারবেন। কিন্তু ফিরহাদ হাকিমের অবস্থা দেখে অনেকেরই ঋতব্রত-তৃণমূলের উপর আস্থা চলে যাচ্ছে। সোমবার বিধানসভার অধিবেশন শেষে বড় মন্তব্য করলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি দাবি করলেন, বিদ্রোহী অনেক বিধায়কই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানছেন না। কেন মানছেন না, তারও যুক্তি দিলেন ‘কালীঘাট তৃণমূলের’ বিধায়ক কুণাল। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহারা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। ধীরে ধীরে তাঁদের সঙ্গে ৬০ জনের বেশি বিধায়ক হাত মেলান। সেই দলে কলকাতা বন্দরের বিধায়ক ফিরহাদ হাকিমও রয়েছেন। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হয়েছেন ঋতব্রত। কিন্তু, বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের অনেকেই আর ঋতব্রতকে মানছেন না বলে দাবি করলেন কুণাল।

এদিন তিনি বলেন, “পুলিশ ডিস্টার্ব করবে না জানিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। তৃণমূলের রক্ত যাদের গায়ে রয়েছে, তারা আর ঋতব্রতকে মানছে না। ক’দিন পরেই দেখতে পাবেন।” এদিন গুন্ডাদমন বিলের উল্লেখ করে কুণাল বলেন, “কালীঘাট শিবির স্ট্র্যাটেজিক কারণে ভোটদান থেকে বিরত ছিলাম। পরে দেখা যায়, ২০ জন বিরত। অনেকেই ঋতব্রতকে মানছে না।” শামস ইকবালের জামিন পাওয়া নিয়েও এদিন কটাক্ষ করেন কুণাল। বলেন, “শামস ইকবাল সেটিং শিবিরে, তাই ছাড়া পায়। অন্যদিকে কারও কারও ক্ষেত্রে দিনের পর দিন জামিন হয় না। ‘বাঁচতে চাই বিজেপি তাই’ এটা এখন বিরোধী শিবিরের অনেকের স্লোগান। অবৈধ সম্পত্তি বাঁচাতে চাই, বিজেপি তাই।”